Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৮ , সময়- ১২:১৬ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
আ’লীগ নেতা রেজনু ও ছাত্রদল নেতা জিলানির ফোনালাপ ফাঁস প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ইসিকে সহযোগিতার নির্দেশনা | প্রজন্মকণ্ঠ আওয়ামী লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষ ও গোলাগুলিতে চারজন নিহত | প্রজন্মকণ্ঠ ইয়াঙ্গুন উপকূলে একটি নৌকা থেকে শতাধিক রোহিঙ্গাকে গ্রেফতার  জীবনীভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র ‘হাসিনা : এ ডটার’স টেল’ দেখতে উপচেপড়া ভিড় নির্বাচন পেছানোর দাবি ও আগুন সন্ত্রাস একই সূত্রে গাঁথা :  ড. হাছান মাহমুদ  দেশকে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত করতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান : প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক দলগুলির সমান সুযোগ নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিমত | প্রজন্মকণ্ঠ বিভিন্ন পত্রিকার সম্পাদকদের সঙ্গে পরামর্শ ও সহযোগিতা চেয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট বিএনপি নেত্রী নিপুণ রায় ও রুমাকে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত

উদ্বোধন হলো শেখ হাসিনা সফটওয়্যার পার্কের, কর্মসংস্থান ২০ হাজার তরুণের


নিজস্ব প্রতিনিধি

আপডেট সময়: ১০ ডিসেম্বর ২০১৭ ৪:০০ পিএম:
উদ্বোধন হলো শেখ হাসিনা সফটওয়্যার পার্কের, কর্মসংস্থান ২০ হাজার তরুণের

তরুণদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেয়া হলো যশোরে সদ্য নির্মিত শেখ হাসিনা সফটওয়্যার প্রযুক্তি পার্ক। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ রোববার ঢাকায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ৩০৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ টেকনোলজি পার্কের উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধীন অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, 'আমরা শুরু করেছি, তৃণমূল পর্যায়ে চলে যাওয়া… শুধু রাজধানী ভিত্তিক নয়, আমাদের লক্ষ্য তৃণমূল পর্যায়ে যাওয়া।'

প্রধানমন্ত্রী বলেন, হাইটেক পার্কগুলো রপ্তানিতে সবচেয়ে বড় অবদান রাখতে পারবে। যশোরের মতো স্থানে এমন একটি আধুনিক সুযোগ সম্বলিত পার্ক মানুষকে আকৃষ্ট করবে।

তিনি বলেন, সফটওয়্যার তৈরি, কল সেন্টার সেবা, ফ্রিল্যান্সিং, গবেষণা ও উন্নয়নসহ বিভিন্ন কাজ হবে এই পার্কে।  সেখানে খুলনা বিভাগের দশ জেলার পাঁচ হাজার তরুণের কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে বলে সরকার আশা করছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, সিলিকন ভ্যালির আদলে তৈরি এই ‘শেখ হাসিনা সফটওয়্যার পার্ক’। এটি আমাদের দেশে একখণ্ড সিলিকন ভ্যালি। 

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী মানা করেছিলেন তার নামে যশোরের হাইটেক পার্ক এর নাম করণ না করতে। কিন্তু সরকারের অর্থায়নে এটি প্রথম হাইটেক পার্ক। এই বিষয়টি স্মরণীয় করে রাখতে প্রধানমন্ত্রীর নামে এই হাইটেক পার্কের নামকরণ করা হয়।

প্রযুক্তি পার্ক প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক জাহাঙ্গির আলম বলেন, এই পার্কের মূল ভবনে প্রায় ৫৫টি কোম্পানিকে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে জাপানের দুটি কোম্পানিও রয়েছে। এর মাধ্যমে ২০ হাজার তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থানের  সুযোগ তৈরি হবে।

তিনি আরো বলেন, খুলনা বিভাগের ১০টি জেলাকে টার্গেট করে যশোরে এই সফটওয়্যার প্রযুক্তি পার্কটি স্থাপন করা হয়েছে। এখানে দেশি ও বিদেশি আইটি শিল্প প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ করতে পারবে। এই পার্কে সফটওয়্যার উন্নয়ন, ফ্রিল্যান্সিং, আউটসোর্সিং, কলসেন্টার, গবেষণা এবং উন্নয়ন কাজ করা যাবে।

প্রকল্প পরিচালক জানান, প্রায় অর্ধশতাধিক প্রতিষ্ঠান এখানে প্রযুক্তি পণ্য উদ্ভাবন করবে। 

২০১০ সালের ডিসেম্বরে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই জেলায় বিশ্বমানের একটি তথ্যপ্রযুক্তি পার্ক স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

চার বছরের মাথায় তাঁর ওই ঘোষণার আলোকে ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে শহরের শংকরপুর এলাকায় বেপজায় আইটি পার্কের নির্মাণ কাজ শুরু হয়।

মাত্র চার বছরে এই পার্ক আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেয়া হলো।

এটি নির্মাণে ৩০৫ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। পার্কে ১৫তলা এমটিবি ভবন, ১২তলা বিশিষ্ট ফাইভ স্টার মানের ডরমেটরি ভবন, রাষ্ট্র পরিচালিত আর্ট কনভেনশন সেন্টার এবং আন্ডারগ্রাউন্ড পার্কসহ সব ধরনের আধুনিক সুবিধা সম্বলিত প্রায় ২ দশমিক ৩২ লাখ বর্গফুট স্পেস থাকবে। প্রতিটি ফ্লোরে ১৪ হাজার বর্গফুট স্পেস থাকবে। বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে করা হয়েছে ৩৩ কেভিএ পাওয়ার সাব- স্টেশন।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top