Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর ২০১৮ , সময়- ৩:৪৯ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
নৌকা থেকে যারা ধানের শীষে তারা ‘ভণ্ড’ ও ‘প্রতারক’’ | প্রজন্মকণ্ঠ আস্থার প্রতীক নৌকা আর ধানের শীষ | প্রজন্মকণ্ঠ ভারতের ‘সাহায্য প্রয়োজন’ ছাড়া বাংলাদেশের নির্বাচন সম্ভব নয় !  চাঞ্চল্যকর সাত খুনের ঘটনার মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ | প্রজন্মকণ্ঠ খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন | প্রজন্মকণ্ঠ অবশেষে আটক সেই হেলমেটধারী | প্রজন্মকণ্ঠ আমেরিকার চাপের কাছে স্বাধীনচেতা দেশ ইরান নতি স্বীকার করবে না কবি বেগম সুফিয়া কামালের ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আগামীকাল  মির্জা ফখরুলকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন ওবায়দুল কাদের   বিএনপির দেয়া তালিকার অধিকাংশ মামলা ২০১৪-১৫’র সহিংসতার : ডিএমপি 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে জন্ম নিল সাদা সিংহ শাবক


নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রজন্মকণ্ঠ

আপডেট সময়: ৮ জুলাই ২০১৮ ৩:৪১ এএম:
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে জন্ম নিল সাদা সিংহ শাবক

গাজীপুরের শ্রীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে আফ্রিকা থেকে কয়েক দফায় সাতটি সাদা সিংহ আনা হয়েছিল। তার মধ্যে তিনটি সিংহ মারা গেছে। বর্তমানে এ পার্কে চারটি সাদা সিংহ রয়েছে। এদের মধ্যে দুইটি মাদি ও দুইটি পুরুষ। গত ২৪ মে বৃহস্পতিবার তাদের পরিবারে আরো এক নতুন সদস্য জন্ম নিয়েছে। এনিয়ে পার্কে সাদা সিংহের সংখ্যা হলো পাঁচটি।

সাফারি পার্কের বন্যপ্রাণি সুপারভাইজার মো. সারোয়ার হোসেন খান বলেন, সাদা সিংহ কিন্তু আলাদা কোন প্রজাতির সিংহ নয়। এদের দেহে চিনচিলা নামে এক ধরণের জিন থাকে। এ জিনের উপস্থিতির কারণে এদের বর্ণ হয় সাদা। এদের শরীরের রং সাদা হলেও চোখের রং সোনালী, নীলচে-ধূসর এমনকি নীলও হতে পারে। মা এবং বাবা সিংহের দেহে চিনচিলা জিন থাকলে তাদের শাবক কেবল সাদা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে বেশি। এদের দেখা মিলে সাধারণত দক্ষিণ আফ্রিকায়। সকল বৈশিষ্ট্য বাদামী সিংহের মত হলেও এরা হিংস্রতায় এবং আকারে, ওজনে তাদের চেয়ে বেশি হয়। ২০১৩ সাল থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে আফ্রিকা থেকে ৭টি সাদা সিংহ আনা হলেও বিভিন্ন রোগে ভুগে তাদের মধ্যে তিনটি মারা যায়। পরে এ দুই দম্পতির ঘরে ২০১৬সালে দুইটি বাচ্চার জন্ম হয়। কিন্তু এক বছরের মধ্যে ওই দুইটি বাচ্চাও মারা যায়। এর প্রায় দুই বছর পর চলতি বছরের মে মাসের শেষ সপ্তাহের কোন এক সময় এ পার্কে আবার জন্ম নিল একটি শ্বেত সিংহ শাবক। জন্মের সময় বাচ্চাদের সাধারণত চোখ ফুটেনা। এদের চোখ ফুটতে ৩-১১দিন সময় লাগে। জন্মের সময় এদের ওজন ১-৫কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। 

এসময় বাঘিনী বাচ্চাকে নিয়ে জঙ্গলের আড়ালে রেখে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখে এবং সেখানে অন্যসঙ্গীদের পর্যন্ত যেতে দেয় না। শাবকরা ১০-১৫দিনে হাঁটতে শেখে। ৪-৫মাস বয়স থেকে মায়ের দুধের পাশপাশি অন্য খাবার খাওয়ানো শেখানো হয়। এরা প্রায় বছর দুয়েক পর্যন্ত মায়ের কাছাকাছি থাকে। এদের প্রধান খাদ্য গো মাংস ও প্রতি শুক্রবার জীবিত খরগোস দেয়া হয়।

প্রায় মাস পর মা সিংহটি বাচ্চাটি নিয়ে প্রকাশ্যে নিয়ে এলে তা পার্ক কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। শাবকটি মায়ের সঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছে। সাদা শাবকসহ মা বাঘটিকে দেখে পর্যটকদের মধ্যে বেশ উৎসাহ লক্ষ করা গেছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আব্দুল মোতালেব জানান, এ শাবকগুলো দেড় থেকে দুই বছরের বাচ্চাগুলো প্রজননক্ষম হয়। এদের আয়ুষ্কাল পুরুষ ১০-১২বছর এবং মাদি ১২-১৩বছর। পূর্ণ বয়ষ্ক মাদি সিংহের দৈর্ঘ ৪ফুট, ওজন ১৫০-২০০কেজি এবং পুরুষদের বেলায় দৈর্ঘ ৬ফুট ও ওজন ২০০-৩০০কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে।  এ পার্কে সাদা সিংহ ছাড়াও ১৬টি ব্রাউন সিংহ রয়েছে। প্রতিদিন পর্যটকরা কোর সাফারি পার্কে থাকা এসব প্রাণী দেখতে ভিড় জমিয়ে থাকে। দিন দিন এখানে প্রাণীরা শাবক জন্ম দিচ্ছে, পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়ছে। আয় বাড়ছে পার্কের।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top