Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮ , সময়- ৮:৫৫ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
জোটের শরিকরা আনুমানিক ৬৫ থেকে ৭০ আসন পেতে পারে : ওবায়দুল কাদের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মনোনয়নে ‘চুলচেরা বিশ্লেষণ’ করছে আওয়ামী লীগ  আ'লীগে নিবন্ধিত দলের সংখ্যা ৮,  বিএনপি জোটে ১১   আসন্ন বিশ্ব ইজতেমা স্থগিত | প্রজন্মকণ্ঠ এ পর্যন্ত ১১টি টেস্ট জিতেছে বাংলাদেশ  আতঙ্কিত ও ক্ষুব্ধ রোহিঙ্গারা, প্রত্যাবাসন স্থগিত  ক্ষমা চাইতে ফখরুলকে ছাত্রলীগের ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিলো ছাত্রলীগ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচালের যড়যন্ত্র সফল হবে না : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৩০ ডিসেম্বরই নির্বাচন, পেছানোর সুযোগ নেই : নির্বাচন কমিশন সচিব প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামী রবিবার

জাতীয় নির্বাচন নিয়ে বিএনপির শর্ত : আওয়ামী লীগের প্রতিক্রিয়া


প্রজন্মকণ্ঠ অনলাইন রিপোর্ট

আপডেট সময়: ২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ৫:২৯ পিএম:
জাতীয় নির্বাচন নিয়ে বিএনপির শর্ত : আওয়ামী লীগের প্রতিক্রিয়া

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কারামুক্তি ও নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার আগে শেখ হাসিনার সরকারের পদত্যাগ ছাড়া আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ না নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে প্রধান বিরোধীদল বিএনপি।

বিএনপি’র ৪০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার বিকেলে রাজধানীতে  দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এক জনসভায় দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ ঘোষণা দেন।

মির্জা ফখরুল বলেছেন, “আমাদের শেষ কথা- অবিলম্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে, সকল রাজবন্দির মুক্তি দিতে হবে এবং তফসিল ঘোষণার আগেই সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। জাতীয় সংসদ ভেঙে দিতে হবে। নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করতে হবে এবং নির্বাচনের সময়ে সামরিক বাহিনীকে দায়িত্ব দিতে হবে।”

নবগঠিত যুক্তফ্রন্টের জাতীয় ঐক্যের প্রতি ইঙ্গিত করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “আমরা স্বাগত জানাই যারা আজকে ঐক্য করছেন। আমরা তাদের আহ্বান জানাই, আসুন আরো বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলি; এই দুঃশাসনকে, এই স্বৈরাচারকে যারা আমাদের বুকের ওপর বসে আছে তাদেরকে পরাজিত করি।”

সমাবেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, “সরকার দেশনেত্রীর মুক্তি আটকিয়ে রেখেছে। আইনি প্রক্রিয়ায় তার মুক্তি সম্ভবপর নয়। একমাত্র পথ হচ্ছে রাজপথ। এজন্য আমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে। আমাদের আন্দোলন হবে আমাদের নেত্রীর মুক্তির জন্য, সংসদ ভেঙে দেওয়ার জন্য, একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনে জন্য।”

ওদিকে, আওয়ামী লীগ নেতারা বলেছেন, বিএনপি এবং এক-এগারোর কুশীলবরা নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে। বিএনপি একটি ব্যর্থ বিরোধী দল। তারা গত দশ বছরে অনেক আন্দোলনের ডাক দিয়েছে, কিন্তু একটি দিনও সরকারের ওপর তেমন চাপ সৃষ্টি করতে পারেনি। এদিকে, ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে মাঠে থাকার ঘোষণা দিয়েছে ১৪ দল।

এ প্রসঙ্গে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সদস্য সচিব আবম মোস্তফা আমিন বলেন, যে যেমন করেই বলুক না কেন, নির্বাচন হতে হবে। সে নির্বাচনটি কবে হবে, কার আধীনে হবে, সুষ্ঠু হবে না বিতর্কিত হবে- সেটা এখন দেখার বিষয়।

শনিবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর কার্যালয়ে ১৪ দলের সভায় সরকারী জোটের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, সংবিধানের অধীনে নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ডিসেম্বরে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি আন্তরিকভাবেই আশা করেন সব দল এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক। নির্বাচন প্রতিহত করার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধ সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে নাসিম বলেছেন, ১৪ দল আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে মাঠে নামবে।

পর্যায়ক্রমে সারা বাংলাদেশের বিভাগীয় শহরে সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত জানিয়ে মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবর আমাদের এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। নির্বাচন শিডিউল ঘোষণা হওয়ার পর আমরা যার যার মতো নির্বাচনী কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ব। প্রধানমন্ত্রী যাকে যাকে মনোনয়ন দেবেন, তাদের পক্ষেই আমরা ১৪ দল কাজ করব।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top