Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, শনিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০১৯ , সময়- ৩:২২ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মুখরিত সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অর্থপূর্ণ রাজনৈতিক সংলাপের আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ সাবেক অর্থমন্ত্রীর হুইল চেয়ার ধরার লোক নেই বিমানবন্দরে !  বিজেপি সরকারের ‘বিদায় ঘণ্টা’ বাজানোর প্রস্তুতি জনগণের দৃষ্টি ভিন্নখাতে প্রভাহিত করতেই বিজয় উৎসব করছে আ'লীগ কলকাতার ব্রিগেডের দিনেই সম্প্রচারিত হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর মৃত্যু আশঙ্কা আসছেন জাতিসংঘের বিশেষ দূত যেসব সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকবে আজ  স্বপ্নের কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পের কাজ দৃশ্যমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিজয় সমাবেশ আজ 

জাল দলিল কত প্রকার ও কী কী? জানুন 


অনলাইন ডেস্ক

আপডেট সময়: ২২ জানুয়ারী ২০১৮ ৫:১০ পিএম:
জাল দলিল কত প্রকার ও কী কী? জানুন 

দেশে হরহামেশাই জাল দলিল দেখা যায়। এর মাধ্যমে অন্যের সম্পত্তি হাতিয়ে নেয়ার নজির নেহায়েত কম নয়। জাল দলিলের মাধ্যমে অনেক ব্যক্তি সর্বস্ব হারিয়ে নি:স্ব হয়েছেন। কর্পোরেট সংবাদের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো জাল দলিল কত প্রকার ও কী কী এবং তা বাতিল করার পদ্ধতি। প্রথমেই জেনে নেই জাল দলিল কত প্রকার ও কী কী?

দণ্ডবিধির ৪৬৪ ধারা অনুসারে নিম্নোক্ত তিন শ্রেণীভুক্ত দলিলকে জাল দলিল বলে।

প্রথমত: যে অসাধুভাবে কিংবা প্রবঞ্চনামূলকভাবে কোন দলিল বা দলিলের অংশ প্রস্তুত করে, স্বাক্ষর করে, মোহরকৃত করে বা সম্পাদন অথবা যে ব্যক্তি বা যার প্রাধিকারে প্রস্তুত স্বাক্ষরিত, মোহরকৃত বা সম্পাদিত হয়নি বলে জেনে তা প্রস্তুত স্বাক্ষরিত মোহরকৃত বা সম্পাদিত হয়েছে বলে বিশ্বাস করানো উদ্দেশ্যে কোন দলিলের সম্পাদন সূচক কোন চিহৃ দেয়।

দ্বিতীয়ত: যে আইন সংগত প্রাধিকার ব্যতীত অসাধুভাবে কোন দলিল, তা সে স্বয়ং বা অপর কোন ব্যক্তি কর্তৃক প্রস্তুত এবং সম্পাদিত হবার পর বাতিলক্রমে বা অন্যভাবে এর কোন গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন করে।

তৃতীয়ত: যে অসাধুভাবে কিংবা প্রবঞ্চনা মূলকভাবে কোন ব্যক্তিকে উক্ত ব্যক্তির মনের অসুস্থতার বা নেশাগ্রস্ততার দরুন বা তার উপরে ফাকী বাজী করার দরুন দলিলের বিষয় বস্তু বা পরিবর্তনের প্রকৃতি জানতে পারে না বা জানত না একথা জেনে কোন দলিলসহ মোহরকৃত সম্পাদিত বা পরিবর্তন করে, সে ব্যক্তি একটি মিথ্যা দলিল প্রস্তুত করেছে বলে অভিহিত হবে।

যে মিথ্যা দলিল সম্পূর্ণভাবে বা আংশিকভাবে জালিয়াতিক্রমে প্রস্তুত হয়েছে তা জাল দলিল বলে অভিহিত হবে। যদি কোন ব্যক্তি প্রতারণা মূলকভাবে বা অসাধুভাবে কোন জাল দলিলকে জেনে শুনে দলিলরুপে ব্যবহারের চেষ্টা করে তবে সে ব্যক্তি যেন নিজেই দলিলটি জাল করেছে এমন ভাবে দণ্ডিত হবে ৪৭১ ধারায়।

জাল দলিল বাতিল করার পদ্ধতি:

অপরের সম্পত্তি প্রতারণা করে নিজ নামে বাগিয়ে নেয়ার জন্য নানা কৌশলে সৃজন করা হয় জাল দলিল। কখনো নিরক্ষর মালিককে প্রলোভন দেখিয়ে কখনো বা মালিকের অজান্তে অন্য লোককে মালিক সাজিয়ে গোপন জাল দলিল তৈরি করা হয়। তবে জাল দলিল যেভাবেই সৃজন করা হোক না কেন জাল দলিল মূল মালিক বা তার ওয়ারিশদের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই জাল দলিল সম্পর্কে জানার সাথে সাথেই জাল দলিল বাতিলের জন্য দেওয়ানি আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে। তামাদি আইনের ১ম তফসিলের ৯১ অনুচ্ছেদ অনুসারে এই মামলা জাল দলিল সৃজন সম্পর্কে জানার ৩ বছরের মধ্যে করা যাবে।

জাল দলিল সৃজনকারীদের বিরুদ্ধে দন্ডবিধির ৪০৬/৪২০/৪৬৩-৪৭৩ ধারায় শাস্তির জন্য ফৌজদারি মামলা করা যাবে। জাল দলিল বাতিলের জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ এর ধারার বিধান অনুসারে দেওয়ানি মামলা করা যাবে। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারা অনুসারে দলিল আংশিক বাতিলের মামলাও করা যাবে। দলিল বাতিলের সাথে সম্পত্তির দখল পাবার মামলাও করা যায়। আদালত দলিল বাতিলের আদেশ/রায় প্রদান করলে ডিক্রির একটি কপি সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে প্রেরণ করবেন। উক্ত কপির আলোকে রেজিস্ট্রি অফিস দলিল বাতিলের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট বালাম বহিতে লিপিবদ্ধ করে রাখবেন। দলিল বাতিলের মামলায় কোর্ট ফি আইনের ২য় তফসিলের ১৭ (৩) অনুচ্ছেদে বর্ণিত কোর্ট ফি প্রদান করতে হবে। দলিলে যার স্বর্থ আছে তিনিই কেবল দলিল বাতিলের মামলা করতে পারবেন।

জনস্বার্থে: প্রজন্মকণ্ঠ 


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top