Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ , সময়- ১:১০ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
খালেদা জিয়ার চিকিৎসা বিতর্ক কেন ? বিএনপি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাত শেষে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী | প্রজন্মকণ্ঠ পছন্দের হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আবেদন খালেদা জিয়ার | প্রজন্মকণ্ঠ খালেদা জিয়া কারাগারের বাইরে থাকার সময়ও জনগণ তার ডাকে সাড়া দেয়নি : ওবায়দুল কাদের বিএনপি-জামায়াত ক্লিনহার্ট অপারেশন চালিয়ে আ'লীগের অসংখ্য নেতাকর্মীকে নির্যাতনের শিকার করেছিল : প্রধানমন্ত্রী  ধর্মমন্ত্রী ও ভূমিমন্ত্রীর  কড়া সমালোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে রিজভীর নেতৃত্বে মিছিল করেছে বিএনপি আ'লীগের প্রতিনিধিদলের উত্তরবঙ্গ সফর শুরু । প্রজন্মকণ্ঠ   বিজিবি-বিএসএফ সম্মেলন : সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার অঙ্গীকার | প্রজন্মকণ্ঠ  সেমিফাইনাল নিশ্চিত করতে মাঠে নামছে স্বাগতিক বাংলাদেশ, আগামীকাল | প্রজন্মকণ্ঠ

নোবেলজয়ী ভারতীয় বংশোদ্ভুত লেখক ভি এস নইপলের মৃত্যু


ডেস্ক রিপোর্ট

আপডেট সময়: ১৩ আগস্ট ২০১৮ ১২:৪৩ এএম:
নোবেলজয়ী ভারতীয় বংশোদ্ভুত লেখক ভি এস নইপলের মৃত্যু

২০০১ সালে তাঁকে নোবেল পুরস্কার দেওয়ার সময় সুইডিশ নোবেল কমিটি বলেছিল—নইপাল হলেন সেই নাবিক, যিনি নিজের শরীরেই তৈরি করেছিলেন নিজের দেশ, হয়ে উঠেছিলেন এক স্বতন্ত্র প্রস্বর। চলে গেলেন ভারতীয় বংশোদ্ভুত লেখক ভি এস নইপল। গত শনিবার লন্ডনে নিজের বাড়িতেই ৮৫ বছর বয়েসে মৃত্যু হল নোবেলজয়ী এই লেখকের। 

বিদ্যাধর সুরজপ্রসাদ নইপলের জন্ম ত্রিনিদাদের চাগুনাস শহরে। তবে ভারতবর্ষের সঙ্গে ছিল তাঁর নাড়ির যোগ। উনিশ শতকের শেষ দশকে নইপালের পূর্বপুরুষরা ক্রীতদাস হিসেবে ওয়েস্ট ইণ্ডিজে আসেন। নইপলের আজীবনের লেখালেখিতে বার বার ফিরে এসেছে এই ভূমিচ্যূত হওয়ার যন্ত্রণা। অক্সফোর্ডে পড়তে আসা, হঠাৎ করে স্পেনে চলে গিয়ে দেউলিয়া হয়ে যাওয়া, পরে আবার ফিরে এসে থিতু হন ব্রিটেনে ফিরে। কিন্তু সম্ভবত কখনোই তিনি মনেপ্রাণে একজন ব্রিটিশ হতে পারেন নি। বাস্তুচ্যুত হওয়ার যন্ত্রণাই তাঁর সাহিত্যের মূল বীজ। ১৯৯৪ সালে ‘নিউইয়র্ক ট্রিবিউন’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, লেখক হয় ওঠার আগে আমার এক দীর্ঘ বিষাদের ঋতু কেটেছে।

২০০১ সালে তাঁকে নোবেল পুরস্কার দেওয়ার সময় সুইডিশ নোবেল কমিটি বলেছিল—নইপাল হলেন সেই নাবিক, যিনি নিজের শরীরেই তৈরি করেছিলেন নিজের ভাষা, হয়ে উঠেছিলেন এক স্বতন্ত্র প্রস্বর।

নইপালের প্রথম উপন্যাস ‘দ্য মিস্টিক মসিওর’ (১৯৫৭) ছিল এক ব্যর্থ স্কুল মাস্টারকে নিয়ে। পরে সেই স্কুল মাস্টার হয়ে ওঠে একজন গুরু এবং ধীরে ধীরে এক নেতা। তবে নইপালকে জগৎজোড়া খ্যাতি এনে দেয় আত্মজৈবনিক উপন্যাস এ হাউস ফর মি. বিশ্বাস (১৯৬১)। এই পর্বেই লেখা হয় ভারত ভ্রমণের অভিজ্ঞতাজাত তিনটি উপন্যাসের একটি— অ্যান এরিয়া অফ ডার্কনেস (১৯৬৪)।

নইপালের মৃত্যুতে আক্ষরিকই বিশ্বজুড়ে শোকের ছায়া। সলমন রুশদি তাঁর টুইটে লিখেছেন, সারাজীবন সাহিত্য, রাজনীতি নিয়ে আমাদের মতবিরোধ ছিল। আজ মনে হচ্ছে, নিজের দাদাকে হারালাম। 


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top