Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, রবিবার, ২১ জানুয়ারী ২০১৮ , সময়- ৪:৪৯ অপরাহ্ন
Total Visitor:
শিরোনাম
বিএনপির জনপ্রিয়তা অনেক বেড়েছে : মওদুদ ইজতেমা ময়দানের সংবাদ সম্মেলন স্থগিত এক বছর পূর্তিতে কঠিন পরিস্থিতিতে পড়েছে ডোনাণ্ড ট্রাম্প প্রশাসন  নির্বাচন স্থগিত হওয়া নিয়ে সরগরম রাজনৈতিক অঙ্গন কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শিবিরে গুলি চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা নিহিত ১ শিশুমনে নাশকতার বীজ ঢুকিয়ে দিতে পারছে জঙ্গিরা  হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে জিম্বাবুয়ের বিরোধী নেতা ও তার স্ত্রী নিহত কুড়িগ্রাম সহ দেশের উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় শনিবার সকালে মৃদু ভূমিকম্পন মার্কিন সামরিক নীতিতে বড় পরিবর্তন আসছে ইজতেমা ময়দানে সংবাদ সম্মেলনের ঘোষণা

ক্লোজ করা হল ডিআইজি মিজানকে


অনলাইন ডেষ্ক

আপডেট সময়: ৯ জানুয়ারী ২০১৮ ৪:০৯ পিএম:
ক্লোজ করা হল ডিআইজি মিজানকে

ঘরে স্ত্রী রেখে জোর করে আরেক নারীকে বিয়ের অভিযোগ ওঠার পর আলোচনায় থাকা ঢাকার অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মিজানুর রহমানকে ক্লোজ করা হয়েছে। 

আজ মঙ্গলবার পুলিশ সদর দপ্তর থেকে জারি করা আদেশে ডিআইজি মিজানকে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার পদ থেকে প্রত্যাহার করা হয়। এদিকে অনেক খোঁজ করেও তার সন্ধান মিলছে না, পুলিশ সপ্তাহের অনুষ্ঠানেও হাজির হননি তিনি।

ডিআইজি মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে নানারকম অপরাধ অপকর্মে জড়িয়ে থাকার অভিযোগ নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু চলছে। টিভি উপস্থাপিকা এক তরুণীকে অপহরণ করে নিজের সরকারি ফ্ল্যাটে আটকে জোরপূর্বক বিয়ে খবর প্রকাশ হওয়ার পর তা আরও বেগবান হয়। জানা যায়, ওই উপস্থাপিকার ওপর ধারাবাহিক নির্যাতন চালিয়ে জেল খাটিয়ে মামলায়ও ঝুলিয়েছেন। ঘরে একাধিক স্ত্রী বহাল থাকা সত্ত্বেও একের পর এক পরকীয়ায় জড়িয়ে ডিআইজি মিজান অনেক সম্ভ্রান্ত নারীর সর্বনাশ ঘটিয়েছেন মর্মে নানা অভিযোগ উঠেছে।

ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী তরুণীর নাম মরিয়ম আক্তার ইকো। জানা যায়, তিনি একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের উপস্থাপিকা। ব্যাংকের উচ্চ পদে চাকরির চেষ্টাকালে জনৈক মহিলার মাধ্যমে ডিআইজি মিজানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে প্রথম পরিচয় মরিয়ম আক্তার ইকোর। তবে কিছুদিন পর অশোভন ইঙ্গিতপূর্ণ কথা এবং রহস্যময় আচরণে সন্দেহ হলে পুলিশ কর্মকর্তাকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেন তিনি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতারণার আশ্রয় নেন মিজান।

ভুক্তভোগী মরিয়ম আক্তার ইকো অভিযোগ করে বলেন, গত ১৪ জুলাই ক্ষমা চাওয়ার নাম করে কৌশলে পান্থপথের বাসা থেকে বের করে আনা হয় তাকে। নিজের গাড়িতে ৩০০ ফুট সড়কের পাশে পূর্বাচলে নিয়ে মারধর এবং নির্যাতন করা হয়। পরে ওড়না দিয়ে চোখ-মুখ বেঁধে গাড়িচালক গিয়াস এবং দেহরক্ষী জাহাঙ্গীরের সহায়তায় বেইলি রোডের সরকারি কোয়ার্টারে নিয়ে আসা হয় মরিয়মকে। সেখানে তিনজন মিলে দফায় দফায় নির্যাতন চালিয়ে তাকে অজ্ঞান করে ফেলা হয়। জানা যায়, নির্যাতনের সময় আত্মহত্যার চেষ্টাও করেছিলেন মরিয়ম। নিজের কাপড়ে গ্যাস চুল্লির আগুনও ধরিয়ে দিয়েছিলেন।

এ অবস্থায় মরিয়মের মাকে ডেকে এনে অস্ত্রের মুখে ৫০ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে করতে বাধ্য করা হয়। উকিল বাবা হিসেবে ছিলেন গাড়িচালক গিয়াস এবং সাক্ষী করা হয় দেহরক্ষী জাহাঙ্গীরকে। পরে সেখান থেকে লালমাটিয়ায় ভাড়া বাসায় রেখে গোপনে ৪ মাস সংসার করেন মিজান।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top