Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, বুধবার, ২৫ এপ্রিল ২০১৮ , সময়- ৬:৩৪ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
কবি বেলাল চৌধুরীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক সাংবাদিকের ওপর নির্যাতনের ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে : ডিএমপি কমিশনার    রানা প্লাজার ধস : ২৪ এপ্রিল শ্রমিক নিরাপত্তা দিবস ঘোষণার দাবি । প্রজন্মকণ্ঠ দেশের অর্থনীতি শিগগিরই ভারত, মেক্সিকো ও তুরস্কের মতো হবে : সজীব ওয়াজেদ  আজ সানরাইর্জাস হায়দরাবাদের মুখোমুখি মুম্বাই ইন্ডিয়ানস । প্রজন্মকণ্ঠ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ফেসবুক পেজ হ্যাকড, তারেকের পাসপোর্টকে নিয়ে দেয়া পোস্ট উধাও  এবার গ্লোবাল উইমেন’স লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী গাজীপুর সিটি :  মেয়র প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ  শেখ হাসিনার ‘সাহসী ও নির্ভীক নেতৃত্বের’ প্রশংসা করেছেন নরেন্দ্র মোদি শেখ হাসিনা কবি বেলাল চৌধুরী আর নেই । প্রজন্মকণ্ঠ

রাজধানীর সর্বত্রই মশার উপদ্রব বেড়েই চলছে | প্রজন্মকন্ঠ


নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রজন্মকণ্ঠ

আপডেট সময়: ৩ মার্চ ২০১৮ ১২:১৪ পিএম:
রাজধানীর সর্বত্রই মশার উপদ্রব বেড়েই চলছে | প্রজন্মকন্ঠ

রাজধানীর সর্বত্রই মশার উপদ্রব বেড়েছে। এতে নগরবাসী আতঙ্কিত হয়ে উঠেছেন চিকুনগুনিয়া এবং ডেঙ্গুর ভাইরাসজনিত জ্বর নিয়ে। বাসাবাড়ি, স্কুল-কলেজ, অফিস-আদালত সর্বত্রই অসহনীয় মশার উৎপাত। মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ নগরবাসী। বছরে এ খাতে অর্ধশত কোটি টাকা খরচ হলেও কমছে না মশা। মশার কারণে সম্প্রতি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুই ঘণ্টা দেরিতে ছাড়তে হয়েছে মালয়েশিয়ান এয়ারলাইনসের একটি বিমানের ফ্লাইটও।

এদিকে বছরের শুরুতেই মশার ব্যাপারে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র সাঈদ খোকন। তিনি বলেন, মশাবাহিত রোগ চিকুনগুনিয়া যাতে গতবারের মতো ভোগাতে না পারে, সেজন্য রাজধানীবাসীকে আগেভাগেই সতর্ক হতে হবে। শীত শেষে নগরীতে মশার উৎপাত বেড়ে যাওয়ায় বুধবার দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় মশা নিধনে ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রামের’ উদ্বোধন করে মেয়র এ আহ্বান জানান।

সিটি করপোরেশন সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) বাজেট ছিল ১০ কোটি ৩০ লাখ টাকা। সংশোধিত বাজেটে বাড়িয়ে ১১ কোটি ৯৯ লাখ টাকা করা হয়। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বাজেট ছিল ১২ কোটি ৫০ লাখ টাকা এবং ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ১১ কোটি ৫০ লাখ টাকা। তবে চলতি অর্থবছরে তা বাড়িয়ে ২৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা করা হয়েছে। 

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে (ডিএনসিসি) ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ১০ কোটি টাকা এবং ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ১৪ কোটি টাকা বাজেট ছিল। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে তা বাড়িয়ে ২৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা করা হয়েছিল। চলতি অর্থবছরে তা কিছু কমিয়ে ২০ কোটি টাকা করা হয়। এছাড়া দুই করপোরেশনে আলাদাভাবে কচুরিপানা ও আগাছা পরিষ্কার, ফগারসহ অন্যান্য মেশিন সরবরাহের জন্য আলাদা অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। এতকিছুর পরও মশার উপদ্রব থেকে রেহাই পাচ্ছে না নগরবাসী। 

পুরান ঢাকার চকবাজারের বাসিন্দা আবুল বাসার জানান, বেশ কিছুদিন ধরে মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ। মশারি ছাড়া ঘুমানো যায় না। সন্ধ্যার পরপরই দরজা-জানালা বন্ধ করেও মশার উৎপাত থেকে রেহাই মিলছে না। তিনি আরও বলেন, আগে ছয়-সাত তলায় মশা দেখা যেত না। এখন সাত তলাতেও মশার কামড় খেতে হয়। 

নগরবাসীর অভিযোগ, মশার ওষুধ ক্রয়, মান নিয়ন্ত্রণ, সংরক্ষণ ও স্প্রে সংশ্লিষ্ট মনিটরিং কমিটিসহ সব পর্যায়ে অনিয়ম ও দায়িত্বে অবহেলা রয়েছে। তাই দুই সিটি করপোরেশনে বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয়ের পরও কাক্সিক্ষত ফল পাওয়া যাচ্ছে না।

রাজধানীর মহাখালী, তেজগাঁও, ফকিরাপুল, কমলাপুর, মানিকনগর, বাসাবো, মুগদাপাড়া, খিলগাঁও, ধোলাইখাল, মীর হাজীরবাগ, যাত্রাবাড়ী, শ্যামপুর, কামরাঙ্গীরচর, সূত্রাপুর, মোহাম্মদপুর, সায়েদাবাদ, রামপুরা, বাড্ডা, কুড়িল, মিরপুর, গাবতলী, দারুস সালাম, হাজারীবাগ, গোড়ানসহ বিভিন্ন এলাকায় মশার উপদ্রব সবচেয়ে বেশি বলে জানা গেছে। এছাড়াও অভিজাত এলাকা গুলশান, বনানী, বারিধারা, উত্তরা, ধানমন্ডিতেও বেড়েছে মশার উপদ্রব। অভিজাত এলাকাগুলোর বেশিরভাগ ফ্ল্যাট বাড়িতে জানালা-দরজায় নেট লাগানো সত্ত্বেও রেহাই নেই মশার অত্যাচার থেকে। নিচতলা থেকে শুরু করে ২০ তলা পর্যন্ত সর্বত্রই মশার সমান উপদ্রব।

এদিকে সিটি করপোরেশনের কয়েকজন কর্মকর্তা বলছেন, মশা নিধনে ফগার মেশিনের চেয়ে আরও উন্নত প্রযুক্তি দরকার। রাজধানীতে মশার প্রকোপ যে হারে বাড়ছে, তাতে খুব দ্রুত নতুন কোনো পদ্ধতি ব্যবহার করা না হলে পরিণতি খুব ভয়াবহ হতে পারে। তারা বলছেন, ফগার মেশিনের বিকট শব্দ শুনলেই মশা পালিয়ে যায়। অপরদিকে ৭০ শতাংশ মশা নগরীর বিভিন্ন বাসাবাড়ি ও ছাদে তৈরি বাগানে জমে থাকা পানিতে জন্মায়। এগুলো দেখবে কে? কারণ এসব স্থানে নগর কর্তৃপক্ষের কর্মীদের ওষুধ ছিটানোর অনুমতি নেই।

২০১৭ সালে তৈরি ডিএসসিসির এক প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, মশার ওষুধ ছিটানোর জন্য ডিএসসিসির ৯৪০টি মেশিন রয়েছে। এর মধ্যে ৪৪২টি হস্তচালিত, ৪৪৭টি ফগার ও ৫১টি হুইল ব্যারো মেশিন। ৪৪২টি হস্তচালিত মেশিনের মধ্যে ২০৮টি, ৪৪৭টি ফগার মেশিনের মধ্যে ১৮৬টি পুরো ও ১৬টি আংশিক অচল এবং ৫১টি হুইল ব্যারো মেশিনের মধ্যে ১৮টিই অচল। সব মিলিয়ে তিন ধরনের ৯৪০টি মেশিনের মধ্যে ৪২৮টিই অচল। অন্যদিকে ডিএনসিসিতে ৬৫৩টি মেশিন রয়েছে। এর মধ্যে হস্তচালিত ৩৮৭টি, ফগার ২৫৫টি, হুইল ব্যারো ১০টি এবং একটি ভেহিকল মাউন্টেড ফগার মেশিন। এ মেশিনগুলোরও অধিকাংশই বিকল, যা আর ঠিক করা হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, এখন যে কিউলেক্স মশার উৎপাত চলছে, তাতে মারাত্মক রোগের ঝুঁকি কম। তবে বৃষ্টি হলে এডিস মশার উপদ্রব বাড়তে পারে এবং সেক্ষেত্রে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ দেখা দিতে পারে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) মেডিসিন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. এবিএম আবদুল্লাহ বলেন, গত বছর চিকুনগুনিয়ার প্রাদুর্ভাব ছিল বেশি। ডেঙ্গুর মতোই এ রোগও এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়। ডেঙ্গুতে যেমন রক্তক্ষরণ হয় এ রোগে রক্তক্ষরণ হয় না। তিনি বলেন, চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হলে কেউ মারা যায় না, তবে যে ব্যক্তি আগে থেকেই বিভিন্ন রোগে ভুগছেন তাদের যদি চিকুনগুনিয়া হয় তাহলে তার ক্ষেত্রে ঝুঁকি থাকে। ২০১৭ সালে বর্ষা মৌসুমের শুরু থেকেই ঢাকায় চিকুনগুনিয়া ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে খোদ স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমও সিটি করপোরেশনকে দায়ী করেন।

বিএসএমএমইউর রিউম্যাটোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মিনহাজ রহিম চৌধুরী বলেন, চিকুনগুনিয়া বা ডেঙ্গুর বিপদমুক্ত নয় শহরবাসী। আবার মশা বাড়ছে। এখনই প্রতিরোধ প্রয়োজন, তা না হলে ফের বড় ধরনের স্বাস্থ্যগত সমস্যা হতে পারে। মশা থেকে ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়ার পাশাপাশি মানুষ জিকা ভাইরাসেও আক্রান্ত হতে পারে। এ বিভাগে ২০১৭ সালের ১৩ আগস্ট চিকুনগুনিয়া-পরবর্তী চিকিৎসা দিতে আথ্রাইটিস ক্লিনিক চালু করা হয়।

২২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মশক নিধনের পর মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট প্রায় দুই ঘণ্টা বিলম্বে শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করে। এ ঘটনায় বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েন এয়ারলাইন্স কর্মী ও যাত্রীরা। মশার কারণে এর আগে একাধিক এয়ারলাইন্সকেও বিপত্তিতে পড়তে হয়েছে বলে জানা যায়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পাখির আঘাতের কারণে উড়োজাহাজ আটকে যাওয়া বা দুর্ঘটনার কথা অনেকেরই জানা। কিন্তু মশার উপদ্রবের কারণে উড়োজাহাজ থামিয়ে দেওয়া বা ফ্লাইট বিলম্বের ঘটনা এর আগে শোনা যায়নি। যাত্রীরা উড়োজাহাজে ওঠার সময় ভেতরে মশাও ঢুকে পড়ে। উড়োজাহাজ ধীরগতিতে রানওয়ের দিকে এগোতে থাকলে মশার উৎপাতও বেড়ে যায়। যাত্রীরা বিরক্ত হয়ে অভিযোগ করেন কেবিন ক্রুদের কাছে। এক পর্যায়ে বাধ্য হয়ে উড়োজাহাজটি রানওয়ের পরিবর্তে ফের বে এরিয়াতে ফিরিয়ে আনেন পাইলট। এরপর বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সহায়তায় এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে চলে মশা নিধন কার্যক্রম। পরে রাত আড়াইটার দিকে ফ্লাইটটি নিরাপদে শাহজালাল বিমানবন্দর ত্যাগ করে। মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের স্টেশন ম্যানেজার মোহাম্মদ আজিজ এ প্রসঙ্গে বলেন, মশার কারণে তাদের ফ্লাইটটি যথাসময়ে ছেড়ে যেতে পারেনি। 

ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খান মোহাম্মদ বিলাল বলেন, আমরা নিয়মিত কাজগুলো করছি। তবে শীতকালে বৃষ্টি না হওয়ায় মশার প্রকোপ কিছুটা বেড়েছে। ডিএনসিসির সচিব দুলাল কৃষ্ণ সাহা বলেন, মশা নিধনে আমাদের ক্র্যাশ প্রোগ্রাম চলছে। মশা নির্মূলে প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। 

বুধবার দক্ষিণের বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের উপস্থিতিতে মেয়র বলেন, এবার যাতে চিকুনগুনিয়ার প্রাদুর্ভাব নগরে ছড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য সবাইকে আগাম সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। আপনাদের বাসার আঙিনায় যদি ঝোপ-ঝাড় থাকে, তাহলে সেগুলো পরিষ্কার রাখবেন। মশার বিস্তার ঘটতে পারে এমন কোথাও যদি পানি জমে থাকে, সেগুলোও পরিষ্কার রাখবেন।

মেয়র দাবি করেন, দেশের অন্য সিটি করপোরেশনের তুলনায় তার এলাকায় মশার উৎপাত তেমন ভয়াবহ হয়ে ওঠেনি এখনও। পুরান ঢাকাসহ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অধীনে অনেক এলাকায় মশা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ধানমন্ডি এলাকায় কিছুটা এবং বনশ্রী, জুরাইন, কামরাঙ্গীরচর এলাকায় মশার উপদ্রব রয়েছে। তিনি বলেন, মশা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন সব কিছুই করবে।

জবি ক্যাম্পাসে মশার উপদ্রব : জবি প্রতিনিধি জানান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সাড়ে সাত একর ক্যাম্পাসের সবখানেই মশার কামড়ে অতিষ্ঠ সংশ্লিষ্টরা। এতে ব্যাহত হচ্ছে পড়াশোনাসহ সাধারণ কাজকর্ম। মশা নিধনের বিষয়টি সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব বলে দায়মুক্ত হচ্ছেন কর্তৃপক্ষ। এদিকে মশার উপদ্রব দ্রুত সমাধান করা না হলে ম্যালেরিয়া বা ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হতে পারেন আতঙ্কিত শিক্ষার্থীরা। এরই মধ্যে কয়েক শিক্ষার্থী ডেঙ্গুজ্বরের প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিছেন বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারের ডাক্তার মিতা শবনম।

সরেজমিন দেখা গেছে, ক্যাম্পাসের প্রতিটি ড্রেন খোলা। সেখানে জমে আছে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ। কোনো কোনো ড্রেনে দেখা গেছে মানব বর্জ্যও। বিশেষ করে বিজ্ঞান ভবনের পিছনে, অগ্রণী ব্যাংকের সামনে, ভিসি ভবনের পিছনে, কলা ভবনের পিছনের ড্রেনগুলোতে ময়লা-আবর্জনায় ভরা। মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের একজন অধ্যাপক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, নতুন ভবনের আন্ডারগ্রাউন্ড হলো ক্যাম্পাসের মশা উৎপাদন কেন্দ্র। এখানে কেউ পরিষ্কারও করে না। ক্যাম্পাসের ড্রেনগুলো পরিষ্কার না করা ও ময়লা-আবর্জনার স্তূপ থাকায় মশার প্রকোপ বেড়েছে। মশার উৎপাতে অতিষ্ঠ কয়েক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা প্রতি মুহূর্তে ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত বিভিন্ন রোগের আতঙ্কে রয়েছি। 

এ বিষয়ে জবি ছাত্রকল্যাণ পরিচালক মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় সিটি করপোরেশন নয় যে মশা নিধন করতে হবে। সার্বিক বিষয়টি জানতে চাইলে জবি রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী ওহিদুজ্জামান বলেন, ড্রেনেজ ব্যবস্থা খারাপ হলে প্রকৌশল দপ্তরের মাধ্যমে তা ঠিক করা হবে। মশার সমস্যা সিটি করপোরেশনের সহযোগিতায় সমাধান করা হবে বলেও তিনি জানান।

 

 


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top