Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, বুধবার, ২০ জুন ২০১৮ , সময়- ১১:১১ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
মুসল্লিরা জায়নামাজ ও ছাতা ছাড়া অন্য কিছু নিতে পারবেন না : ডিএমপি কমিশনার দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী রাজধানীতে বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে জামাতের সময়সূচী  ব্রাজিলের সাপোর্টার প্রধানমন্ত্রী, একই দলের সমর্থক জয় মুসলিম উম্মাহর ঐক্যে ফাটল সৃষ্টি করতেই ইসরাইলের সৃষ্টি নূর চৌধুরী'কে দেশে ফেরাতে কানাডার আদালতে মামলা করেছে সরকার নির্বাচনী কৌশলগত কারনেই জামায়াতের সঙ্গ ছাড়ছে বিএনপি বিশ্বকাপ উদ্বোধনী ম্যাচে ৫-০ ব্যবধানে জয় পেল স্বাগতিক রাশিয়া বাগেরহাট ৩ আসনের উপ-নির্বাচনে নির্বাচিত এমপি'র শপথগ্রহণ ঘরমুখো মানুষ, চরম দুর্ভোগের মুখে পড়েছেন ট্রেনের যাত্রীরা

ছাত্রলীগের সম্ভাব্য নতুন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক : দলীয় সূত্র


নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রজন্মকণ্ঠ

আপডেট সময়: ১৫ মে ২০১৮ ৩:৪৭ এএম:
ছাত্রলীগের সম্ভাব্য নতুন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক : দলীয় সূত্র

ছাত্রলীগের সম্ভাব্য নতুন কমিটি এখন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার টেবিলে। দলের একটি সূত্র জানিয়েছে, সংক্ষিপ্ত তালিকায় যারা রয়েছেন তাদের মধ্যে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে অন্যতম হলেন— আদিত্য নন্দী, মাজহারুল ইসলাম শামীম, রেদওয়ান চৌধুরী শোভন, হোসাইন সাদ্দাম, চৈতালী হালদার চৈতী, দিদার মোহাম্মদ নিয়ামুল ইসলাম, দেলোয়ার শাহজাদা, সাইফ বাবু, হাবিবুল্লাহ বিপ্লব, খাদেমুল বাশার জয়। এ ছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে কাউকে সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক পদে আনা হলে যাদের নাম আলোচনায় আছে তারা হলেন— বুয়েট ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ কনক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ জয়নুল আবেদিন রাসেল।

সংগঠনের সভাপতি পদে ১১১ জন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ২১২ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। এদের মধ্য থেকে নির্বাচন কমিশন যাচাই-বাছাই করে একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা শেখ হাসিনার কাছে জমা দিয়েছে। ওই তালিকা থেকেই ঘোষণা করা হবে নতুন শীর্ষ নেতৃত্ব। ভোটের পক্ষে ও বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া আওয়ামী লীগের নেতারা তাদের পছন্দের প্রার্থীকে বের করে আনতে চাচ্ছেন।

কিন্তু এখন পর্যন্ত মুখ খোলেননি দলীয় সভানেত্রী। পদ-পদবি পেতে সংগঠনের গঠনতন্ত্রে বয়সসীমা ২৭ বছর থাকলেও শুক্রবার সম্মেলনের উদ্বোধনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এক বছর বাড়িয়ে দেন। অর্থাৎ নেতৃত্বে আসতে বয়সসীমা ২৮ বছর করা হয়। ওই দিন রাতেই দলের কয়েকজন নেতা গণভবনে যান। সেখান থেকে বেরিয়েই নেতারা জানান, বয়সসীমা ২৮ বছর ৩৬৪ দিন করা হয়েছে। তবে এ কথা মানতে নারাজ ছাত্রলীগের বর্তমান শীর্ষ নেতারা। তাদের বক্তব্য, নেত্রী আমাদের ২৮ বছর বলেছেন। আমরা ২৮ বছর করার পক্ষে।

নেতৃত্বে আসার আলোচনায় যারা রয়েছেন তাদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কেউ কেউ অভিনন্দন জানাচ্ছেন, আবার কেউ কেউ প্রচার করছেন তাদের দোষত্রুটি। এর মধ্যে একজন শক্তিশালী সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থীর বিরুদ্ধে বিয়ে করার অভিযোগ উঠেছে। তার স্ত্রী একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বলেও প্রচার করছেন কেউ কেউ। আরেকজন শক্তিশালী প্রার্থীর বিরুদ্ধে রয়েছে ব্যবসার অভিযোগ। আলোচনার শীর্ষে আসা নেতাদের নামে ওঠা অভিযোগগুলো সরকারের বিভিন্ন সংস্থা যাচাই-বাছাই শুরু করেছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তাদের কপাল পুড়তে পারে। আর অভিযোগের সত্যতা না পেলে তাদের মধ্যেই দুই বছরের জন্য পরবর্তী নেতা নির্বাচিত করা হবে। কমিটিতে পদ পেতে ছাত্রলীগের দেখভালের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের বাড়ি বাড়ি ধরনা দিচ্ছেন ছাত্রনেতারা। পদ-পদবি নিয়ে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের মধ্যেও মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ শুরু হয়েছে। সবাই ব্যস্ত যার যার পছন্দের প্রার্থীকে বের করে আনার জন্য।

ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন উপস্থিত নেতা-কর্মীদের জানান, কমিটির জন্য যোগ্যতার ভিত্তিতে কিছু নাম নেত্রীর কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই নেত্রী নতুন নেতৃত্বের বিষয় আমাদের জানিয়ে দেবেন। হয়তো দু-এক দিন সময়ও লাগতে পারে কমিটি ঘোষণা আসতে। আমরা তার সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছি।

এর আগে গত শুক্রবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছাত্রলীগের ২৯তম জাতীয় সম্মেলন উদ্বোধন করে সমঝোতার মাধ্যমে নেতৃত্ব ঠিক করার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top