Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৮ , সময়- ৮:৩০ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
আ’লীগ নেতা রেজনু ও ছাত্রদল নেতা জিলানির ফোনালাপ ফাঁস প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ইসিকে সহযোগিতার নির্দেশনা | প্রজন্মকণ্ঠ আওয়ামী লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষ ও গোলাগুলিতে চারজন নিহত | প্রজন্মকণ্ঠ ইয়াঙ্গুন উপকূলে একটি নৌকা থেকে শতাধিক রোহিঙ্গাকে গ্রেফতার  জীবনীভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র ‘হাসিনা : এ ডটার’স টেল’ দেখতে উপচেপড়া ভিড় নির্বাচন পেছানোর দাবি ও আগুন সন্ত্রাস একই সূত্রে গাঁথা :  ড. হাছান মাহমুদ  দেশকে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত করতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান : প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক দলগুলির সমান সুযোগ নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিমত | প্রজন্মকণ্ঠ বিভিন্ন পত্রিকার সম্পাদকদের সঙ্গে পরামর্শ ও সহযোগিতা চেয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট বিএনপি নেত্রী নিপুণ রায় ও রুমাকে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত

মানবতাবিরোধী অপরাধ : পটুয়াখালীর পাঁচ আসামির রায় সোমবার


নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রজন্মকণ্ঠ

আপডেট সময়: ১৩ আগস্ট ২০১৮ ১২:৫৯ এএম:
মানবতাবিরোধী অপরাধ : পটুয়াখালীর পাঁচ আসামির রায় সোমবার

মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধে পটুয়াখালীর ইসহাক সিকদারসহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধ অপরাধের মামলার রায় সোমবার দিন ঠিক করেছে আদালত।

রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ এ আদেশ দিয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধের সময় পটুয়াখালীর ইটাবাড়িয়া গ্রামে লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, অপহরণ, আটকে রেখে নির্যাতন, ১৭ জনকে হত্যা এবং অন্তত ১৫ নারীকে ধর্ষণের মত মানবতাবিরোধী অপরাধের দুটি ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে গত ৩০ মে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখে আদালত।

ইসহাক সিকদারের সঙ্গে এ মামলার অন্য চার আসামি হলো: আব্দুল গণি হাওলাদার, আব্দুল আওয়াল ওরফে মৌলভী আওয়াল, আব্দুস সাত্তার প্যাদা ও সোলায়মান মৃধা। তারা সবাই গ্রেপ্তার হয়ে বর্তমানে কারাগারে আছে।

প্রসিকিউশনের অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, পাঁচ আসামির সবাই একাত্তরে ছিলেন মুসলিম লীগ সমর্থক আর ২০১৫ সালে গ্রেপ্তার হওয়ার সময় তারা স্থানীয় বিএনপির রাজনীতিতে জড়িত ছিল।

গত বছর ৮ মার্চ অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে পটুয়াখালীর এ পাঁচ আসামির বিচার শুরু করে ট্রাইব্যুনাল।

প্রসিকিউশনের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন প্রসিকিউটর জেয়াদ অল মালুম ও রেজিয়া সুলতানা চমন। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী আব্দুস সাত্তার পালোয়ান ও সালাম খান।

প্রসিকিউশনের তদন্ত দল পটুয়াখালীতে কাজ শুরু করার পর ২০১৫ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর ট্রাইব্যুনাল এই ৫ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। ওই বছর ১ অক্টোবর তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

২০১৬ সালের ১৩ অক্টোবর এ মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন। এরপর ১৭ নভেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেয় আদালত। ২০১৭ সালের ৮ মার্চ অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় পাঁচ আসামির যুদ্ধাপরাধের বিচার।

২০১০ সালে ট্রাইব্যুনাল গঠনের মধ্য দিয়ে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরুর পর এটি হবে ৩৪তম রায়।

 


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top