Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, রবিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৮ , সময়- ১১:২৯ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
মহাজোটের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে যাওয়ার শিগগিরই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসছে  প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা শুরু আজ  ভোট পর্যবেক্ষণের জন্য আবেদন শেষ তারিখ ২১ নভেম্বর  আ'লীগ যত রকম ১০ নম্বরি করার করুক, ভোট দেবো, ভোটে থাকব : ড. কামাল হোসেন মহাজোটের আসন বণ্টনের আলোচনা চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর নিকট চিঠি   ভাসানীর আদর্শকে ধারণ করে দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান  তরুণ ভোটারদের প্রাধান্য দিয়ে প্রণয়ন করা হচ্ছে আ'লীগের ইশতেহার  মওলানা ভাসানীর ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ  বিশ্ব ইজতেমা স্থগিত করা হয়নি  দাবানলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৪, নিখোঁজ সহস্রাধিক

শেয়ার অধিগ্রহণে চূড়ান্ত খসড়া প্রকাশ করেছে বিএসইসি


নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রজন্মকণ্ঠ

আপডেট সময়: ২৯ এপ্রিল ২০১৮ ৪:০৪ পিএম:
শেয়ার অধিগ্রহণে চূড়ান্ত খসড়া প্রকাশ করেছে বিএসইসি

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) তালিকাভুক্ত কোম্পানির ন্যুনতম ১০ শতাংশ বা এর বেশিসংখ্যক শেয়ার অধিগ্রহণ অর্থাৎ কেনার প্রক্রিয়া সহজ করতে সংশ্নিষ্ট আইন সংশোধন করে জনমতের জন্য চূড়ান্ত খসড়া প্রকাশ করেছে। তবে খসড়ায় আইনটি সহজ করতে গিয়ে এ আইনের নিয়ম লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে তদন্ত ও শাস্তির বিধান সম্পর্কিত বিদ্যমান আট ধারার পুরো অধ্যায়টি বাদ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ‘উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শেয়ার অর্জন, অধিগ্রহণ ও কর্তৃত্ব গ্রহণ’ শীর্ষক ২০০২ সালের বিধিমালাটি ব্যাপক সংশোধন করতে খসড়া চূড়ান্ত করেছে কমিশন। এরই মধ্যে জনমত যাচাইয়ের জন্য তা সংস্থার ওয়েবসাইট ও গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করা হয়েছে।

বিদ্যমান ২০০২ সালের আইন অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত কোনো কোম্পানির ১০ শতাংশ বা এর বেশি শেয়ার কিনতে হলে সংশ্নিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বা সংঘবদ্ধ গ্রুপকে আগাম ঘোষণা দিতে হয়। বিদ্যমান আইন অনুযায়ী, এ ঘোষণা স্টক এক্সচেঞ্জকে জানাতে হয় এবং অন্তত একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি আকারে দিতে হয়। আইনের এ বিধান অহরহ লঙ্ঘন হচ্ছে। অথচ নিয়ন্ত্রক সংস্থা এ বিষয়ে নিশ্চুপ।

নতুন সংশোধন প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ‘উল্লেখযোগ্য’ শেয়ার ক্রয়ের ক্ষেত্রে শুধু স্টক এক্সচেঞ্জকে জানালেই হবে এবং স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে তা প্রকাশের আগে ওই শেয়ার কেনা যাবে না। তবে দুর্বল মৌল ভিত্তির কোম্পানিকে পুনরুজ্জীবিত করতে শেয়ার কিনতে চাইলে উদ্দেশ্য ও শেয়ার ক্রয়ের পরিমাণবিষয়ক বিস্তারিত জানিয়ে স্টক এক্সচেঞ্জ ও দুটি জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে। 

এখানে দুর্বল কোম্পানি বলতে পুঞ্জীভূত লোকসানি কোম্পানি বা সর্বশেষ তিন বছর অভিহিত মূল্যের নিচে বাজারে শেয়ারটি কেনাবেচা হচ্ছে বা সর্বশেষ পাঁচ বছর শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ দেয় না- এমন কোম্পানিকে বোঝানো হয়েছে। তবে সংশোধিত আইনের খসড়ায় এ বিধান অমান্য করলে কী হবে, তা বলা হয়নি। বরং বিদ্যমান আইনের সব ধারা সংবলিত পুরো পঞ্চম অধ্যায়টি বাদ দেওয়া হয়েছে।

যদিও এ আইনের বিধান ভঙ্গের দায়ে সংশ্নিষ্টদের শেয়ার ব্যবসা না করার নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতা আছে বিএসইসির। এ ছাড়া কমিশন চাইলে সংশ্নিষ্টকে ক্রয় করা শেয়ার বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা বা অবিলম্বে বিক্রির নির্দেশও দিতে পারে। এর বাইরে অন্য শাস্তি প্রদানের ক্ষমতা আছে সংস্থার, যা আইনটিতে উল্লেখ আছে। এ ছাড়া শেয়ার ক্রয়ে জড়িত ব্রোকারেজ হাউস বা মার্চেন্ট ব্যাংকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণেরও সুযোগ আছে।


 


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top