Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮ , সময়- ১:২৩ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
রাজশাহীর হরিপুরে যাত্রীবাহী বাস উল্টে নিহত ১, আহত অন্তত ১০ জন পুলিশের ওপর আক্রমণ ছিল পূর্ব পরিকল্পিত : ডিএমপি কমিশনার নির্ধারিত সময়েই পৌঁছাবে বিনামূল্যের বই | প্রজন্মকণ্ঠ রোহিঙ্গাদের জোর করে মিয়ানমারে ফেরত পাঠাবে না বাংলাদেশ | প্রজন্মকণ্ঠ কীভাবে চেনা যাবে FAKE NEWS,  ঠেকানোর উপায় কী  কুড়িগ্রামে লাখো মুসল্লির অংশগ্রহণে তাবলীগের জেলা ইজতেমা চলছে  জামায়াত-বিএনপি একই মায়ের দুই সন্তান, ব্যারিস্টার ফারহানার বক্তব্য ভাইরাল ডকুফিল্ম ‘হাসিনা : অ্যা ডটারস টেল’ মুক্তি পাচ্ছে আজ লাভজনক পদ নিয়ে বিতর্ক | প্রজন্মকণ্ঠ জোটের শরিকরা আনুমানিক ৬৫ থেকে ৭০ আসন পেতে পারে : ওবায়দুল কাদের

ইবিতে এবার সেই মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে হল ছাড়া করল ছাত্রলীগ


অনলাইন ডেস্ক

আপডেট সময়: ১৯ ডিসেম্বর ২০১৭ ৬:১৭ পিএম:
ইবিতে এবার সেই মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে হল ছাড়া করল ছাত্রলীগ

এবার মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে হল ছাড়া করল ছাত্রলীগ। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ওই মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের নাম সোহেল রানা। 

মঙ্গলবার বেলা ২ টার দিকে লালন শাহ হলের ২৩০ নং রুমে তাকে মারধর করার পর বের করে দেয় এবং তার জিনিসপত্র ছুড়ে ফেলে দেয় ছাত্রলীগ কর্মীরা। তারা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি গ্রুপের কর্মী। ভুক্তভোগী সোহেল বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র এবং ঝিনাইদহ জেলার কোট চাঁদপুর উপজেলার সাব্দালপুর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমানের ছেলে। 

সোহেল রানা জানান, সোমবার রাত সাড়ে ১০ টার দিকে সালাউদ্দিন আহমেদ সজলের নেতৃত্বে ব্যবস্থাপনা বিভাগের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের শিহাব, আইসিই বিভাগের ১০-১১ শিক্ষাবর্ষের মিঠু কবির, একই বিভাগের রুবেল হোসেন, লোক প্রশাসন বিভাগের ১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের মুস্তাফিজুর রহমান শিপনসহ ৭-৮ জন আমাকে ব্যাপক মারধর করে। রাতের মধ্যে হল থেকেও বের হয়ে যাওয়ার হুমকি দেয় তারা। আমি বিষয়টি প্রক্টর স্যার ও সাংবাদিকদের জানালে তারা হল থেকে আমাকে বের করে দেয় এবং আমার জিনিসপত্র ছুড়ে ফেলে দেয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মারধরকারী মিঠু কবির এবং রুবেল হোসেন সাংবাদিক লাঞ্চনার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার হয়। একই অপরাধে মিঠু কবিরকে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়। 

এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহিনুর রহমান শাহিন, ‘তাকে মারধর করা হয়নি। তার কাছে কোন ডকুমেন্ট থাকলে সে বলুক। তবে সে আমাকে নিয়ে খারাপ মন্তব্য করায় ক্ষুদ্ধ কর্মীরা তাকে হল থেকে চলে যেতে বলেছে।’ 

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, ‘আমার কাছে কোন অভিযোগ আসেনি। বিষয়টি শুনে আমি স্বপ্রণোদিত হয়ে খোঁজখবর নিচ্ছি এবং কি করণীয় সে বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।’


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top