Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ , সময়- ৯:২০ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
খালেদা জিয়ার চিকিৎসা বিতর্ক কেন ? বিএনপি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাত শেষে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী | প্রজন্মকণ্ঠ পছন্দের হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আবেদন খালেদা জিয়ার | প্রজন্মকণ্ঠ খালেদা জিয়া কারাগারের বাইরে থাকার সময়ও জনগণ তার ডাকে সাড়া দেয়নি : ওবায়দুল কাদের বিএনপি-জামায়াত ক্লিনহার্ট অপারেশন চালিয়ে আ'লীগের অসংখ্য নেতাকর্মীকে নির্যাতনের শিকার করেছিল : প্রধানমন্ত্রী  ধর্মমন্ত্রী ও ভূমিমন্ত্রীর  কড়া সমালোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে রিজভীর নেতৃত্বে মিছিল করেছে বিএনপি আ'লীগের প্রতিনিধিদলের উত্তরবঙ্গ সফর শুরু । প্রজন্মকণ্ঠ   বিজিবি-বিএসএফ সম্মেলন : সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার অঙ্গীকার | প্রজন্মকণ্ঠ  সেমিফাইনাল নিশ্চিত করতে মাঠে নামছে স্বাগতিক বাংলাদেশ, আগামীকাল | প্রজন্মকণ্ঠ

কম নম্বর পাওয়ায় পরীক্ষার্থীর হাত ভেঙে দিলেন শিক্ষিকা 


অনলাইন ডেস্ক

আপডেট সময়: ৩১ আগস্ট ২০১৮ ৯:০৭ পিএম:
কম নম্বর পাওয়ায় পরীক্ষার্থীর হাত ভেঙে দিলেন শিক্ষিকা 

এসএসসি পরীক্ষার্থী লুনা ইসরাত। ক্লাস পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের মধ্যে পেয়েছিলেন মাত্র ৭ নম্বর। আর এতেই ক্ষিপ্ত হন শিক্ষিকা মুক্তা রানী দাস। মোচড় দিয়ে ভেঙে দেন লুনার হাত। এছাড়াও আরো কয়েকজন শিক্ষার্থীকে বেত দিয়ে পিটিয়ে জখম করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে গত বৃহস্পতিবার টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের বাঁশতৈল মো. মনশুর আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে। এ ঘটনায় শনিবার সকালে বিদ্যালয়ে এক জরুরি সভা ডাকা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ইমরান হোসেন।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বাঁশতৈল নয়াপাড়া গ্রামের মৃত দুলাল মিয়ার মেয়ে লুনা ইসরাত দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। সে আগামী এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। লুনাসহ ক্লাসের কয়েকজন শিক্ষার্থী ক্লাস পরীক্ষায় বাংলা দ্বিতীয় পত্রে কম নম্বর পায়। এতে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মুক্তা রানী দাস নম্বর কম পাওয়ায় বৃহস্পতিবার ক্লাসে গিয়ে শিক্ষার্থীদের বেত দিয়ে পেটাতে থাকেন। একপর্যায় লুনা শিক্ষিকার বেত ধরে ফেলে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই শিক্ষিকা লুনার হাত ধরে মোচড় দিলে লুনা আহত হয়। পরে লুনাকে হাসপাতালে নেয়া হলে এক্সরে করে জানা যায় লুনার হাতের চিকন হাঁড় ফেটে গেছে। পরে চিকিৎসক তার হাতে প্লাস্টার করে দেন।

শিক্ষিকা মুক্তা রানী রবি দাসের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে মুঠোফোনে মুক্তার স্বামী কমল চন্দ্র দাস বলেন, পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের মধ্যে লুনা ৭ নম্বর পাওয়ায় মুক্তা ক্লাস রুমে তাকে শাসন করছিলেন। এসময় লুনা বেত ধরে ফেলায় হাত ধরে টান দিতেই লুনা হাতে ব্যথা পায়। চিকিৎসক লুনার হাতে তিনি প্লাস্টার করে দিয়েছেন। ২/৩ দিনের মধ্যেই সে সুস্থ হয়ে উঠবেন বলে ডাক্তার তাদের জানিয়েছেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. এমরান হোসেন বলেন, বিষয়টি জানতে পেরে লুনা ইসরাতকে চিকিৎসার জন্য শিক্ষকদের দিয়ে হাসপাতালে পাঠান। এ বিষয়ে শনিবার সকালে বিদ্যালয়ে জরুরি সভা ডাকা হয়েছে।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top