Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮ , সময়- ৫:৫৮ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
শরিকদের জন্য ৭০টি আসন ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচনে দুর্নীতিবাজদের নির্বাচিত না করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান : দুদক চেয়ারম্যান সাজাপ্রাপ্ত খালেদার যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা নিতে হাইকোর্টের নির্দেশ  খাশোগি হত্যা : লাশ টুকরো করার ছবি ফাঁস ! ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ পদকের খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন আয়কর মেলার শেষ দিন আজ দুর্নীতিসহ ১১ সূচকে রেড জোনে বাংলাদেশ : এমসিসি  চিকিৎসা বিষয়ে খালেদা জিয়ার রিটের আদেশ আজ  নাজমুল হুদাকে ৪৫ দিনের মধ্যে আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ  নির্বাচনকালীন সম্ভাব্য নাশকতা মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার 

লেখক পরিচিতি : আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ


অনলাইন ডেস্ক

আপডেট সময়: ২১ এপ্রিল ২০১৭ ৫:১৮ এএম:
লেখক পরিচিতি : আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ

লেখক পরিচিতি : আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ (৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩৪ - ১৯ মার্চ, ২০০১) বাংলাদেশের গত শতাব্দীর পঞ্চাশের দশকের একজন মৌলিক কবি। তাঁর পুরো নাম আবু জাফর মুহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ খান। তাঁর দুটি দীর্ঘ কবিতা 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' এবং 'বৃষ্টি ও সাহসী পুরুষের জন্য প্রার্থনা' আধুনিক বাংলা সাহিত্যের ভাণ্ডারে অভূতপূর্ব সংযোজন। ব্যক্তি জীবনে তিনি ছিলেন একজন উচ্চপদস্থ সরকারি আমলা। ১৯৮০-র দশকে তিনি বাংলাদেশ সরকারের কৃষিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

জন্ম ও শিক্ষা :  আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ বরিশাল এর বাবুগঞ্জের বাহেরচর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা আব্দুল জব্বার খান পাকিস্তানের আইন পরিষদের স্পিকার ছিলেন। ময়মনসিংহ জিলা স্কুল থেকে ১৯৪৮ সালে মাধ্যমিক, ১৯৫০ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগ হতে এম.এ. পাস করেন।

পেশা জীবন : ১৯৫৪ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। ১৯৫৪ সালে তিনি ইংরেজিতে মাস্টার্স করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একই বিভাগে প্রভাষক পদে যোগ দেন। ১৯৫৭ সালে অধ্যাপনা পেশা ছেড়ে তিনি যোগ দেন পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসে। ১৯৮২ সালে তিনি সচিব হিসেবে অবসর নেন এবং মন্ত্রীসভায় যোগ দেন। কৃষি ও পানি সম্পদ মন্ত্রী হিসেবে দুই বছর দায়িত্ব পালন করে ১৯৮৪ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসেবে যোগ দেন। পরবর্তীতে ১৯৯২ সালে এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের অতিরিক্ত মহাপরিচালক হিসেবে যোগ দেন বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থায়। ১৯৯৭ সালে তিনি একই সংস্থা থেকে পরিচালক হিসেবে অবসর নেন। অবসর গ্রহণের পর তিনি ঢাকায় ফিরে একটি বেসরকারি সংস্থার চেয়ারম্যান হিসেবেও বেশ কয়েকদিন দায়িত্ব পালন করেছেন।

সাহিত্যে অবদান : কাব্যের আঙ্গিক গঠনে এবং শব্দ যোজনার বিশিষ্ট কৌশল তাঁর স্বাতন্ত্র্য চিহ্নিত করে। তিনি লোকজ ঐতিহ্যের ব্যবহার করে ছড়ার আঙ্গিকে কবিতা লিখেছেন। প্রকৃতির রূপ ও রঙের বিচিত্রিত ছবিগুলো তাঁর কবিতাকে মাধুর্যমণ্ডিত করেছে। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো : 

সাতনরী হার (১৯৫৫),
কখনো রং কখনো সুর (১৯৭০),
কমলের চোখ (১৯৭৪),
আমি কিংবদন্তির কথা বলছি (১৯৮১),
সহিষ্ণু প্রতীক্ষা (১৯৮২),
প্রেমের কবিতা (১৯৮২),
বৃষ্টি ও সাহসী পুরুষের জন্য প্রার্থনা (১৯৮৩),
আমার সময় (১৯৮৭),
নির্বাচিত কবিতা (১৯৯১),
আমার সকল কথা (১৯৯৩),
মসৃণ কৃষ্ণ গোলাপ প্রভৃতি।

পুরস্কার : 

বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৭৯)
একুশে পদক (১৯৮৫)৷


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top