Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর ২০১৮ , সময়- ১১:১৬ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
#মি টু ঝড় এখন বাংলাদেশে  মুক্তি পেয়েছেন আলোকচিত্রী শহিদুল আলম নারায়ণগঞ্জে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা  আ'লীগের মনোনয়ন পেতে যাচ্ছেন বদির স্ত্রী শাহীনা ও রানার বাবা     ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাব্বানী আইসিইউতে চিকিৎসাধীন জাতীয় পার্টির ভূমিকাকে ‘অকার্যকর' বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ ইসি সচিব ও ডিএমপি কমিশনারের শাস্তি দাবি করেছে বিএনপি চলচ্চিত্র পরিচালক আমজাদ হোসেনের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী আইসিসি টেস্ট র‍্যাংকিংয়ে সেরা অবস্থানে মুশফিক-মিরাজরা জাপার ক্ষমতার সময় যে উন্নয়ন হয়েছে, তা আর কেউ করতে পারেনি : মুহম্মদ এরশাদ

ফার্নান্দো দ্বীপে ১২ বছর পর প্রথম শিশুর জন্ম


প্রজন্মকণ্ঠ রিপোর্ট

আপডেট সময়: ২৪ জুলাই ২০১৮ ২:১৮ এএম:
ফার্নান্দো দ্বীপে ১২ বছর পর প্রথম শিশুর জন্ম

ব্রাজিলের দ্বীপ ফার্নান্দো দে নরোনহাতে বারো বছর পর জন্ম হলো একটি কন্যা শিশুর। আর এ নিয়ে দ্বীপের মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। কারণ বারো বছর পর প্রথম কোনো শিশুর জন্ম হলো ওই দ্বীপে।
 
দ্বীপটিতে সন্তান প্রসব নিষিদ্ধ থাকায় এতদিন দ্বীপটির ভূখণ্ডে কোন শিশুর জন্ম হয়নি। সেখানে হঠাৎ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন ২২ বছর বয়সী এক নারী।
 
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই নারী বলেন, তিনি নিজেও জানতেনই না যে তিনি গর্ভবতী। ‘হঠাৎ খুব পেট ব্যথা করছিল। টয়লেটে যাওয়ার পর দেখি দুই পায়ের মাঝখান দিয়ে কি যেন একটা বের হচ্ছে।’ এরপর শিশুটির বাবা এসে উদ্ধার করলেন এই নারীকে। তিনি জন্ম দিয়েছেন একটি কন্যা শিশুর। এছাড়া পরিবারও জানালো গর্ভধারণ সম্পর্কে তাদের অজ্ঞতার কথা।
 
এদিকে সন্তানের জন্ম দিয়ে তিনি এক অর্থে আইন অমান্য করেছেন। তবে তা নিয়ে কর্তৃপক্ষ বা দ্বীপের বাসিন্দা কেউই ভাবছেন না। বরং সবাই তাকে সহায়তা করছেন। শিশুর জন্য দরকারি জিনিসপত্র ও কাপড় কিনে দিচ্ছেন।

প্রশ্ন হলো: দ্বীপটিতে সন্তান প্রসব নিষিদ্ধ কেন? কারণ সেখানে একটি মাত্র হাসপাতাল এবং সেখানে মায়েদের প্রজনন স্বাস্থ্য বিভাগ নেই। এছাড়া গর্ভবতীদের দ্বীপের বাইরের কোনো হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলা হয়েছে। কোনো ধরনের জটিলতা তৈরি হওয়ার ভয়ে সেখানে প্রসবের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
 
উল্লেখ্য, এই দ্বীপটি ভিন্ন একটি কারণে আগে থেকেই পরিচিত ছিল। সমৃদ্ধ প্রাকৃতিক জীব-বৈচিত্র্যের কারণে ২০০১ সাল থেকে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় রয়েছে দ্বীপটি। শহরটির বাসিন্দা মাত্র তিন হাজার।
 
এছাড়া দ্বীপটিতে রয়েছে সুন্দর সমুদ্র সৈকত, যার অনেকগুলো বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে অতুলনীয় বলে খেতাব পেয়েছে। রয়েছে ডলফিন, তিমি, বিরল পাখি আর কচ্ছপসহ আরো নানা প্রাণির সংরক্ষণ।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top