Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮ , সময়- ৯:১৯ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
আয়কর মেলার শেষ দিন আজ দুর্নীতিসহ ১১ সূচকে রেড জোনে বাংলাদেশ : এমসিসি  চিকিৎসা বিষয়ে খালেদা জিয়ার রিটের আদেশ আজ  নাজমুল হুদাকে ৪৫ দিনের মধ্যে আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ  নির্বাচনকালীন সম্ভাব্য নাশকতা মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার  একজন শিশুকে পিইসি পরীক্ষার জন্য যেভাবে পরিশ্রম করতে হয়, সত্যিই অমানবিক : সমাজকল্যাণমন্ত্রী নির্বাচনকে সামনে রেখে আদর্শগত নয়, কৌশলগত জোট করছে আওয়ামী লীগ : সাধারণ সম্পাদক থার্টিফার্স্ট উদযাপন নিষিদ্ধ : স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের স্বার্থে পেশাদারিত্ব বজায় রাখবে সেনাবাহিনী  মহাজোটের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে যাওয়ার শিগগিরই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসছে 

কুড়িগ্রামে ভারতীয় গরু আমদানি কম, বেড়েছে দেশি গরুর চাহিদা


নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রজন্মকণ্ঠ

আপডেট সময়: ১৬ আগস্ট ২০১৮ ১০:১৯ এএম:
কুড়িগ্রামে ভারতীয় গরু আমদানি কম, বেড়েছে দেশি গরুর চাহিদা

কুড়িগ্রামের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে এবার ভারতীয় গরু কম আসছে। গত বছর এ সময়ে ভারত থেকে যে পরিমাণ গরু এসেছিল এবার তার তিন ভাগের এক ভাগেরও কম এসেছে, আর দামও বেশি। এতে বেড়ে গেছে দেশি গরুর চাহিদা। ফলে কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ৩৭ হাজারের মতো গরু হৃষ্টপুষ্টকারি সাড়ে ১৭ হাজার খামারি এবং কৃষক ভালো দাম পাওয়ার আশা করছেন।

২ বছর আগেও কুড়িগ্রামের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে প্রতিদিন শত-শত গরু আসতো। বিশেষ করে কোরবানির পশুর হাটগুলো ছিল ভারতীয় গরুর দখলে। দেশের বিভিন্ন এলাকার পাইকাররা ভারতীয় গরু কিনতে ভিড় করতেন এসব হাটে। 

২০১৬ সালের জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত ৩৭ হাজার গরু ভারত থেকে আসে। এরপর বিএসএফ এবং বিজিবি উভয় পক্ষের টহল ও নজরদারি বাড়ায় গত বছর জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত সময়ে গরু আসার সংখ্যা কমে দাঁড়ায়  প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার। তবে এবার চিত্রটা একেবারেই পাল্টে গেছে। গত জুন, জুলাই এবং আগস্ট মাসের এ পর্যন্ত মাত্র ৪ হাজার গরু এসেছে। দামও বেশি। ফলে দেশি গরুর চাহিদা বেড়ে গেছে। তাই গরু হৃষ্টপুষ্টকারি খামারিরা এবার ভালো দাম পাবেন বলে আশা করছেন। 

এক সময়ে ভারতীয় গরুর হাট হিসেবে বিখ্যাত ছিল সদর উপজেলার যাত্রাপুর হাট। এখন এ হাটে দেশি গরু কেনাবেচা হচ্ছে বেশি। পাইকাররাও দেশি গরু কেনাবেচায় আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। এতে দেশি গরু পালনকারীরা দারুণ খুশি।

অন্যদিকে কুড়িগ্রাম সদরের ইজারাদারের প্রতিনিধি সেলিম হোসেন সেলু জানান, দেশি গরু কেনা-বেচাকে কেন্দ্র করে হাট ক্রমেই জমে উঠছে। জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তার দাবি, নিবিড় পর্যবেক্ষণের ফলে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহার করেননি এখানকার খামারিরা।

কুড়িগ্রামের জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোঃ আব্দুল হাই সরকার বলেন, জেলার খামারিরা যে পরিমাণ গরু মোটাতাজাকরণ করেছেন তা এলাকার জন্য যথেষ্ট। আমরা সবকিছু নজরদারির মধ্যে রেখেছি, কোনো রাসায়নিক কিংবা স্টেরয়েড ব্যবহার করতে দেয়া হয়নি।

কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে জেলায় এবার ৩৪ হাজার ষাঁড়, ৩ হাজার বলদ, ১৭ হাজার ছাগল এবং সাড়ে ৯ হাজার ভেড়া পালন করেছেন কৃষক এবং খামারিরা।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top