Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, রবিবার, ২১ অক্টোবর ২০১৮ , সময়- ৪:৪০ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
প্রয়োজনে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন হতে পারে - এমন ইংগিত দিলেন তথ্যমন্ত্রী  হার মানলেন মুশফিক  লক্ষ লক্ষ তরুণ-তরুণীদের কাঁদিয়ে ‘এবি’ উড়াল দিলেন আকাশে । প্রজন্মকণ্ঠ  কক্সবাজারের টেকনাফে দেশের সবচেয়ে বড় সৌরপ্রকল্প চালু । প্রজন্মকণ্ঠ  জাতীয় নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাবে না ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কিন্তু কেন ?  কক্সবাজারে আত্মসমর্পণ করলেন ৬ দস্যু বাহিনীর ৪৩ সদস্য । প্রজন্মকণ্ঠ শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী মায়ের কবরের পাশে চির নিদ্রায় আইয়ুব বাচ্চু  প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সমালোচনা করার কারণেই খাশগজিকে হত্যা করা হয়  জাতীয় পার্টির মহাসমাবেশে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ১৮ দফা কর্মসূচি ঘোষণা  দেশের শান্তি ও অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি রোধে সবার প্রতি আহ্বান : রাষ্ট্রপতি

ট্রাম্পকে ক্ষমা চাইতে হবে: আফ্রিকান ইউনিয়ন


অনলাইন ডেষ্ক

আপডেট সময়: ১৩ জানুয়ারী ২০১৮ ১২:৫৫ পিএম:
ট্রাম্পকে ক্ষমা চাইতে হবে: আফ্রিকান ইউনিয়ন

আপত্তিকর মন্তব্য করে আবারও তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর এবার আফ্রিকার অভিবাসীদের নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অবশ্যই ক্ষমা চাইতে হবে বলে জানিয়েছে আফ্রিকান ইউনিয়ন। 

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসের ওভাল দপ্তরে অভিবাসন নিয়ে এক বৈঠকের সময় আফ্রিকার দেশগুলোকে  ‘অত্যন্ত নোংরা ও বসবাসের অযোগ্য’ বলার পর ট্রাম্পের ব্যাপারে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আফ্রিকান ইউনিয়ন।

এ ব্যাপারে ওয়াশিংটন ডিসি’তে আফ্রিকান ইউনিয়নের দপ্তর ট্রাম্পের বক্তব্যে ‘হতাশা ও ক্ষোভ’ প্রকাশ করে বলেছে, ট্রাম্প প্রশাসন আফ্রিকার জনগণকে বুঝতে ভুল করেছে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বৃহস্পতিবার অভিবাসী বিষয়ক সিনেটরদের এক বৈঠকে আফ্রিকার দেশগুলো সম্পর্কে বলেছেন, ‘কেন আমরা নোংরা দেশগুলো থেকে এসব লোককে এখানে নিয়ে আসছি?’

ট্রাম্পের এ ধরনের হঠকারী মন্তব্যে আফ্রিকান ইউনিয়ন মর্মাহত, অপমানিত ও উদ্বিগ্ন হওয়ার কথাও জানিয়েছে। তাদের দাবি, আফ্রিকা মহাদেশ ও সেখানকার অধিবাসীদের ব্যাপারে মার্কিন প্রশাসনের ভুল ধারণা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আফ্রিকার দেশগুলোর জরুরিভিত্তিতে সংলাপ হওয়া দরকার বলেও জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবারের ওই বৈঠকে ট্রাম্পের দাবির সাফাই গেয়েছেন দু'জন রিপাবলিকান সিনেটরও। পরে শুক্রবার টুইটারে এক বার্তা পোস্ট করে ট্রাম্প জানান, আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে ওই গোপনীয় বৈঠক তিনি করেছেন অভিবাসন আইন ‘কঠোর’ করার ব্যাপারে।

তবে শুক্রবার এ বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর নিজেকে বাঁচাতে ট্রাম্প দাবি করেছেন, তিনি ওই পরিভাষা ব্যবহার করেননি।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top