Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর ২০১৮ , সময়- ১১:৪০ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
গত পাঁচ বছরে যেসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেছে আ'লীগ সরকার | প্রজন্মকণ্ঠ #মি টু ঝড় এখন বাংলাদেশে  মুক্তি পেয়েছেন আলোকচিত্রী শহিদুল আলম নারায়ণগঞ্জে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা  আ'লীগের মনোনয়ন পেতে যাচ্ছেন বদির স্ত্রী শাহীনা ও রানার বাবা     ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাব্বানী আইসিইউতে চিকিৎসাধীন জাতীয় পার্টির ভূমিকাকে ‘অকার্যকর' বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ ইসি সচিব ও ডিএমপি কমিশনারের শাস্তি দাবি করেছে বিএনপি চলচ্চিত্র পরিচালক আমজাদ হোসেনের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী আইসিসি টেস্ট র‍্যাংকিংয়ে সেরা অবস্থানে মুশফিক-মিরাজরা

ব্যাংকিং খাতে ভয়াবহ দুর্নীতি, আইন আছে প্রয়োগ নেই : যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান


প্রতিবেদক, প্রজন্মকন্ঠ 

আপডেট সময়: ২৯ মার্চ ২০১৭ ১২:৩০ এএম:
ব্যাংকিং খাতে ভয়াবহ দুর্নীতি, আইন আছে প্রয়োগ নেই : যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান

"বাংলাদেশের  ব্যাংকিং সেক্টর চরম দুরবস্থায় পড়েছে। ব্যাংকিং খাতের দুর্বৃত্তরা ভয়াবহ অপরাধ করেও পার পেয়ে যাচ্ছেন। বড় মাপের ঋণখেলাপি থেকে শুরু করে ঋণ জালিয়াত, দুর্নীতিবাজ, জনগণের টাকা আত্মসাৎকারী- সবাই যেন জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে। অথচ আইন আছে, আছে প্রশাসনিক অনেক ক্ষমতাও। কিন্তু প্রয়োগ নেই। বরং যিনি বা যারা আইন প্রয়োগ করবেন, অনেক সময় তাদের দেখা যায় ঋণখেলাপি ও দুর্নীতিবাজদের পক্ষে সাফাই গাইতে।"

আজ তার নিজস্ব মালিকানাধীন পত্রিকা দৈনিক যুগান্তর- এ মর্মে একটি মন্তব্য প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান নুরুল ইমলাম বাবুল।
তিনি যুবকের প্রতারণা থেকে শুরু করে ডেসটিনি, হলমার্ক ও বেসিক ব্যাংকের হাজার হাজার কোটি টাকার আর্থিক কেলেংকারিসহ ব্যাংক কিংবা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ভয়াবহ দুর্নীতি, জালিয়াতি ও পার পেয়ে যাওয়া ঋণখেলাপির তথ্যভিত্তিক সচিত্র খবরের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেছেন। তিনি লিখেছেন,  অবস্থাটা এমন জায়গায় দাঁড়িয়েছে যে,  খবর প্রকাশ পর্যন্তই যেন সব শেষ। এসব ব্যাংক ও শেয়ারবাজারখেকো দুর্বৃত্তদের সামাজিকভাবে মিডিয়া ট্রায়াল ছাড়া আর কিছুই হচ্ছে না। এ পর্যন্ত একটি ঘটনারও দৃষ্টান্তমূলক বিচার কিংবা শাস্তি হয়নি।

এ প্রবন্ধটিতে আরো বলা হয়েছে, ঋণ অবলোপনের নামে সমানে ব্যাংকগুলো খারাপ দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে। এ পর্যন্ত ৪২ হাজার কোটি টাকার ঋণ অবলোপন করা হয়েছে। এতে খেলাপিরা আরও উৎসাহিত হচ্ছেন। অর্থাৎ ঋণ নিয়ে আর দেয়া লাগবে না। একপর্যায়ে ব্যাংক বাধ্য হয়ে দায়দেনার খাতা ক্লোজ করে ফেলবে। এ অপব্যবস্থার সুযোগ নিচ্ছেন প্রভাবশালীরা। এ অবস্থায়, শুধু ব্যাংকিং খাত কেন- এর বিরূপ প্রভাবে পুরো অর্থনীতি ধ্বংস হতে বসেছে। বিনিয়োগ নেই বললেই চলে। যেসব তথ্য দিয়ে বাহবা নেয়া হচ্ছে তা সবই কাগুজে।

এ নিয়ে দেশের অর্থনীতিবিদ, ব্যাংকার ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধি গভীর উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছেন। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক আবদুল হক রেডিও তেহরানকে বলেন, ব্যাংকিং সেক্টরে দুর্নীতি বন্ধ করতে সরকারের সদিচ্ছা থাকতে হবে, আইনের যথাযথ প্রয়োগ খাকতে হবে এবং ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে স্বাধীনতা দিতে হবে।

তাই দেশের একজন শিল্পপতি হিসেবে নুরুল ইমলাম বাবুল সরকারের কাছে  দাবি করেছন,  যারা ঋণ জালিয়াতি, অর্থ আত্মসাৎ ও ভয়াবহ দুর্নীতি করে ব্যাংকিং সেক্টরকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছেন তাদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। ঋণখেলাপিদেরও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। বিশেষ করে যারা বড় বড় ঋণখেলাপি তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেয়া যাবে না। প্রথমে তাদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে তুলে ব্যাংকের সমুদয় পাওনা টাকা উসুল করতে হবে।

দ্বিতীয়ত, সম্পদ বিক্রি করে ঋণ পরিশোধ না হলে দ্রুত জেলে নেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। এক্ষেত্রে বিশেষ বিধান জারি করতে হবে; যাতে কেউ আদালতে রিট করে শাস্তি আটকাতে না পারেন। খেলাপিদের কাছ থেকে টাকা আদায়ে প্রয়োজনে ৩ থেকে ৬ মাসের সময় বেঁধে দিয়ে কঠোর আইন করা উচিত। একই সঙ্গে তাদের পাসপোর্টও জব্দ করতে হবে। যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন। কারণ ব্যাংকের মূলধন সাধারণ জনগণের আমানতের টাকা। তাই এসব দুর্বৃত্তকে কোনোভাবেই ছাড় দেয়া কিংবা ক্ষমা করার সুযোগ নেই।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top