Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর ২০১৮ , সময়- ১১:১৭ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
#মি টু ঝড় এখন বাংলাদেশে  মুক্তি পেয়েছেন আলোকচিত্রী শহিদুল আলম নারায়ণগঞ্জে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা  আ'লীগের মনোনয়ন পেতে যাচ্ছেন বদির স্ত্রী শাহীনা ও রানার বাবা     ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাব্বানী আইসিইউতে চিকিৎসাধীন জাতীয় পার্টির ভূমিকাকে ‘অকার্যকর' বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ ইসি সচিব ও ডিএমপি কমিশনারের শাস্তি দাবি করেছে বিএনপি চলচ্চিত্র পরিচালক আমজাদ হোসেনের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী আইসিসি টেস্ট র‍্যাংকিংয়ে সেরা অবস্থানে মুশফিক-মিরাজরা জাপার ক্ষমতার সময় যে উন্নয়ন হয়েছে, তা আর কেউ করতে পারেনি : মুহম্মদ এরশাদ

ভারী বৃষ্টিপাতে আবারও পাহাড় ধসে প্রাণ গেল ৫ শিশুর


প্রজন্মকণ্ঠ রিপোর্ট

আপডেট সময়: ২৫ জুলাই ২০১৮ ৩:২১ পিএম:
ভারী বৃষ্টিপাতে আবারও পাহাড় ধসে প্রাণ গেল  ৫ শিশুর

টানা ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে পাহাড় ধসের ঘটনায় কক্সবাজার শহরে একই পরিবারের চার শিশু এবং রামু উপজেলায় অপর এক শিশু নিহত হয়েছে।

আজ (বুধবার) সকালে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত পাঁচ শিশু হলো- দক্ষিণ রুমালিয়ারছড়া বাঁচামিয়ার ঘোনা এলাকার মর্জিয়া আকতার, কাফিয়া আকতার, আবদুল খাইর  ও খাইরুন্নেছা । এর সবাই ভাই-বোন। অপরজন রামু উপেজলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের পানেরছড়া গ্রামের মোর্শেদ আলম (৬)।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আফরাজুল হক টুটুল জানান, শহরের দক্ষিণ রুমালিয়ারছড়া এলাকায় ওই চার শিশুর মা বাড়ির বাইরে কাজ করছিলেন। এ সময় চার শিশুই ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎ পার্শ্ববর্তী পাহাড় বাড়ির ওপর ধসে পড়ে। এতে ঘুমন্ত চার শিশু মাটির নিচে চাপা পড়ে। এ সময় মায়ের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে এবং ওই চার শিশুকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

অন্যদিকে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কক্সবাজারের ইনচার্জ শেফায়েত হোসেন বলেন, রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের পানেরছড়া গ্রামে পাহাড়ধসে মোর্শেদ আলম (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। সে এলাকার জাকির হোসেনের ছেলে।

নিহতদের স্বজন ও স্থানীয়দের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, “বাঁচামিয়ার ঘোনা এলাকায় একটি পাহাড়ের ঢালের নিচে মালয়েশিয়া প্রবাসী জামাল হোসেনের বাড়ি। ভোরে ভারী বৃষ্টির মধ্যে যখন পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটে, জামালের স্ত্রী ছেনুয়ার তখন বাড়ির সদর দরজার পাশে বসে কুরআন পড়ছিলেন। এক পর্যায়ে হঠাৎ বাড়ির পেছনের পাহাড় থেকে কাদার স্তর নেমে আসে। জামালের চার ছেলেমেয়ে তখন ঘরের ভেতরে ঘুমাচ্ছিল। ওই অবস্থাতেই তারা মাটিচাপা পড়ে। ধসের মধ্যে ছেনুয়ারা নিজেও আহত হন। কোনোক্রমে তিনি বেরিয়ে এসে চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা এগিয়ে আসে। পরে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয় এবং উদ্ধারকর্মীরা এসে মাটি সরিয়ে চার শিশুকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে।“

কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা সাফায়েত।

কক্সবাজারসহ দেশের উপকূলীয় এলাকায় গত তিন দিন ধরেই বৃষ্টি হচ্ছে। টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ের মাটি নরম হয়ে ধস নামতে পারে বলে আবহাওয়া অফিস থেকেও সতর্ক করা হচ্ছিল। কিন্তু তা সত্ত্বেও মর্মান্তিক এ ঘটনা ঘটল।

গতবছর ১১ থেকে ১৩ জুন ভারি বর্ষণের ফলে চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি ও মৌলভীবাজার জেলায় অন্তত ১৫৬ জনের মৃত্যু হয়।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top