Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০১৯ , সময়- ৩:৪২ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হলেন ফেরদৌস ও শাহ ফরহাদ নেতাজি'কে কেন রাষ্ট্রনায়কের মর্যাদা দেওয়া হল না, ক্ষুব্ধ মমতা সাংবাদিকদের একটা করে ফ্ল্যাট দেবে সরকার আ'লীগের নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর জনগণ শান্তিতে : কাদের ফেব্রুয়ারি মাসে বিশ্ব ইজতেমা করার সিদ্ধান্ত ডাকসু নির্বাচন, আগামী ১১ মার্চ বিশ্ব চিন্তাবিদের তালিকায় এবার শেখ হাসিনা  যুবলীগ ও আ'লীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ১০ গণতন্ত্র ও উন্নয়ন একসঙ্গে চলবে : প্রধানমন্ত্রী দুদকের পরিচালক সাময়িক বরখাস্ত

যাত্রা শুরু করল বিশ্বভারতীর বাংলাদেশ ভবন


ডেস্ক রিপোর্ট

আপডেট সময়: ২৬ মে ২০১৮ ১২:১২ পিএম:
যাত্রা শুরু করল বিশ্বভারতীর বাংলাদেশ ভবন

পাকিস্তান আমলে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল রবীন্দ্রনাথকে। এর প্রতিবাদে সরব হয়েছিলেন বাঙালিরা। রাজপথে নেমে পাকিস্তানের সেনা-পুলিশের বাধা অতিক্রম করে প্রবল প্রতিবাদ সংঘটিত হয়েছিল। এই সংক্রান্ত বিশেষ বিভাগটি বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্বপল্লীতে নির্মিত বাংলাদেশ ভবনের বিশেষ আকর্ষণ বলেই মনে করা হচ্ছে। 

রবীন্দ্রনাথ যেমন ভারতের তেমনই বাংলাদেশের। পূর্ব বাংলায় কবির অজস্র স্মৃতি ছড়িয়ে। সেসব স্মৃতি ও বিশেষ তথ্য-গবেষণাপত্র দিয়ে সাজানো হয়েছে এই ভবন। এমনই আশ্চর্যজনক আরও অনেক বিভাগ নিয়েই যাত্রা শুরু করল বিশ্বভারতীর বাংলাদেশ ভবন। 

শুক্রবার এই ভবনের উদ্বোধন করেছেন নরেন্দ্র মোদি ও শেখ হাসিনা। দুই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অনুষ্ঠানে ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। ভবনটি তৈরির জন্য অর্থ দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। 

কী আছে সেই ভবনে এই নিয়ে বিবিসির বিস্তারিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অত্যাধুনিক দোতলা এই ভবনটিতে আছে একটি মিলনায়তন, জাদুঘর এবং গ্রন্থাগার। এর মধ্যে অনেক বই রবীন্দ্রচর্চা এবং রবীন্দ্র গবেষণাভিত্তিক, যা ভারতে সহজলভ্য নয়।

এক নজরে বাংলাদেশ ভবনের নজরকাড়া সামগ্রী

জাদুঘরটি চালু হলো প্রায় ৪ হাজার বর্গফুট এলাকা নিয়ে। পরে এটিকে আরও বড় করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। ভবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো গ্রন্থাগার। সেই গ্রন্থাগারের জন্য বাংলাদেশ থেকে নিয়ে আসা হয়েছে প্রায় ৩ হাজার ৫০০ বই। রয়েছে অনেকগুলো ইন্টার অ্যাকটিভ, টাচ স্ক্রিন কিয়স্ক। ছাপানো বই ছাড়াও ডিজিটাল বইও পড়তে পারবেন পাঠকরা।

বাংলাদেশের প্রত্ন সামগ্রী ভবনটির অন্যতম আকর্ষণ। প্রত্নবিদ্যা ও ইতিহাসের গবেষণাকারীদের এই বিভাগটি বিশেষ কাজে লাগবে বলেই মনে করা হচ্ছে। এখানে আছে ২৫ হাজার বছর পুরনো সভ্যতার নিদর্শন। এছাড়া আছে ষষ্ঠ-সপ্তম শতকের পোড়ামাটির কাজ, ১৬০০ শতকের নকশাখচিত ইট প্রভৃতি।

বাংলাদেশের উয়ারি বটেশ্বরে মিলেছে এই প্রত্নসামগ্রী। পাহাড়পুর, মহাস্থানগড়ের নানা নিদর্শন, দেবদেবীদের মূর্তি। কোনোটি পোড়ামাটির, কোনোটি ধাতুর তৈরি। এছাড়াও থাকছে সুলতানী এবং বৃটিশ শাসনের সময় নিয়ে বিভাগ। 

ভারত স্বাধীন ও পাকিস্তান গঠিত হওয়ার পর পূর্ব পাকিস্তানের সময়টি নিয়েও থাকছে রকমারি তথ্য ও ছবির সংগ্রহ। এর সঙ্গেই থাকছে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ। পাকিস্তান থেকে ছিন্ন হয়ে বাংলাদেশ তৈরি হওয়ার রক্তাক্ত স্বাধীনতার লড়াই ও ভারতের অবদান নিয়ে বিশেষ গ্যালারি। 

এছাড়াও বাংলাদেশ ভবনের অন্যতম আকর্ষণ রবীন্দ্রনাথকে তাদের সংগ্রহশালা। রবীন্দ্রনাথ নিয়ে রয়েছে সম্পূর্ণ পৃথক একটি বিভাগ।

পূর্ববঙ্গের সাজাদপুর, শিলাইদহ, পতিসরের কাছারিবাড়ির ছবি, সেখানে কবির ব্যবহৃত নানা সামগ্রী দিয়ে সাজানো রয়েছে জাদুঘরের এই অংশটি। রয়েছে বাংলাদেশের জাতীয় জাদুঘর থেকে আনা বেশ কিছু মুদ্রা।

অন্যতম আকর্ষণ ভাষা আন্দোলন: এই বিভাগ শুরু হয়েছে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে। বিভিন্ন ছবিতে ধরা রয়েছে ১৯৫২-র ২১ ফেব্রুয়ারি সকালে পাকিস্তানি সরকারের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে যে ঐতিহাসিক মিছিল হয়েছিল সেখানে গুলি চালানোর ঘটনা। আর আছে ভাষা শহীদদের প্রসঙ্গ।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top