Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, মঙ্গলবার, ২২ জানুয়ারী ২০১৯ , সময়- ৮:৫০ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
১০টি অঞ্চলে পাঁচ ধাপে অনুষ্ঠিত হবে নির্বাচন আওয়ামী লীগ দেশ চালাতে পারবে না : রব ৫ কোম্পানির পানি মানহীন : বিএসটিআই পরিকাঠামো উন্নয়নে বিপুল অর্থ ঋণ দিচ্ছে চিন বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছেন এরশাদ  মুন্সিগঞ্জের ট্রলারডুবি যে সত্যগুলো উন্মোচন করল রোহিঙ্গাদের কথা শুনলেন রাষ্ট্রসংঘের প্রতিনিধিরা সম্ভাবনাময় অন্যান্য রফতানি পণ্যে প্রণোদনা : বাণিজ্যমন্ত্রী আওয়ামী লীগের বিজয় উৎসব জনগণের সঙ্গে মশকরা কোনো অন্যায় সহ্য করা হবে না : মন্ত্রিসভায় শেখ হাসিনা

রাষ্ট্রয়াত্ত ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতি সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকা


প্রজন্মকণ্ঠ বিশেষ প্রতিবেদক

আপডেট সময়: ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ১১:৫১ পিএম:
রাষ্ট্রয়াত্ত ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতি সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকা

চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত ও তিনটি বেসরকারি খাতের ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি প্রায় সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকা বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

আজ (সোমবার) জাতীয় সংসদে নির্দলীয় সংসদ সদস্য মো. আবদুল মতিনের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি ব্যাংক হচ্ছে- সোনালী, রূপালী, জনতা ও বেসিক ব্যাংক। আর বেসরকারি খাতের তিনটি ব্যাংক হচ্ছে কমার্স, ফারমার্স ও আইসিবি ইসলামি ব্যাংক।

অর্থমন্ত্রী বলেন, গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রাষ্ট্রয়াত্ত ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতি রয়েছে সাত হাজার ৬২৬ কোটি ২৩ লাখ টাকা। আর বেসরকারি তিনটি ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি হচ্ছে এক হাজার ৭৯১ কোটি ২০ লাখ টাকা।

রাষ্ট্রয়াত্ত ব্যাংকের মাঝে রূপালী ব্যাংকের ঘাটতি ৬৮৯ কোটি ৯০ লাখ টাকা, জনতা ব্যাংকের ঘাটতি এক হাজার ২৭২ কোটি ৯৩ লাখ টাকা, বেসিক ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি দুই হাজার ৫২২ কোটি ৯৯ লাখ টাকা।

বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের ঘাটতি ২৩১ কোটি ৩১ লাখ টাকা, ফারমার্স ব্যাংকের ঘাটতি ৭৪কোটি ৭৬ লাখ টাকা আর আইসিবি ইসলামিক ব্যাংকের ঘাটতি এক হাজার ৪৮৫ কোটি ১৩ লাখ টাকা।

অর্থমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোকে ২০০৫–২০০৬ অর্থবছর থেকে ২০১৬-২০১৭ অর্থবছর পর্যন্ত সরকার ১০ হাজার ২৭২ কোটি টাকার পুনঃমূলধনীকরণ সুবিধা দিয়েছে। যা ইতিমধ্যে ব্যাংকগুলোতে মূলধন হিসাবায়নে যুক্ত হয়েছে।

তিনি জানান, ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে সরকারি মালিকানাধীন ব্যাংকে প্রভিশন ঘাটতি ছিল সাত হাজার ৫৬৭ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। এ সময়ে বেসরকারি ব্যাংকে উদ্বৃত্ত প্রভিশন রয়েছে এক হাজার ৭৬ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। সামগ্রিকভাবে মোট ঘাটতি প্রভিশনের পরিমাণ ছিল ছয় হাজার ৩৪৪ কোটি ৩৩ লাখ টাকা।

‘ব্যাংকিং খাতের অস্থিরতা নিরসনে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে’

সরকারি দলের সদস্য মোহাম্মদ সুবিদ আলী ভূঁইয়ার এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের ব্যাংকিং খাতের অনিয়ম ও অস্থিরতা নিরসনে বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ২০১৩ সালে ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ সংশোধিত করে সময়োপযোগী করা হয়েছে। ব্যাংকের নীতিনির্ধারণী কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব, কর্তব্য এবং কর্মপরিধি সম্পর্কে দিক-নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

মুহিত বলেন, ব্যাংকের নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ, অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা ও তা পরিপালনের জন্য ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদকে দায়বদ্ধ করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, পরিচালনা পর্ষদের দায়িত্ব যথাযথ পরিপালন করার লক্ষ্যে পর্ষদ সদস্যদের সমন্বয়ে বিভিন্ন কমিটি গঠন এবং কার্যকর অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিরীক্ষা কার্যক্রমকে ব্যবস্থাপনা হতে স্বাধীনভাবে পরিচালিত করার জন্য পরিচালনা পর্ষদকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top