Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮ , সময়- ৭:০৭ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
বিএনপির দেয়া তালিকার অধিকাংশ মামলা ২০১৪-১৫’র সহিংসতার : ডিএমপি  সায়মা ওয়াজেদকে অভিনন্দন মন্ত্রিসভার আ'লীগে এত মনোনয়নপ্রত্যাশী কেন ? শরিকদের জন্য ৭০টি আসন ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচনে দুর্নীতিবাজদের নির্বাচিত না করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান : দুদক চেয়ারম্যান সাজাপ্রাপ্ত খালেদার যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা নিতে হাইকোর্টের নির্দেশ  খাশোগি হত্যা : লাশ টুকরো করার ছবি ফাঁস ! ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ পদকের খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন আয়কর মেলার শেষ দিন আজ দুর্নীতিসহ ১১ সূচকে রেড জোনে বাংলাদেশ : এমসিসি 

বড়পুকুরিয়া কয়লা গায়েবে ‘দুর্নীতির সত্যতা’ পেয়েছে দুদক


প্রজন্মকণ্ঠ রিপোর্ট

আপডেট সময়: ২৪ জুলাই ২০১৮ ১:৩৩ এএম:
বড়পুকুরিয়া কয়লা গায়েবে ‘দুর্নীতির সত্যতা’ পেয়েছে দুদক

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে ১ লাখ ৪৪ হাজার টন কয়লা গায়েব হয়ে যাওয়ার ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে দুর্নীতির সত্যতা পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার বিকেলে বিড়পুকুরিয়া কয়লা খনি পরিদর্শন করে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান দিনাজপুর দুদকের উপপরিচালক মো. বেনজির আহমেদ।

বিকেল ৩টায় দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি পরিদর্শনে যান বেনজির আহমেদের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি দল। ওই দলটি প্রায় দুই ঘণ্টা খনির বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন।

খনি পরিদর্শন শেষে দিনাজপুর দুদকের উপ-পরিচালক মো. বেনজির আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘খনি কর্তৃপক্ষের কাছে কিছু তথ্য নিয়েছি আমরা এবং রেকর্ডপত্র ফটোকপি নিয়েছি। আমারা খনির কোল ইয়ার্ড (যেখানে কয়লা রাখা হয়) পরিদর্শন করেছি। বাস্তবে কোল ইয়ার্ডে ১ লাখ ৪৬ হাজার মেট্র্রিক টন কয়লা থাকার কথা। কিন্তু বাস্তবে খুব বেশি হলে দুই হাজার মেট্রিক টন কয়লা হবে। আমারা দুদকের প্রধান কার্যালয়ে রিপোর্ট করেছি। এ বিষয় দুদক পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে জবাবে দুদকের এই কর্মকর্তা বলেন, সাময়িকভাবে বরখাস্ত ও বদলিকৃত কর্মকর্তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। দুদকের প্রধান কর্যালয় থেকে একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে, তারা বিষয়টি দেখবেন।

আরেক প্রশ্নের জবাবে বেনজির আহমেদ বলেন, কোল ইয়ার্ডের হিসেব মতে, দুর্নীতির একটি বিষয় চলে এসেছে। তবে সার্বিক রেকর্ডপত্র না দেখে এই মুহূর্তে কিছুই বলা যাবে না। আমরা প্রধান কর্যালয়ের নির্দেশে প্রাথমিক তদন্তে এসেছি।

অপরদিকে বড়পুকুরিয়া তাপবিদুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবদুল হাকিম সরকার জানিয়েছেন, এক মাসের মধ্যে তাপবিদুৎ কেন্দ্রটি উৎপাদনে যেতে পারবে। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি কর্তৃপক্ষ তাদের আশ্বস্ত করেছে, এক মাসের মধ্যে কয়লা সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

কয়লার সংকটে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদুৎ কেন্দ্রের বিদুৎ উৎপাদন বন্ধের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বিদুৎ গ্রাহক পর্যায়ে। এলাকায় ইতিমধ্যে লো-ভোল্টেজ ও লোড শেডিং শুরু হয়েছে।

উল্লেখ্য, দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে উত্তোলন করে রাখা ১ লাখ ৪২ হাজার টন কয়লা গায়েব হয়ে যায়। যার বর্তমান বাজার মূল্যে ২২৭ কোটি টাকার ওপরে।

নথিপত্রের হিসাব অনুযায়ী, খনি থেকে উত্তোলন করা কয়লা যেখানে স্তূপ করে রাখা হয় সেখানে ১ লাখ ৪২ হাজার টন কয়লা মজুদ থাকার কথা ছিল। অথচ সেখানে এখন এক টন কয়লাও নেই। প্রতি টন কয়লার বর্তমান বাজার মূল্য ১৬ হাজার টাকা। সেই হিসাবে ২২৭ কোটি টাকার কয়লার কোনো হদিস নেই।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top