Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, শনিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৮ , সময়- ৪:২২ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
সাজাপ্রাপ্ত আসামীদের নিয়ে ডা. কামালের সরকারবিরোধী ঐক্য ব্যর্থ হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী সিরিয়ায় মার্কিন বিমান হামলায় শিশুসহ ৩২ জন বেসামরিক ব্যক্তি নিহত আগামী নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা আসছে, জাতীয় পার্টির মহাসমাবেশ আজ আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বি, জনগণ হৃদয় দিয়ে ভালোবাসে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী | প্রজন্মকণ্ঠ মানুষের ভিড়ের ওপর দিয়ে চলে গেল ট্রেন, ৫০ জন নিহত | প্রজন্মকণ্ঠ তরুণী ও কম বয়সী রোহিঙ্গা মেয়েরা পাচারের শিকার হচ্ছে : জাতিসংঘ যারা বহিষ্কারের ঘোষণা দিয়েছেন তারা বিকল্পধারার কেউ নন : মাহী বি চৌধুরী  আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের স্বাধীনতা এখনও পুরোপুরি অর্জন করতে পারিনি : রাষ্ট্রপ্রতি সর্বত্র মানুষের মঙ্গলের সুযোগ করে দিতে শেখ হাসিনার সরকার কাজ করছে : অর্থমন্ত্রী  সংস্কৃতি অঙ্গনে কালো ছায়া নেমে এলো | প্রজন্মকণ্ঠ

নিবন্ধনে থাকা ৪০টি দলের মধ্যে নিবন্ধনযোগ্য নতুন দলের সংখ্যা খুবই কম


নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রজন্মকণ্ঠ

আপডেট সময়: ৪ জুন ২০১৮ ৭:৩০ পিএম:
নিবন্ধনে থাকা ৪০টি দলের মধ্যে নিবন্ধনযোগ্য নতুন দলের সংখ্যা খুবই কম

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) নিবন্ধনের জন্য আবেদন করা নতুন দলগুলোর মধ্যে নিবন্ধনযোগ্য দলের সংখ্যা খুবই কম। তাছাড়া ইসির নিবন্ধনে থাকা ৪০টি দলের মধ্যে অনেক দলের পারফরমেন্স খুবই খারাপ। তাই তাদের বিষয়ে খোঁজ নিয়ে বাদ দেওয়ার উদ্যোগ নিতে চায় সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি। ইসি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
 
নতুন দলের যাচাই-বাছাই কমিটির একজন সদস্য বলেন, আমার কাছে যেসব দলের কাগজপত্র এসেছিল, সেগুলোর একটিও নিবন্ধন পাওয়ার যোগ্য নয়। এবার যেসব দল নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছে, তার একটিও নিবন্ধন পাওয়ার যোগ্যতা রাখে না। এটা আমার ব্যক্তিগত মতামত। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে কমিশন।    

এর আগেই অবশ্য নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার সাংবাদিকদের বলেছিলেন— এবার এক দলের এক নেতা, এমন কোনো দলকে নিবন্ধন দেওয়া হবে না।

ইসি সূত্র জানায়, এবার নিবন্ধনের জন্য ৭৫টি নতুন দল আবেদন করে। প্রথমেই ভাইটাল কারণে ১৯টি দল বাদ পড়ে। পরে কাগজপত্র ঠিক করে দিতে বাকি ৫৬টি দলকে চিঠি দেয়া হয়। এ পর্যায়ে চিঠির উত্তর না দেওয়া বা উত্তর দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত সময় চাওয়ার কারণে ৫৬ দল থেকে আরো ৯টি দল বাদ যায়।  পরে ৪৭টি দলকে বিচার বিশ্লেষণ করা হয়।

এর পরবর্তী কার্যক্রম হচ্ছে মাঠ পর্যায়ে এদের খোঁজ নেয়া। উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে এদের যে অফিস থাকার কথা সেগুলো আছে কি না, এর সঙ্গে ভোটারদের সমর্থনের তালিকা যুক্ত করতে হয় সেটির খোঁজ নেওয়া— এসব বিষয়ে মাঠপর্যায়ে খোঁজ নেয়া হবে।  

সূত্র আরো জানায়, কাগজপত্র সংশোধন করে দেওয়ার পরও যারা তা ঠিক করে দিতে পারেনি। মাঠপর্যায়ে তাদের খোঁজ নেওয়া হবে না। যেমন গঠনতন্ত্র দেয়নি, এক্সিকউটিভ কমিটি কিভাবে হবে? গঠনতন্ত্রের মাধ্যমে কাউন্সিল করে হবে নাকি এমনি করে দেবে। একদলীয় শাসন কায়েম বা সাম্প্রদায়িকতার বিষয় আছে। এগুলো বিবেচনা করা হয়েছে এবার। তবে মাঠপর্যায়ে খোঁজ নেয়া হবে এমন দলের সংখ্যা পাঁচটির কম।

এ বিষয়ে নতুন রাজনৈতিক দলের যাচাই-বাছাই কমিটির প্রধান ইসির অতিরিক্ত সচিব মো. মোখলেসুর রহমান পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, আমরা বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত নথি কমিশন সভার জন্য উপস্থাপন করে দিয়েছি। সবকিছু ঠিক করে সব কাগজপত্র, কি ল্যাকিংস আছে- সব উল্লেখ করে কমিশনে দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা কাগজপত্র চাওয়ার পরও তারা যে কাগজপত্র দিয়েছে, সেগুলো আমরা দেখেছি। কাগজপত্র যাদের ওকে আছে সেগুলোর খোঁজ নিতে মফস্বলে পাঠানো হবে। তবে মফস্বলে খোঁজ নেয়া হবে এমন দলের সংখ্যা একেবারে খুবই কম।

৪০টি নিবন্ধিত দলকেও খতিয়ে দেখা হবে। যাদের পারফরমেন্স বা আইনগত বিধিবিধান অনুযায়ী তাদের যা যা করা দরকার তা তারা করছে কি না। তাহলে এদের নিবন্ধন রেখে লাভ কি? যোগ করেন তিনি।   

ইসি সূত্র জানায়, এর আগে দশম সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আগ্রহী নতুন ৪৩টি রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছিল। এর মধ্যে ৪১টিই নির্বাচন কমিশনের কাছে নিজেদের ‘যোগ্যতার’ প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হয়।

মাত্র দুটি দল শর্ত অনুযায়ী মাঠপর্যায়ে কার্যালয় ও কমিটি থাকার তথ্য দিয়েছিল। এরপর তাদের নিবন্ধন দেয় কমিশন। দল দুটি হলো- বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ) ও সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন প্রথা চালু করে ইসি। প্রথম বছরে ১১৭টি আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে শর্ত পূরণ সাপেক্ষে ৩৯টি দল নিবন্ধন পায়। এর মধ্যে স্থায়ী সংশোধিত গঠনতন্ত্র দিতে না পারায় ২০০৯ সালে ফ্রিডম পার্টির নিবন্ধন বাতিল করে ইসি। আর আদালতের আদেশে ২০১৩ সালে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন অবৈধ হয়।

এছাড়া, ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (বিএমএল) নামে নতুন একটি দলের নিবন্ধন দেয়া হয়। বর্তমানে ইসির নিবন্ধনে ৪০টি রাজনৈতিক দল রয়েছে।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top