Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, সোমবার, ২০ আগস্ট ২০১৮ , সময়- ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
অটলবিহারী বাজপেয়ীর অবস্থা সঙ্কটজনক আলোর গতিতে বাংলার আকাশ ছাড়িয়ে বহির্বিশ্বে বঙ্গবন্ধুর নাম গভীর শোক আর শ্রদ্ধায় জাতি স্মরণ করলো বঙ্গবন্ধুকে বাংলাদেশ সরকার গণগ্রেপ্তার চালাচ্ছে - এইচআরডব্লিউ : বিশ্লেষক প্রতিক্রিয়া বঙ্গবন্ধু হত্যায় জড়িত ছিল দেশি-বিদেশি আন্তর্জাতিক চক্র : সেলিম জাতীয় নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র চলছে : কামরুল নির্বাচনে বিশ্বাস করি, ভোটের লড়াই করে ক্ষমতায় যেতে চাই : মোহাম্মদ নাসিম কাবুলে আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনায় ৪৮ জন নিহত এখন পর্যন্ত ৪০ বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু  বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সারওয়ারকে শেষ বিদায় জানালেন বানারীপাড়াবাসী

রাষ্ট্রায়ত্ত চার ব্যাংক একীভূত করার উদ্যোগ


অনলাইন ডেস্ক

আপডেট সময়: ২৭ ডিসেম্বর ২০১৭ ১০:৩১ এএম:
রাষ্ট্রায়ত্ত চার ব্যাংক একীভূত করার উদ্যোগ

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক (বিকেবি), রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব), বেসিক ব্যাংক ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল) এই চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংককে একীভূত করার উদ্যোগ নিচ্ছে অর্থ বিভাগ। অব্যাহত লোকসানের প্রেক্ষিতেএই চার ব্যাংককে একীভূত করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।  একীভূত করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য একটি সারসংক্ষেপ প্রস্তুত করা হচ্ছে। প্রথমে এটি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কাছে পাঠানো হবে। তিনি সম্মতি দিলে পরে তা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পাঠানো হবে। এরপর তা বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠানো হবে। কেননা ব্যাংক একীভূত করার দায়িত্ব বাংলাদেশ ব্যাংকের।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গত পাঁচ বছরে এ চার ব্যাংকের পেছনে সরকার প্রায় সাড়ে ৪ হাজার  কোটি টাকা লোকসান দিয়েছে। এর মধ্যে শুধু বেসিক ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি মেটাতে পাঁচ বছরে সরকারি কোষাগার থেকে দেওয়া হয়েছে ৩ হাজার ৩৯০ কোটি টাকা। ২০১৬ সালে বিকেবি আর রাকাবের পেছনে সরকার লোকসান দিয়েছে ৪১৮ কোটি টাকা। বিডিবিএল বর্তমানে লোকসানে নেই।

অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, ব্যাংক একীভূত করার দায়িত্ব বাংলাদেশ ব্যাংকের। তাই বাংলাদেশ ব্যাংককে বলা হয়েছে আগামী এক বছরের মধ্যে যেন একীভূতকরণ আইনের একটি কাঠামো দাঁড় করানো হয়। এরপরই সরকারি ব্যাংকের একীভূতকরণের কাজ শুরু করা হতে পারে। ব্যাংকাররা বলছেন, সরকারি ব্যাংকের মালিক সরকার। বাংলাদেশ ব্যাংকের আইন ও নীতি অনুসারে একীভূত করায় আইনি  কোনো বাধা নেই। তবে একীভূত হলেও এসব ব্যাংকের সমস্যা সমাধান হবে না। ব্যাংকগুলোর সমস্যা নন পারফরমিং লোন এবং ঋণ দিলে ঋণ আদায় হয় না। এ জন্য সরকার রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাংকগুলো প্রাইভেট  সেক্টরে ছেড়ে দিতে পারে। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্ষমতা আরও বাড়ানো প্রয়োজন।

অর্থ বিভাগের একটি সূত্র জানায়, গত ২৬ আগস্ট ব্যাংকগুলোকে পুনর্গঠনের বিষয়ে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের করা বৈঠকে ১১৩টি সুপারিশ এসেছে। এসব সুপারিশের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে একীভূতকরণ। সুপারিশগুলো পর্যালোচনা করে এক দফা বৈঠকও করেছে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। শিগগির আবার পর্যালোচনা বৈঠক করে এসব সুপারিশ অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের জন্য সারসংক্ষেপ চূড়ান্ত করবে। ইতোমধ্যে এর খসড়া অর্থমন্ত্রীকে দেখানো হয়েছে। তিনি সেখানে কিছু পরিবর্তন ও পরিবর্ধন আনার পরামর্শ দিয়েছেন। এটি চূড়ান্ত হলে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন সুপারিশের মধ্যে একটিতে বলা হয়েছে, সোনালী ব্যাংকের ১ হাজার ২১৩টি শাখা পরিচালনায় সমস্যা হচ্ছে না। সেখানে বিডিবিএলের ৪২টি এবং বেসিক ব্যাংকের ৬৮টি শাখার জন্য আলাদা এমডি, ডিএমডির প্রয়োজনীয়তা কতটুকু তা ভেবে দেখা  দরকার। তাছাড়া সোনালী ব্যাংকের মতো একটি বড় ব্যাংক থাকা সত্ত্বেও এসব ব্যাংকের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এসব ব্যাংককে অন্য কোনো ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করলে একদিকে যেমন এদের কার্যক্রম বৃদ্ধি পাবে অন্যদিকে সরকারের খরচও কমবে। শুধু তাই নয়, সরকার যে প্রতি বছর এসব ব্যাংকের পেছনে লোকসান দিচ্ছে তাও বন্ধ হবে। তবে ব্যাংকগুলো কোন প্রক্রিয়ায় একীভূত হবে, এসব প্রতিষ্ঠানের জনবল ও মূলধন কীভাবে একীভূত করা হবে সে বিষয়ে নীতিমালা প্রয়োজন।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top