Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮ , সময়- ৬:১০ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
আওয়ামী লীগের দুইপক্ষের সংঘর্ষ : গুলিতে এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত জরিপে শেখ হাসিনা জনপ্রিয়তার তুঙ্গে, বিজয় আওয়ামী লীগেরই হবে : ওবায়দুল কাদের অনলাইনেও মনোনয়নপত্র দাখিল করা যাবে, জেনে নিন কিভাবে  বিএনপির সাথে জামায়াতের সংশ্লিষ্টতা নিয়ে এখন নিরব জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট !  রাজশাহীর হরিপুরে যাত্রীবাহী বাস উল্টে নিহত ১, আহত অন্তত ১০ জন পুলিশের ওপর আক্রমণ ছিল পূর্ব পরিকল্পিত : ডিএমপি কমিশনার নির্ধারিত সময়েই পৌঁছাবে বিনামূল্যের বই | প্রজন্মকণ্ঠ রোহিঙ্গাদের জোর করে মিয়ানমারে ফেরত পাঠাবে না বাংলাদেশ | প্রজন্মকণ্ঠ কীভাবে চেনা যাবে FAKE NEWS,  ঠেকানোর উপায় কী  কুড়িগ্রামে লাখো মুসল্লির অংশগ্রহণে তাবলীগের জেলা ইজতেমা চলছে 

ঈদ আনন্দের না কি বেদনার ! 


মোজাম্মেল হক নিয়োগী

আপডেট সময়: ২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১২:৫০ পিএম:
ঈদ আনন্দের না কি বেদনার ! 

ফেসবুক স্ট্যাটাস : প্রতি বছর ঈদের সময় সড়ক দুর্ঘটনায় শত শত মানুষ মারা যায়। আর আহত হয় হাজার হাজার মানুষ। যারা মরে যায় তারা বেঁচে যায়। এদেশে মনে হয় মরে যাওয়ার চেয়ে ‘সুন্দর বেঁচে যাওয়া’ আর কিছু নেই। আর যারা আহত হয় তারা সারা জীবনে বাঁধে কষ্টের সাতকাহন। তাদের কান্না থাকে আমৃত্যু। এই বেঁচে থাকা কতটা দুর্বিষহ কেবল ভুক্তভোগীরাই বলতে পারবে। 
কেন এমন হয়? কী এর প্রতিরোধ?

ঈদের সময় অতিরিক্ত ভাড়া বা উপার্জনের জন্য চালকদের নির্ধারিত কোনো সিডিউল থাকে না। দিন রাত গাড়ি চালায়। অবসাদগ্রস্ততা, অনিদ্রা, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের জন্য মালিক পক্ষের চাপ, অতিরিক্ত ট্র্যাফিক জ্যাম সড়কে শুরু হয় মৃত্যুর মিছিল। মানুষ আনন্দ উপভোগ করতে নাড়ির টানে বাড়িতে যাওয়ার পথে লাশ হয়ে যায়। আনন্দগুলো কষ্টে নীল হয়ে যায়। কিন্তু আর কত কাল?

রাষ্ট্রের কি কোনে দায় নেই? একই সঙ্গে ঢাকাকেন্দ্রিক জীবনের কি অবসান হওয়া উচিত নয়? ঢাকাকে সম্প্রসারণ করার বড় বড় প্রকল্প রূপরেখা হচ্ছে। ঢাকার কার্যক্রমকে বিকেন্দ্রিক করার জন্য রাষ্ট্রের কী চিন্তা? এতো জনসংখ্যার ভার এই শহর কতটা বহন করতে পারছে? যে হারে জনসংখ্যা বাড়ছে তাতে এই শহর কতটা ভার বহন করতে পারবে? ভার বহন করতে করতে মানুষেরা কি ভাঁড়ে পরিণত হচ্ছে কি না? 
বর্তমানে অনেক নাগরিক সুবিধা গ্রামেও পাওয়া যাচ্ছে। এরপরও ঢাকায় ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপে নাগরিক জীবন অসহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। 
সুবিধাজনক ট্রেনের ব্যবস্থা থাকলে অনেক মানুষ ঢাকার অদূরের বিভিন্ন এলাকা থেকে অফিস করতে পারত; যেমনটি কলকাতায় দেখায় যায়। ময়মনসিংহ, ভৈরব, নরসিংদি, ভালুকা, গফরগাঁও, জয়দেবপুর ইত্যাদি এলাকা থেকে সকালে বিকেলে শুধু অফিস যাত্রীদের জন্য বিশেষ ট্রেনের সুবিধা থাকলে ঢাকার ওপর চাপ কমতে পারত বলে মনে হয়। নিষ্ঠুর সিন্ডিকেটের কাছে পরিবহন সেক্টর বন্দি, যাদের হাতে রাজনীতিরও পাশা খেলার গুটি। কীভাবে পরিবর্তন আসবে? 

গ্রামেগঞ্জের অযুত-নিযুত বেকাররা এখন ট্যাক্সি, লেগুনা, টমটম ইত্যাদি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছে। তারাও স্থানীয় সিন্ডিকেটের হাতে বন্দি। স্থানীয় প্রযুক্তির যানবাহনের কোনো নীতিমালাও নেই। আমরা সবাই রাজা, আমাদের এই রাজার রাজত্বে। 

মানুষের অকালে মৃত্যু আর পঙ্গুত্ব বরণের পথকে রোধ করার জন্য আগামী দিনে পরিবহন সেক্টরকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া কি কর্তব্য নয়?

ফেসবুক স্ট্যাটাস লিঙ্ক 


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top