Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, রবিবার, ২৭ মে ২০১৮ , সময়- ১১:২৬ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
টেকনাফে যুবলীগের সাবেক সভাপতি একরাম কমিশনার ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলা ভাগ হলেও রবীন্দ্র-নজরুল অবিভক্ত : শেখ হাসিনা একান্ত বৈঠকে : তিস্তা নয়, মমতা উদ্যোগ বঙ্গবন্ধু'র নামে একটি মিউজিয়াম তৈরি ফাইনালে মুখোমুখি হবে হায়দরাবাদ ও চেন্নাই, আগামীকাল রোববার আগামী ৩ মাসের মধ্যে অনলাইন পত্রিকার রেজিষ্ট্রেশন : তথ্য প্রতিমন্ত্রী কানাডার বিশেষ ঘোষণা আসছে আগামী সপ্তাহেই  মুক্তিযুদ্ধে ভারতবাসীর সহযোগির কথা স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশজুড়ে গ্রেফতার বাণিজ্যের পাশাপাশি হত্যা-বাণিজ্য চলছে : রিজভী এই সম্মানসূচক ডিগ্রি বাংলাদেশের জনগণের প্রতি উৎসর্গ করছি : প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় নির্বাচন ও অংশগ্রহনমুলক প্রতিনিধিত্ব


ওয়াহিদুজ্জামান

আপডেট সময়: ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ২:৪৯ পিএম:
জাতীয় নির্বাচন ও অংশগ্রহনমুলক প্রতিনিধিত্ব

ধবংসাত্মক রাজনৈতিক কর্মসূচির ভোগান্তি জনগনের কাধে পড়ে। সরকারের বাজেটে এই ক্ষয়ক্ষতি পোষাতে করের কলোবর বাড়াতে হয়। সরকারকে অযৌক্তিক দোষারোপ করা অবান্তর।

বিগত সময়ে বিএনপির জালাও পোড়াও কর্মসূচির আলোকে দেশের কোটিকোটি টাকার জাতীয় সম্পদ নষ্ট হয়েছে। রাজনীতি তো মানুষের সেবায় ব্রত হয়ে এগোনো। তাই জনমনে চলমান সময়কার দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলের একটি বিএনপির কর্মসূচীর দিকে তাকিয়ে আছেন। তবে কিছু টা হলেও আশার কথা দলটির মহাসচিব আশার বানী শুনিয়েছেন। তাহলো, তাদের দলীয় প্রধানের নির্দেশনা অনুযায়ী, তারা অহিংস ও শান্তিপূণ্য কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন। এই প্রতিশ্রুতি পূর্ণ অকাট্য দলিল সাদৃশ্য বক্তব্যের ব্যত্যয় জনগন ইতিবাচক ভাবে যে দেখবে না, এটা প্রতীয়মান।

কারন, বর্তমান সরকারের সরকার পরিচালনার ২০১৮ অবদি উন্নয়নের ধারায় এগুনো, তাদের রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কারনে সম্ভব হয়েছে। আর বিএনপির বিগত সময়ে জলাও পোড়াও কর্মসূচীতে বুমেরাং করেছে তাদের জনসম্পৃক্ততা। এই নিরেট জন অভিমতের সহমত সকলের না থাকলেও অনেকেই ভিন্নমত পোষন করেন না।

এবার বিএনপির দলীয় প্রধান খালেদা জিয়ার সাজা ও কারাবাস কালীন সময়টা রাজনৈতিক অঙ্গন কতটা সহনশীল থাকবে, না কি একটা অপ্রত্যাশিত অবস্থার সুচনা হবে, সেটা নিয়ে দুকথা বলা যেতে পারে।
বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও সাংবিধানিক নিয়ম অনুসারে ২০১৮ সালের শেষে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সাংবিধানিক ধারা ও প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধনকৃত রাজনৈতিক দলগুলো জতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহন করবেন। সুতারাং বিএনপির নির্বাচনে অংশগ্রহন টা প্রত্যাশিত। যদিও তারা নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে আশাবাদী। এর ব্যত্যয় হলে, তারা জাতীয় নিরবাচনে অংশগ্রহন করবেন কি না, স্পষ্ট নয়। সেই দৃষ্টিকোন হতে তাদের চলমান কর্মসূচী মুলত খালেদা জিয়ার সাজা ও কারাবাস কে কেন্দ্র করে অনেকটা এগুনোটাই দৃশ্যমান। বিগত জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি রাজনীতির রেল হতে নেমে নির্বাচনকে বয়কট করেছিল। তার বাস্তবতা অবশ্যই সুখকর নয়। মহান জাতীয় সংসদের প্রতিনিধিত্ব হতে তারা যেমন দুরে, তেমন জনগনের মৌলিক বহু বিষয় হতে তাদের দুরুত্তের অপ্রিয় সত্যকে উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।

কারন একজন নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য, তিনি সরকার বা বিরোধী দলের হোক না কেন, তার নিজস্ব একটা জন গ্রহনযোগ্যতা ও জনপ্রতিনিধিত্ব রয়েছে। সে দৃষ্টিকোন হতে বিএনপি জাতীয় কর্মকান্ড হতে দুরে। যেটাকে জনবিচ্ছন্নতার একটা অংশের ভোগান্তি তাদের পোহাতে হচ্ছে। সুতারাং এই ধারাবাহিকতা কোন মেইন স্ট্রিমের রাজনৈতিক দলের কাছে জনগন কখনো আশা করেন না। সুতারাং রাষ্ট্র যন্ত্রের জাতীয় ইস্যুগুলোতে জবাবদিহিতা লোপ পায়। অতএব, জনবান্ধব রাজনীতির তাগিদে বিএনপিকে নির্বাচনমুখী মনোভাবাপন্নতায় আসীন হওয়ার উপলব্ধবোধ জনগন আশাকরেন।

বত'মান সরকারের প্রভুত উন্নয়ন কম'কান্ড দৃশ্যমান। তাদের এক জাতীয় অর্জন, পদ্মা সেতু। সার্বিক প্রেক্ষাপটে আওয়ামীলীগ সরকারের দেশকে এগিয়ে নেওয়ার জনবান্ধব মানসিকতাকে জনগন পুনরায় মূল্যায়ন করাটা অমূলক নয়। সুতারাং রাজনৈতিক সংকট মোকাবেলায় আওয়ামীলীগ দেশের সার্থে যৌক্তিক ভুমিকা পালন করবেন, এটাই জনসাধারন আশা করেন।

বাংলাদেশের স্থাপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু কন্যার অবিচল নেতৃত্ব ও নেতৃত্বগুণ এদেশের মানুষের বোধগম্য।সুতারাং আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে গনতন্ত্র ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আপামর জনসাধারন ভুল করবেন না। যা সহজে অনুমেয়।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top