Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, শনিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০১৯ , সময়- ২:১০ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
সাবেক অর্থমন্ত্রীর হুইল চেয়ার ধরার লোক নেই বিমানবন্দরে !  বিজেপি সরকারের ‘বিদায় ঘণ্টা’ বাজানোর প্রস্তুতি জনগণের দৃষ্টি ভিন্নখাতে প্রভাহিত করতেই বিজয় উৎসব করছে আ'লীগ কলকাতার ব্রিগেডের দিনেই সম্প্রচারিত হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর মৃত্যু আশঙ্কা আসছেন জাতিসংঘের বিশেষ দূত যেসব সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকবে আজ  স্বপ্নের কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পের কাজ দৃশ্যমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিজয় সমাবেশ আজ  সমাবেশে ৫২ হাজার লাল-সবুজের পতাকা ওড়াবে যুবলীগ প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার সম্ভাবনা নেই : শিক্ষামন্ত্রী

ইবিতে এবার সেই মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে হল ছাড়া করল ছাত্রলীগ


অনলাইন ডেস্ক

আপডেট সময়: ১৯ ডিসেম্বর ২০১৭ ৬:১৭ পিএম:
ইবিতে এবার সেই মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে হল ছাড়া করল ছাত্রলীগ

এবার মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে হল ছাড়া করল ছাত্রলীগ। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ওই মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের নাম সোহেল রানা। 

মঙ্গলবার বেলা ২ টার দিকে লালন শাহ হলের ২৩০ নং রুমে তাকে মারধর করার পর বের করে দেয় এবং তার জিনিসপত্র ছুড়ে ফেলে দেয় ছাত্রলীগ কর্মীরা। তারা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি গ্রুপের কর্মী। ভুক্তভোগী সোহেল বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র এবং ঝিনাইদহ জেলার কোট চাঁদপুর উপজেলার সাব্দালপুর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমানের ছেলে। 

সোহেল রানা জানান, সোমবার রাত সাড়ে ১০ টার দিকে সালাউদ্দিন আহমেদ সজলের নেতৃত্বে ব্যবস্থাপনা বিভাগের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের শিহাব, আইসিই বিভাগের ১০-১১ শিক্ষাবর্ষের মিঠু কবির, একই বিভাগের রুবেল হোসেন, লোক প্রশাসন বিভাগের ১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের মুস্তাফিজুর রহমান শিপনসহ ৭-৮ জন আমাকে ব্যাপক মারধর করে। রাতের মধ্যে হল থেকেও বের হয়ে যাওয়ার হুমকি দেয় তারা। আমি বিষয়টি প্রক্টর স্যার ও সাংবাদিকদের জানালে তারা হল থেকে আমাকে বের করে দেয় এবং আমার জিনিসপত্র ছুড়ে ফেলে দেয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মারধরকারী মিঠু কবির এবং রুবেল হোসেন সাংবাদিক লাঞ্চনার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার হয়। একই অপরাধে মিঠু কবিরকে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়। 

এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহিনুর রহমান শাহিন, ‘তাকে মারধর করা হয়নি। তার কাছে কোন ডকুমেন্ট থাকলে সে বলুক। তবে সে আমাকে নিয়ে খারাপ মন্তব্য করায় ক্ষুদ্ধ কর্মীরা তাকে হল থেকে চলে যেতে বলেছে।’ 

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, ‘আমার কাছে কোন অভিযোগ আসেনি। বিষয়টি শুনে আমি স্বপ্রণোদিত হয়ে খোঁজখবর নিচ্ছি এবং কি করণীয় সে বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।’


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top