Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮ , সময়- ২:৩১ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
বিএনপির সাথে জামায়াতের সংশ্লিষ্টতা নিয়ে এখন নিরব জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট !  রাজশাহীর হরিপুরে যাত্রীবাহী বাস উল্টে নিহত ১, আহত অন্তত ১০ জন পুলিশের ওপর আক্রমণ ছিল পূর্ব পরিকল্পিত : ডিএমপি কমিশনার নির্ধারিত সময়েই পৌঁছাবে বিনামূল্যের বই | প্রজন্মকণ্ঠ রোহিঙ্গাদের জোর করে মিয়ানমারে ফেরত পাঠাবে না বাংলাদেশ | প্রজন্মকণ্ঠ কীভাবে চেনা যাবে FAKE NEWS,  ঠেকানোর উপায় কী  কুড়িগ্রামে লাখো মুসল্লির অংশগ্রহণে তাবলীগের জেলা ইজতেমা চলছে  জামায়াত-বিএনপি একই মায়ের দুই সন্তান, ব্যারিস্টার ফারহানার বক্তব্য ভাইরাল ডকুফিল্ম ‘হাসিনা : অ্যা ডটারস টেল’ মুক্তি পাচ্ছে আজ লাভজনক পদ নিয়ে বিতর্ক | প্রজন্মকণ্ঠ

৫০ লাখ পরিবারের মাঝে ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি শুরু শনিবার


অনলাইন ডেস্ক

আপডেট সময়: ৩১ আগস্ট ২০১৮ ৯:৫৬ পিএম:
৫০ লাখ পরিবারের মাঝে ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি শুরু শনিবার

শনিবার (১ সেপ্টেম্বর) থেকে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ৫০ লাখ পরিবারের মাঝে ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি শুরু হচ্ছে।

খাদ্যমন্ত্রী মো. কামরুল ইসলাম বলেন, প্রতি মাসে পরিবারপ্রতি ৩০ কেজি করে মোট ৫০ লাখ পরিবারকে এ কর্মসূচির আওতায় চাল দেয়া হবে। এতে করে পরিবারপ্রতি পাঁচজন হিসেবে প্রায় আড়াই কোটি মানুষ বছরে পাঁচ মাস এই সুবিধা পাচ্ছেন।

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় নিরন্ন মানুষের জন্য ২০১৬ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই কর্মসূচি উদ্বোধন করেন। নীতিমালা অনুযায়ী প্রতি বছর মার্চ ও এপ্রিল এবং সেপ্টেম্বর-অক্টোবর ও নভেম্বর এই ৫ মাস ৫০ লাখ হতদরিদ্র পরিবারকে ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি করা হয়।

বর্তমানে দেশে ২৮ আগস্ট পর্যন্ত ১৫.৮৪ লাখ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য মজুদ রয়েছে। এর মধ্যে চাল ১৩.৩৪ লাখ মেট্রিক টন ও গম ২.৫০ লাখ মেট্রিক টন। সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বর- এই তিন মাসে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ মেট্রিক টন চাল ১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হবে।

কামরুল ইসলাম বলেন, ইতিমধ্যে চাল বিক্রির জন্য উপকারভোগীর ৫০ লাখ কার্ড প্রদান করা হয়েছে। কার্ডধারী ব্যক্তিদের মধ্যে প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চাল বিক্রি করা হবে। দেশের ৬৪ জেলার ৫০ লাখ দরিদ্র মানুষ বছরে পাঁচ মাসের জন্য এ কর্মসূচির সুফল পেয়ে আসছেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে একটি কমিটি রয়েছে। কমিটিতে জনপ্রতিনিধিরাও রয়েছেন। তারাই হতদরিদ্র পরিবারের সংখ্যা ঠিক করে তাদের কার্ড প্রদান করেছেন। কার্ডধারীরা নীতিমালা অনুযায়ী চাল পেয়ে থাকেন।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top