Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, বুধবার, ২৩ জানুয়ারী ২০১৯ , সময়- ৬:৫৫ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
যুবলীগ ও আ'লীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ১০ গণতন্ত্র ও উন্নয়ন একসঙ্গে চলবে : প্রধানমন্ত্রী দুদকের পরিচালক সাময়িক বরখাস্ত ঢাকা উত্তর সিটি নির্বাচন ২৮ ফেব্রুয়ারি ১০টি অঞ্চলে পাঁচ ধাপে অনুষ্ঠিত হবে নির্বাচন আওয়ামী লীগ দেশ চালাতে পারবে না : রব ৫ কোম্পানির পানি মানহীন : বিএসটিআই পরিকাঠামো উন্নয়নে বিপুল অর্থ ঋণ দিচ্ছে চিন বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছেন এরশাদ  মুন্সিগঞ্জের ট্রলারডুবি যে সত্যগুলো উন্মোচন করল

জাল দিলল দেখিয়ে কেউ জমির মালিকানা দাবি করলে করণীয়


অনলাইন ডেস্ক

আপডেট সময়: ১৯ ডিসেম্বর ২০১৭ ৫:২৬ পিএম:
জাল দিলল দেখিয়ে কেউ জমির মালিকানা দাবি করলে করণীয়

জালিয়াতি বা প্রতারণার মাধমে কোনো জমির দলিল সম্পন্ন করে মালিকানা দাবি করা এবং মূল মালিককে দখল্চুত করার মত ঘটনা আমাদের দেশে নতুন কিছু নয়। নির্দিষ্ট আইন অনুযায়ী এর প্রতিকার পাওয়া সম্ভব। কিন্তু আমাদের দেশে অধিকাংশ মানুষ জানেনা কিভাবে এবং কখন জাল দলিল এর বিরুধে মামলা কিনবা প্রতিকার দাবি করবেন। কিছু ক্ষেত্রে প্রতিকার আশা করা গেলেও ক্ষতিগ্রস্ত বেক্তি কিছু দাপটে লোক, সন্ত্রাসী বা টাউট এর খপ্পরে পরে প্রতারিত বা অনেকে সর্বশ্শ হারানোর ঘটনাও কম নয়।

বাংলাদেশে প্রচলিত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারা অনুযায়ী, কোনো দলিল বাতিল বা বাতিল যোগ্য বলে প্রতিকার পাওয়া সম্ভব। এই আইনে বলা হয়েছে যে, কোনো বেক্তি, যার বিরুদ্ধে লিখিত দলিল বাতিল বা বাতিল যোগ্য যা বলবত থাকলে তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হতে পারে এমন অবস্থায় তিনি তা বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দাযের করতে পারেন এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতার বলে তেমন রায় প্রদান করতে এবং চুক্তি বিলুপ্ত হিসেবে বাতিল করার নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।

এই ধারা অনুযায়ী প্রতিকার পেতে হলে যে বিষয় গুলো প্রমান করতে হয় তা হলো :

১. দলিলটি বাতিল বা বাতিলযোগ্য ২. দলিলটি বাতিল না হলে বাদীর অপূরণীয় ক্ষতির আশংকা ৩.আদালত ন্যয় বিচারের স্বার্থে তা বাতিল করতে সক্ষম জমির মুল্য বাবদ নির্দিষ্ট এখতিয়ারাধীন আদালতে মামলা দায়ের করতে হয়, তবে ৪২ ধারা অনুযায়ী ঘোষণা মূলক মামলা দায়ের করা হলে ৩৯ ধারার বিধান আমলে আসেনা। কারণ ঘোষণা মূলক মামলার ক্ষেত্রে ৩৯ ধারার প্রতিকারের কারণ গুলো চলে আসে। বাদী যদি কোনো সম্পত্তি দখলে থাকা কালীন বিবাদী কর্তিক বা অন্য কোনো মাধ্যমে সত্ব দখল বিহীন অবস্থায় কোনো দলিল সম্পাদন করে প্রতারনার্ আশ্রয় নেয় তাহলে বাদী সরা সরি ৩৯ ধারা মতে দলিলটি বাতিলের আদেশ চাইতে পারে। এ ক্ষেত্রে দলিলের মুল্য বাবদ এডভোলেরাম কোর্ট ফী জমা দিতে হবে। অপর দিকে বাদী নালিশী দলিলের বিরুধে অকার্যকর, তন্চকি, বাদীর উপর বৈধ নয় মর্মে ঘোষণা চাইলে মামলাকে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণা মূলক মোকদ্দমা হিসেবে অভিহিত করা হয়।

এ ক্ষেত্রে প্রতি ঘোষণা অনুযায়ী নির্ধারিত কোর্ট ফী প্রদান করতে হয়। বাদী যদি ভুয়া দলিলের মাধ্যমে বেধখল হয় তাহলে ৮ ধারা অনুযায়ী সত্য সাব্যস্তে খাস দখলের মামলা করতে পারে এবং আর্জির প্রার্থনায় দফায় দলিলটি বাতিল চাইতে পারে। এর সঙ্গে ৪২ ধারায় পৃথক ঘোষণাও চাইতে পারে। এতে অতিরিক্ত চুক্তি কোর্ট ফী প্রদান করতে হয়। বি. দ্রষ্টব্য : এই আর্টিকেলটি শুধুমাত্র ধারণা ও জানার জন্য করা। আপনার সমস্যা সমাধানের জন্য অবশ্যই নিকটস্থ আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করুন।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top