Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর ২০১৮ , সময়- ১২:১২ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
ভারতের সেনার অস্ত্র ভাণ্ডারে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ৬ আহত অনেক স্কাইপি বন্ধ করে সরকার ঘৃণ্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করল : রিজভী টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২ : ইয়াবা ও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার নৌকা থেকে যারা ধানের শীষে তারা ‘ভণ্ড’ ও ‘প্রতারক’’ | প্রজন্মকণ্ঠ আস্থার প্রতীক নৌকা আর ধানের শীষ | প্রজন্মকণ্ঠ ভারতের ‘সাহায্য প্রয়োজন’ ছাড়া বাংলাদেশের নির্বাচন সম্ভব নয় !  চাঞ্চল্যকর সাত খুনের ঘটনার মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ | প্রজন্মকণ্ঠ খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন | প্রজন্মকণ্ঠ অবশেষে আটক সেই হেলমেটধারী | প্রজন্মকণ্ঠ আমেরিকার চাপের কাছে স্বাধীনচেতা দেশ ইরান নতি স্বীকার করবে না

মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে মারধোর করেছে ছাত্রলীগ


অনলাইন ডেস্ক

আপডেট সময়: ১৯ ডিসেম্বর ২০১৭ ৪:৫৮ পিএম:
মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে মারধোর করেছে ছাত্রলীগ

মহান বিজয়ের মাসে যুদ্ধাহত এক মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সোহেল রানাকে মারধোর করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি গ্রুপের কর্মীরা।

সোমবার রাত সাড়ে ১০ টার দিকে লালন শাহ হলের ৩৩৫ নং রুমে ডেকে নিয়ে ৭-৮ জন ছাত্রলীগ কর্মী তাকে মারধোর করেছে বলে জানিয়েছেন ওই শিক্ষার্থী। সে বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র এবং ঝিনাইদহ জেলার কোট চাঁদপুর উপজেলার সাব্দালপুর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমানের ছেলে।

সোহেল রানার জানান, সোমবার রাতে লালন শাহ হলে আমার রুমে (২৩০ নং) বসে পড়তে ছিলাম। রাত সাড়ে ৯ টার দিকে বাংলা বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র আসাদুজ্জামান আসাদ হলের ৩৩৫ নং রুমে মিটিং আছে বলে সেখানে আমাকে আসতে বলে। আমি আমার দ্বিতীয় বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষার কথা বললেও জরুরি মিটিংয়ে উপস্থিত থাকতে হবে বলে জানান। আমি রাত ১০ টার দিকে ৩৩৫ নং রুমে যাওয়ার পর সালাহউদ্দিন আহমেদ সজলসহ কয়েকজন আমাকে বলে তুই সভাপতি শাহিন ভাই ও সজলকে গালাগালি করছিস। এ কথা কে বলেছে, জানতে চাইলে সজলের নেতৃত্বে ব্যবস্থাপনা বিভাগের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষে শিহাব, আইসিই বিভাগের ১০-১১ শিক্ষাবর্ষের মিঠু কবির, আইসিই বিভাগের রুবেল হোসেন, লোক প্রশাসন বিভাগের ১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের মুস্তাফিজুর রহমান শিপনসহ ৭-৮ জন আমাকে কিল, ঘুষি, লাথি মারতে থাকে। একপর্যায়ে আমি রুমের মেঝেতে পড়ে গেলে তারা মারধোর বন্ধ করে এবং রাতের মধ্যে হল থেকে বের হয়ে যাওয়ার হুমকি দেয়। পরে আমি সেখান থেকে চলে আসি। এসময় ছাত্রলীগের সভাপতি শাহিনুর রহমান শাহিন পাশের রুম ৩৩৬ নং এ অবস্থান করছিলেন বলে জানিয়েছে সোহেল রানা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক লাঞ্চনার ঘটনায় মিঠু কবির এবং রুবেল হোসেনকে সাময়িক ভাবে বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই অপরাধে মিঠু কবিরকে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়। এছাড়া সোহেল রানাকে মারধোরের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে হলের সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে।
এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহিনুর রহমান শাহিন, ‘তাকে মারধোর করা হয়নি। তার কাছে কোন ডকুমেন্ট থাকলে সে বলুক। তবে সে আমাকে নিয়ে খারাপ মন্তব্য করায় ক্ষুদ্ধ কর্মীরা তাকে হল থেকে চলে যেতে বলেছে।’

সভাপতিকে নিয়ে খারাপ মন্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে সোহেল রানা বলেন, ‘আমি ছাত্রলীগ সভাপতিকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করব কেন? আমার বাবা মুক্তিযোদ্ধা। তবে আমি ছাত্রলীগের অন্য গ্রুপের সাথে থাকি এটাই আমার দোষ। আমি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে বিচার চাই।’

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন বলেন, ‘বিষয়টি আমরা খোঁজ নিয়ে এ ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, ‘আমার কাছে কোন অভিযোগ আসেনি। বিষয়টি শুনে আমি খোঁজ খবর নিচ্ছি এবং কি করণীয় সে বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।’                                                                


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top