Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮ , সময়- ২:১৫ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
নাজমুল হুদাকে ৪৫ দিনের মধ্যে আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ  নির্বাচনকালীন সম্ভাব্য নাশকতা মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার  একজন শিশুকে পিইসি পরীক্ষার জন্য যেভাবে পরিশ্রম করতে হয়, সত্যিই অমানবিক : সমাজকল্যাণমন্ত্রী নির্বাচনকে সামনে রেখে আদর্শগত নয়, কৌশলগত জোট করছে আওয়ামী লীগ : সাধারণ সম্পাদক থার্টিফার্স্ট উদযাপন নিষিদ্ধ : স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের স্বার্থে পেশাদারিত্ব বজায় রাখবে সেনাবাহিনী  মহাজোটের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে যাওয়ার শিগগিরই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসছে  প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা শুরু আজ  ভোট পর্যবেক্ষণের জন্য আবেদন শেষ তারিখ ২১ নভেম্বর  আ'লীগ যত রকম ১০ নম্বরি করার করুক, ভোট দেবো, ভোটে থাকব : ড. কামাল হোসেন

মাটিরাঙ্গায় বেলছড়ি রেবতী কার্বারীপাড়া শিব মন্দিরের বেহাল দশা


নিজস্ব প্রতিনিধি

আপডেট সময়: ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ১০:০২ এএম:
মাটিরাঙ্গায় বেলছড়ি রেবতী কার্বারীপাড়া শিব মন্দিরের বেহাল দশা

খাগড়াছড়ি মাটিরাঙ্গা উপজেলার আওতাধীন বেলছড়ি ইউনিয়েনের ৬নং ওয়ার্ড রেবতী কার্বারীপাড়া শিব মন্দিরের জরাজীর্ণ দশা যেনো দেখার কেউ নেই। পাহাড়ী এই জনপদে এলাকার মানুষের আর্থিক অস্বচ্ছলতা আর দায়িত্বশীল অভিভাবকের শুণ্যতায় ১৯৮৭ সালে মন্দির প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজ পর্যন্ত তেমন কোন উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি।

সরেজমিনে জানা যায়, রেবতি কার্বারীর অর্ধাঙ্গিনী গনিমালা ত্রিপুরা তার স্বামী বেরতীর সহযোগিতায় একবারেই ব্যক্তিগত উদ্যেগে ১৯৮৭ সালে প্রথম দিকে প্রতিষ্ঠা করেন এই শিব মন্দিরটি। তখন পারিবারিক ভাবে ধর্মীও অচার অনুষ্ঠান পালনের জন্য মন্দিরটি নির্মান করা হলেও সময়ের সাথে সাথে মন্দিরটি এখন একটি সামাজিক ধর্মীও প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে রেবতী কার্বারীর দানকৃত জায়গায় প্রায় ৩০ বছরের পুরাতন টিনের ছাউনি সম্বলিত মাটির তৈরি ছোট্ট একটি ঘরের মধ্যে অনেক কষ্টে চলছে শিব মন্দিরের ধর্মীও আচার অনুষ্ঠান। নেই পুন্যার্থিদের জন্যে নিরাপদ কোন বিশ্রামাগার, নেই মন্দিরে প্রবেশ করে ৫ জন পুন্যার্থীর দাড়িয়ে থাকার জায়গা। কোন রকমে দাড়িয়ে থাকা জরাজীর্ণ একটা কুঁড়ে ঘরে শিব মুর্তিটিকে রাখা হয়েছে। অনেক কষ্টে রোদে জ্বলে বৃষ্টিতে ভিজে ধর্মীও অনুষ্ঠানাদি পালন করেন এলাকাবাসী।

মন্দিরের উদ্যোক্তা গনিমালা ত্রিপুরা ও রেবতী কার্বারী জানান, আমাদের এক সময়ের পারিবারিক মন্দির এখন সামাজিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হওয়ায় আমরা খুশি। নিজের গ্রামের মানুষ ছাড়া আশেপাশের প্রায় ৬ শতাধিক মানুষ পুজা করতে আসে এখানে। অর্থাভাবে মন্দিরটির নানা রকম চাহিদা পুরণ ও সমাজের সকল মানুষ একসাথে অবস্থান করার মতো অবকাঠামো তৈরি করতে না পেরে তারা আপেসোস করেন এবং সচেতন মহলের সহযোগিতা কামনা করেন।

স্থানীয় এলাকাবাসী অরুন বিকাশ রোয়াজা ও বিজয় মোহন ত্রিপুরা জানান, মন্দিরটির জন্য একটি স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ করা খুবই প্রয়োজন। দরিদ্র এই জনপদের ধর্মীও প্রতিষ্ঠানটি রক্ষায় তারা সরকারী সহযোগীতা কামনা করেন।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top