Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর ২০১৮ , সময়- ৩:৫৬ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
নৌকা থেকে যারা ধানের শীষে তারা ‘ভণ্ড’ ও ‘প্রতারক’’ | প্রজন্মকণ্ঠ আস্থার প্রতীক নৌকা আর ধানের শীষ | প্রজন্মকণ্ঠ ভারতের ‘সাহায্য প্রয়োজন’ ছাড়া বাংলাদেশের নির্বাচন সম্ভব নয় !  চাঞ্চল্যকর সাত খুনের ঘটনার মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ | প্রজন্মকণ্ঠ খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন | প্রজন্মকণ্ঠ অবশেষে আটক সেই হেলমেটধারী | প্রজন্মকণ্ঠ আমেরিকার চাপের কাছে স্বাধীনচেতা দেশ ইরান নতি স্বীকার করবে না কবি বেগম সুফিয়া কামালের ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আগামীকাল  মির্জা ফখরুলকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন ওবায়দুল কাদের   বিএনপির দেয়া তালিকার অধিকাংশ মামলা ২০১৪-১৫’র সহিংসতার : ডিএমপি 

বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে ‘আপত্তিকর’ বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে

খালেদা জিয়া-গয়েশ্বরের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত


নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রজন্মকণ্ঠ

আপডেট সময়: ১২ জুলাই ২০১৮ ১:২৯ এএম:
খালেদা জিয়া-গয়েশ্বরের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত

বিএনপির কারাবন্দী চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা ও বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে ‘আপত্তিকর’ বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে উভয়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। 

বুধবার ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সাঈদের আদালতে মামলার বাদী এ বি সিদ্দিকীর এক আবেদনের পর  শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সাঈদ এ পরোয়ানা জারি করেন।

বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত ‘আপত্তিকর’ বক্তব্যের জেরে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ৫ জানুয়ারি জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এ বি সিদ্দিকী একশ কোটি টাকার মানহানি মামলা করেন। ওই মামলাটি শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক জাফর আলী জানান, ১ জুলাই ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে মর্মে খালেদা জিয়া ও গয়েশ্বরের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। 

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২১ ডিসেম্বরে আয়োজিত এক সভায় খালেদা জিয়া বলেছিলেন, ‘আজকে বলা হয় এত লাখ শহীদ হয়েছে, এটা নিয়েও অনেক বিতর্ক আছে।’তিনি আরও বলেন, ‘তিনি (শেখ মুজিবুর রহমান) বাংলাদেশের স্বাধীনতা চাননি। তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন। জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা না দিলে মুক্তিযুদ্ধ হত না।’

আর গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছিলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বুদ্ধিজীবীরা নির্বোধের মতো মারা গেছেন। একাত্তরের ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত যারা পাকিস্তানের বেতন-ভাতা খেয়েছেন, তারা নির্বোধের মতো মারা গেলেন? আর আমাদের মতো নির্বোধরা শহীদ বুদ্ধিজীবী হিসেবে তাদের কবরে ফুল দিই। আবার না গেলে পাপ হয়। তারা যদি বুদ্ধিমান হন, তাহলে ১৪ তারিখ পর্যন্ত নিজের ঘরে থাকলেন কীভাবে?’

এ বক্তব্য দুটির পরিপ্রেক্ষিতেই মামলা করেছিলেন জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এ বি সিদ্দিকী।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top