Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, বুধবার, ১৬ জানুয়ারী ২০১৯ , সময়- ১০:০৬ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা হলেন সালমান আরেকটি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা : কারণ এবং প্রতিকার কী ? পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর ভারত প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেলেন জয়  ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু ৫ আমি কখনও সংলাপের কথা বলিনি : ওবায়দুল কাদের কাদের'কে স্টেডিয়ামে প্রকাশ্যে মাফ চাওয়ার আহ্বান  বাংলাদেশে তথ্য প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী জাপান সংরক্ষিত নারী আসনে আ'লীগের মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু  পদ্মা সেতুর পাশেই হবে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

ডিমের খোলস থেকে উপার্জন | প্রজন্মকণ্ঠ


প্রজন্মকণ্ঠ অনলাইন রিপোর্ট

আপডেট সময়: ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ২:০৬ পিএম:
ডিমের খোলস থেকে উপার্জন | প্রজন্মকণ্ঠ

খাদ্য হিসেবে ডিমের উপকারিতা সম্পর্কে নানা চর্চা হলেও ডিমের খোসা নিয়ে তেমন মাতামাতি হয় না৷ ইউরোপে এক গবেষণা প্রকল্পের আওতায় পরিবেশ রক্ষা করে ডিমের খোসা থেকে আর্থিক সুবিধা আদায়ের চেষ্টা চলছে৷

প্রতি বছর প্রায় দেড় কোটি ডিম পাস্তা, কেক-রুটির মতো বিভিন্ন খাদ্যে রূপান্তরিত হয়৷ ফলে প্রতিদিন বর্জ্য হিসেবে প্রচুর ডিমের খোসা জমা হয়৷ সেই খোসা থেকে অব্যাহতি পাওয়া সহজ নয়৷ ইকোমোটিভ কেএফটি-র প্রধান টাস ওর্বান বলেন, ‘‘ডিমের মেমব্রেনের প্রোটিন সহজে পচে গিয়ে টক্সিক হয়ে যায় বলে ডিমের খোসাকে শিল্পক্ষেত্রের বিপজ্জনক বর্জ্য হিসেবে গণ্য করা হয়৷''

মেমব্রেন বা ঝিল্লির মধ্যে কোলাজ ও অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে৷ ডিম প্রক্রিয়াজাত করার কারখানাগুলি সেগুলি প্রসাধন ও খাদ্যশিল্পের কাছে বিক্রি করতে পারে৷ এক ইউরোপীয় গবেষণা প্রকল্পের আওতায় বিজ্ঞানীরা সেই লক্ষ্যে এক প্রোটোটাইপ তৈরি করেছেন, যেটি ডিমের খোসা থেকে মেমব্রেন আলাদা করতে পারে৷ তারপর সেই মেমব্রেন শুকিয়ে জীবাণুমুক্ত করতে হয়৷ শিল্পক্ষেত্রের রসায়নবিদ এনরিকো ইম্পেরি বলেন, ‘‘আমরা অতি বেগুনি রশ্মি ব্যবহার করি, যা ব্যাকটেরিয়ার ভিতরে ঢুকে তার ডিএনএ পরিবর্তন করতে পারে৷ সেটি তখন ব্যাকটেরিয়াকে নিষ্ক্রিয় করে তার বংশবৃদ্ধি বন্ধ করে৷''

প্রোটোটাইপ তৈরি হয়ে গেছে এবং গবেষকরা ডিম প্রক্রিয়াজাত কোম্পানিগুলিকে দেখিয়ে দিয়েছেন, কীভাবে বর্জ্যকে দামি পণ্যে রূপান্তরিত করা সম্ভব৷ বিজ্ঞানীরা তাই এবার ভবিষ্যতের কথা ভাবছেন৷ প্রকল্পের সমন্বয়কারী মেলিন্ডা কোজাক বলেন, ‘‘এর পরের ধাপে গোটা প্রণালীকে স্বয়ংক্রিয় করে তুলতে হবে৷ প্রক্রিয়াজাত করার প্রক্রিয়াকে তার ক্ষমতা ও প্রয়োজন অনুযায়ী সাজানোই আমাদের লক্ষ্য৷ ঘণ্টায় ১০০ থেকে ১,০০০ কিলো ডিমের খোসা নিয়ে কাজ করা সম্ভব৷''

টাস ওর্বান এ বিষয়ে বলেন, ‘‘আমরা যদি শিল্পক্ষেত্রের উপযোগী করে মেমব্রেন আলাদা করার প্রক্রিয়া গড়ে তুলি, তখন আমাদের মতো ডিম প্রক্রিয়াজাত কোম্পানি উপজাত পণ্য থেকেও মুনাফা করতে পারবে৷ আগে তা খরচের কারণ ছিল৷''

তিন থেকে চার বছরের মধ্যে বাজারের জন্য উপযোগী পণ্য তৈরি হয়ে যাবে বলে গবেষকরা আশা করছেন৷ এর ফলে প্রতিযোগিতার বাজারে ইউরোপের মুরগি পালন শিল্প আরো শক্তিশালী হয়ে উঠবে বলে তাঁদের ধারণা৷


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top