Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৮ , সময়- ৫:০৯ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
রাখাইনে এখনো রোহিঙ্গাদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি হয়নি : রিচার্ড অলব্রাইট নির্বাচনী আচরণবিধি মানছেন না সম্ভাব্য প্রার্থীরা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারই 'নির্বাচনকালীন সরকার'   মঙ্গলবার পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা নিবে আওয়ামী লীগ  আন্তর্জাতিক পুরস্কারে মনোনীত শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী প্রথম দিনে ১৩২৬টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি করেছে বিএনপি  পাঁচ বিভাগের ৭টি আসনে একক প্রার্থী পাচ্ছে আওয়ামী লীগ সিইসিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বদরুদ্দোজা চৌধুরী ২৩ নয়, এখন ৩০  ৩০০ সংসদীয় আসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের নির্দেশনা দিয়েছেন ইসি 

লালপুরে বেড়েছে বিনা চাষে রসুনের আবাদ


অনলাইন ডেষ্ক

আপডেট সময়: ১ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ৩:৩৬ পিএম:
লালপুরে বেড়েছে বিনা চাষে রসুনের আবাদ

নাটোরের লালপুর উপজেলায় দিন দিন বেড়ে চলেছে রবি মৌসুমের বিনা চাষে রসুনের আবাদ। কমে গেছে রবি মৌসুমের অন্যান্যে ফসলের চাষ। নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম এলাকার জনপ্রিয় বিনা চাষে রসুনের আবাদ এই এলাকার কৃষকের মাঝে ব্যাপক সারা ফেলায় কৃষকরা আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে রবি মৌসুমের খাদ্য শস্যে চাষের।

লালপুর উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য সূত্রে জানা গেছে, গত বছর উপজেলায় ৮০০ হেক্টর জমিতে বিনা চাষে রসুনের চাষ হয়েছিলো। চলতি রবি মৌসুমে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২৯৫ হেক্টর জমিতে যা গত বছরের তুলনায় বেড়েছে প্রায় তিন গুন। গত বছরে উপজেলায় রবি মৌসুমের খাদ্য শস্য (গম: ৬০২৫ মসুর: ৯০০০ খেসারী: ৫৩৫ সরিষা: ২৮৮ মটর:১৭০) মোট ১৬০১৮ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছিলো। চলতি মৌসুমে (গম: ৪৮০০ মসুর: ৫৫৫০ খেসারী: ১৫৮০ সরিষা: ২২২ মটর: ৩৭৫) মোট ১২৫২৭ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে যা গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। আর রসুনের চাষ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ২২৯৫ হেক্টর জমিতে প্রায় তিন গুন।

উপজেলা কৃষি অফিসার হাবিবুল ইসলাম খাঁন বলেন, উপজেলায় প্রতি বছরি রসুনের চাষ বাড়লেও এবছর উল্লেখযোগ্য হারে বিনা চাষে রসুনের চাষ বেড়েছে। সেতুলনায় রবি মৌসুমের অন্যান্যে ফসলের চাষ কিছুটা কমেছে। তবে বছরের প্রথম থেকে অতিবৃষ্টির কারনে এখনো অনেক জমিতে পানি জমে রয়েছে যার কারনে ঐসকল জমিতে অন্যন্যে ফসলের চাষ করা যায়নি। তবে কিছু পতিত জমি যে সকল জমিতে কোন দিন ফসলের চাষ হতে দেখা যাইনি সেখানেও এ বছর বোর ধানের চাষ হতে দেখা যাচ্ছে।

বিনা চাষে রসুন চাষের সুবিধা সম্পর্কে স্থানীয় চাষী রবিউল, আবুল কাসেম, তয়জাল, লিয়াকত আলী জানায়, বর্ষা মৌসুমের রোপা আমন ধান কেটে জমি চাষ না দিয়ে (বিনা চাষে) শুধু জমি পরিস্কার করেই রসুনের (কোয়া)বীজ বপন করা হয়। এবং রসুনের উপরে সামান্য পরিমানে রাসায়নিক সার ছিটিয়ে হালকা খরকুটু দিয়ে ডেকে দিলেই রসুনের গাছ হয়ে যায়। আর প্রয়োজন মতো দুই একবার পানি সেচ ও রসুনের জমির একবার আগাছা দমন করলেই সম্পূর্ণ রুপে রসুন হয়ে যায়। এতে এক বিঘা জমিতে রসুন উৎপাদন হয় ৩০-৩৫ মন। আর বিঘা পতি খরচ হয় ১৫-১৭ হাজার টাকা। যা অন্য আবাদের চেয়ে কম খরচে সল্প সময়ে অধিক মুনাফা লাভ করা য়ায় বলে এই অঞ্চলের কৃষকগন অন্য ফসল চাষ ছেড়ে রসুন চাষের উপরে ঝুকছে। ওয়ালিয়া গ্রামে রসুন চাষী হাবিবুর রহমান, সোহেল রানা, মোস্তফা বলেন, এবছরের শুরুতেই আবাহাওয়া প্রতিকুল থাকলেও বর্তমানে তা কেটে গেছে।এখন পর্যন্ত রসুনের তেমন কোন রোগ দেখা যায়নি তবে আবহাওয়া ভালো থাকলে রসুনের আশানুরূপ ফলন হবে। উৎপাদিত রসুনের সঠিক দাম পেলে আগামীতে এই অঞ্চলে রসুন চাষের পরিমান আরো বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করছেন এই অঞ্চলের চাষীরা। উৎপাদিত রসুন এই অঞ্চলের চাহিদা মিটিয়ে বাহিরেও রপ্তানি করা যাবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top