Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, শনিবার, ২১ জুলাই ২০১৮ , সময়- ৫:৩৭ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
যুদ্ধাপরাধের মামলায় ৩৪তম রায়ের অপেক্ষা প্রধানমন্ত্রীকে গণসংবর্ধনা : সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অভিমুখে জনস্রোত নেতৃত্ব নিয়ে দ্বন্দ্ব আরও প্রকট : ভেস্তে যেতে বসেছে যুক্তফ্রন্টের উদ্যোগ শেখের বেটি মোক নয়া ঘর দেল বাহে, মোক দেখার কাইয়ো ছিল না ‘স্বপ্ন’ প্রকল্পটির সুফল পাচ্ছে সাতক্ষীরা ও কুড়িগ্রাম জেলার ৮,৯২৮ দরিদ্র নারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গণসংবর্ধনা দিতে প্রস্তুত আওয়ামী লীগ ১৯৭১ সালে যুদ্ধ করে দিল্লির গোলামি করতে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়নি : গয়েশ্বর নির্বাচনে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটবে, আবারও আ'লীগ জোয়ারে ভাসবে : ওবায়দুল কাদের শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের পরিদর্শন প্রতিবেদন বস্তুনিষ্ঠ ও সঠিক নয় : বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আওয়ামী লীগের গণসংবর্ধনা আগামীকাল

নির্বাচনে নিয়ে বিএনপির এই আছি এই নাই অবস্থা ।প্রজন্মকণ্ঠ 


নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রজন্মকণ্ঠ

আপডেট সময়: ১২ জুলাই ২০১৮ ১:৩৫ এএম:
নির্বাচনে নিয়ে বিএনপির এই আছি এই নাই অবস্থা ।প্রজন্মকণ্ঠ 

সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনেই আগামী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু সেই নির্বাচনে বিএনপি ও তার জোট শরিকদের অংশগ্রহণ নিয়ে রাজনীতিতে রয়েছে বিস্তর আলোচনা। নিরপেক্ষ সরকারের দাবিতে দশম নির্বাচন বর্জন করা বিএনপি যদিও আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে জোর প্রস্তুতি শুরু করেছে। কিন্তু আওয়ামী লীগের অধীনে নির্বাচনে যাওয়ার বিষয়ে তারা কোনো পরিষ্কার বক্তব্য দিচ্ছেন না। দলের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দলের হাইকমান্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এখন পর্যন্ত দলটি নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে অনড়। তবে তফসিল ঘোষণা হলে পরিস্থিতি ও সময় বুঝে পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে। এর আগে বিষয়টি নিয়ে কোনো চূড়ান্ত বক্তব্য দেওয়ার পথে যাবে না দলটি।

দলটির নীতিনির্ধারকদের মতে, সরকারপক্ষের এখনকার বক্তব্য চূড়ান্ত রাজনৈতিক অবস্থান নয়। নির্বাচনের আগে পরিস্থিতির বদল হবে। এছাড়া সরকার পক্ষের বাইরের সব রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে জাতীয় ঐক্য তৈরির মাধ্য সরকারকে চাপে ফেলার মতো কর্মসূচি নিয়েও নির্বাচনের আগে মাঠে নামার পরিকল্পনা রয়েছে বিএনপির।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বুধবার বলেন, ‘বিএনপিসহ দেশের জনগণ মনে করে আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। খুলনা ও গাজীপুর সিটি নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তার স্বরূপ দেখতে পেয়েছে। এর মাধ্যমে বিএনপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি আরও শক্তিশালী হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের যাওয়ার বিষয়ে দলের চেয়ারপারসন যে দিকনির্দেশনা দিবেন, সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে খালেদা জিয়ার মুক্তি, সংসদ ভেঙে দিয়ে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনে দিতে হবে। একইসঙ্গে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরিসহ সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে।’

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমদ আজম খান বলেন, ‘সরকার বিএনপিকে নির্বাচনে চায় কিনা? সেটি আগে স্পষ্ট হতে হবে। তারা যদি বিএনপিকে নির্বাচনে চায়। তাহলে সমঝোতায় আসতে হবে। অন্যতায় ২০১৪ সালের মতো একতরফা নির্বাচনের আয়োজন করতে চাইলে জনগণের মনোভাব বুঝেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি যাতে নির্বাচনে না যায় এ জন্য সরকার নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। মিথ্যা মামলায় খালেদা জিয়াকে সাজা দেওয়া যার মধ্যে অন্যতম। তার পরও খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে নিরপেক্ষ সরকারের দাবি আদায় করেই আমরা নির্বাচনে যাব।’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নির্বাচনে অংশ নেওয়া না নেওয়ার বিষয়ে বিএনপির মধ্যে দুটি মত রয়েছে। একটি অংশের মতামত হলো- যে কোনো পরিস্থিতিতে নির্বাচন বর্জন করা যাবে না। তাহলে দলের অস্তিত্ব সংকটে পড়তে পারে। তবে এই অংশটির অবস্থান দলে দুর্বল। অপরদিকে বিএনপির প্রভাবশালী অংশের মত হচ্ছে- খালেদা জিয়াকে বাদ দিয়ে ও নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া কোনোভাবেই বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাওয়া যাবে না। এটি আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত হবে। তৃণমূলের বেশিরভাগ নেতাই এই মতের অনুসারী। সর্বশেষ খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার আগে তার উপস্থিতিতে জাতীয় নির্বাহী কমিটির বৈঠকেও নির্বাচনে যাওয়া না যাওয়া নিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে দলের চেয়ারপারসনকে দায়িত্ব দিয়েছেন দলের নেতারা। এরপর খালেদা জিয়া সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে যাওয়ার পর তার মুক্তির বিষয়টি বিএনপির প্রধান এজেন্ডা হয়ে দাঁড়ায়। তারপরেও দলের নেতারা নির্বাচন নিয়ে নানা সময় কথা বলছেন।

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘দলীয় চেয়ারপারসনকে কারাগারে রেখে সংসদ নির্বাচনে যাবেন না তারা। তিনি বলেন, ‘সবার আগে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে এবং মামলাগুলো প্রত্যাহার করতে হবে। নির্বাচনের জন্য পরিবেশ তৈরি করতে হবে, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে হবে, সংসদ ভেঙে দিতে হবে, নির্বাচনের সময়ে নিরপেক্ষ সরকার দিতে হবে, সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে।’

এদিকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নানা বাধা-বিপত্তি সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত নির্বাচনের পথেই হাঁটছে বিএনপি। দলটির নেতাদের মতে- জনমত তাদের পক্ষে থাকায় সরকার বিএনপিকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে চাইছে। কিন্তু ৫ জানুয়ারির মতো একতরফা আরেকটি নির্বাচন করার মতো ঝুঁকি সরকার নিতে পারবে না। এমন কিছু করতে চাইলে তফসিল ঘোষণার পর সরকারের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী গণজোয়ার সৃষ্টি হবে। আর ওই পরিস্থিতিতে দেখেই বিএনপি পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিতে চায়।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top