Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ , সময়- ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
খালেদা জিয়ার চিকিৎসা বিতর্ক কেন ? বিএনপি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাত শেষে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী | প্রজন্মকণ্ঠ পছন্দের হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আবেদন খালেদা জিয়ার | প্রজন্মকণ্ঠ খালেদা জিয়া কারাগারের বাইরে থাকার সময়ও জনগণ তার ডাকে সাড়া দেয়নি : ওবায়দুল কাদের বিএনপি-জামায়াত ক্লিনহার্ট অপারেশন চালিয়ে আ'লীগের অসংখ্য নেতাকর্মীকে নির্যাতনের শিকার করেছিল : প্রধানমন্ত্রী  ধর্মমন্ত্রী ও ভূমিমন্ত্রীর  কড়া সমালোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে রিজভীর নেতৃত্বে মিছিল করেছে বিএনপি আ'লীগের প্রতিনিধিদলের উত্তরবঙ্গ সফর শুরু । প্রজন্মকণ্ঠ   বিজিবি-বিএসএফ সম্মেলন : সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার অঙ্গীকার | প্রজন্মকণ্ঠ  সেমিফাইনাল নিশ্চিত করতে মাঠে নামছে স্বাগতিক বাংলাদেশ, আগামীকাল | প্রজন্মকণ্ঠ

নির্দিষ্ট স্থানে পশু কোরবানী নিশ্চিত করতে ব্যাপক প্রস্তুতি কেসিসি'র 


নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রজন্মকণ্ঠ

আপডেট সময়: ৯ আগস্ট ২০১৮ ১১:৫৭ এএম:
নির্দিষ্ট স্থানে পশু কোরবানী নিশ্চিত করতে ব্যাপক প্রস্তুতি কেসিসি'র 

এবারও নির্দিষ্ট স্থানে পশু কোরবানী নিশ্চিত করতে ব্যাপক কার্যক্রম হাতে নিয়েছে খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি)। গতবারের মতো এবারও নগরীর ৩১টি ওয়ার্ডের ১৭২টি স্থান পশু জবাইয়ের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। কোরবানীর ঈদের দিন এইসব স্থানে গিয়ে পশু জবাই করতে হবে নগরবাসীকে। এজন্য ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো এবং কোরবানীর স্থানে সব ধরনের সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করতে নানা পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে কেসিসি। এই কাজ করতে প্রত্যেক ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে ৮০ হাজার করে টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে।

কেসিসি সূত্রে জানা গেছে, কোরবানীর ঈদের দিন যত্রতত্র পশু কোরবানী করে পরিবেশ দূষণ রোধে ২০১৬ সাল থেকে নির্দিষ্টস্থানে পশু কোরবানীর উদ্যোগে নেওয়া হয়। গত বছরও নগরীর ১৭২টি পয়েন্টে পশু কোরবানি করার উদ্যোগ নেয় কেসিসি। কিন্তু প্রচার-প্রচারণার অভাবে তা তেমন ফলপ্রসূ হয়নি। তবে সংস্থাটির দাবি, তারা ৬০ ভাগ সফল হয়েছে। এ জন্য এবার যাতে রাস্তা-ঘাটে পশু কোরবানী না করে নির্দিষ্টস্থানে করা হয় সেই লক্ষ্য নিয়েই কাজ শুরু করতে যাচ্ছে তারা। এজন্য ঈদের দিন মোবাইল কোর্ট চালানোর বিষয়টিও আলোচনায় রাখা হয়েছে।

কেসিসির সিনিয়র ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মোঃ রেজাউল করিম জানান, পশু কোরবানির জন্য ১৭২টি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিটি স্থানের ওপরে সামিয়ানা টানানো, কোরবানি দাতাদের বসার জন্য ৫০টি করে চেয়ার, পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থা, হোগলা মাদুর এবং মাংস পরিবহনের জন্য বস্তা ও প্রতিটি স্পটে ২টি করে ভ্যান থাকবে।

তিনি জানান, এই উদ্যোগ কার্যকর করার জন্য কেন্দ্রীয়ভাবে সিটি মেয়রের নেতৃত্বে একটি মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। এছাড়া ১২ সদস্য করে ১৭২টি স্থানীয় মনিটরিং কমিটি গঠন করা হবে। জনগণকে সচেতন করার জন্য প্রতিটি ওয়ার্ডে ১৬ আগস্ট থেকে মাইকিং করা হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে উদ্বুদ্ধকরণ সভা, ১০টি করে ব্যানার ও ফেস্টুন ঝোলানো হবে। বিতরণ করা হবে ১ লাখ লিফলেট। এছাড়া ক্যাবল টেলিভিশন ও স্থানীয় পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

কেসিসির পরিবেশ সুরক্ষা বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি কাউন্সিলর খুরশিদ আহমেদ বলেন, সিটি করপোরেশনের ধারণা অনুযায়ী, নগরীতে এ বছর সম্ভাব্য কোরবানি দাতার সংখ্যা ২০ হাজার। আর পশু কোরবানি হবে প্রায় ১৮ হাজার। এই হিসাবকে সামনে রেখে তারা সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছেন। ওয়ার্ড পর্যায়ের স্পট সাজানো, প্রচারণা ও অন্যান্য কাজে প্রতি ওয়ার্ডে ৮০ হাজার করে টাকা বরাদ্দ দেওয়া হবে।

সিটি মেয়র মনিরুজ্জামান মনি বলেন, নির্দিষ্টস্থানে পশু কোরবানী করতে মসজিদের ইমাম, মোয়াজ্জিম, মাংস বিক্রেতা ও গণমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হবে। সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে সহযোগিতা করলে এই কাজে সফলতা আসবে।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top