Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, রবিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৮ , সময়- ৪:৩১ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
মহাজোটের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে যাওয়ার শিগগিরই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসছে  প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা শুরু আজ  ভোট পর্যবেক্ষণের জন্য আবেদন শেষ তারিখ ২১ নভেম্বর  আ'লীগ যত রকম ১০ নম্বরি করার করুক, ভোট দেবো, ভোটে থাকব : ড. কামাল হোসেন মহাজোটের আসন বণ্টনের আলোচনা চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর নিকট চিঠি   ভাসানীর আদর্শকে ধারণ করে দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান  তরুণ ভোটারদের প্রাধান্য দিয়ে প্রণয়ন করা হচ্ছে আ'লীগের ইশতেহার  মওলানা ভাসানীর ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ  বিশ্ব ইজতেমা স্থগিত করা হয়নি  দাবানলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৪, নিখোঁজ সহস্রাধিক

দলের মনোনীত চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার হাতে । প্রজন্মকণ্ঠ 


প্রজন্মকণ্ঠ অনলাইন রিপোর্ট

আপডেট সময়: ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১১:১১ পিএম:
দলের মনোনীত চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার হাতে । প্রজন্মকণ্ঠ 

অক্টোবরে তফসিলের আগেই দলে ‘ফাইনাল টাচ’ দিয়ে সাংগঠনিক প্রস্তুতি শেষ করবে তারা। তফসিলের পর শুরু হবে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী কর্মযজ্ঞ। তার প্রস্তুতি এ সময়ের মধ্যে শেষ করে রাখা হবে। ইতোমধ্যে, আড়াই কোটি তরুণ ভোটারকে টার্গেট করে দলের নির্বাচনী ইশতেহার তৈরি শেষের পথে। দল মনোনীত চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার হাতে। 

বিগত সময়ে ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮ সালের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনগুলোতে যেসব আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা ভালো ফলাফল করেছিলেন সেসব আসনে বেশি মনোযোগ দিবে ক্ষমতাসীনরা। 

আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোটবদ্ধ হবে জাতীয় পার্টি। গতকাল এ দলের প্রেসিডিয়াম এবং সংসদ সদস্যদের যৌথসভায় এখন থেকেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ঢাকা-১৭ সংসদীয় আসনে গণসংযোগ করবেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। বর্তমান সংসদে ১৪ দলের যেসব সংসদ সদস্য আছেন তারাও নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগ শুরু করে দিয়েছেন।

আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের বেশক’জন নেতা দলের নির্বাচনের প্রস্তুতির বিষয়ে এ প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা বলেন। তারা বলেন, তফসিলের আগেই দলের সাংগঠনিক কাজ শেষ করা হবে। দলকে নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত করা হবে। এ সময়ের মধ্যে, নির্বাচনে ‘মাস্টার’ পোলিং এজেন্টদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সম্পন্ন হবে সারাদেশে কেন্দ্রভিত্তিক দলীয় কমিটি গঠন। তফসিলের পর মাস্টার পোলিং এজেন্টরা সারাদেশের অন্যান্য এজেন্টদের প্রশিক্ষণ দেবেন।

নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগের চূড়ান্ত সাংগঠনিক প্রস্তুতির কাজ শুরু হচ্ছে। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর দলের সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে একটি টিম উত্তরবঙ্গে নির্বাচনী সফরে যাচ্ছে। এর একদিন আগে আরেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ যাচ্ছেন যশোর-কুষ্টিয়ায়। আগামীকাল শুক্রবার সারাদেশের জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের গণভবনে ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী। জাতির পিতার রাজনৈতিক জীবনের কিছু গোপন নথি নিয়ে একটি বইয়ের প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠান হলেও, জেলার নেতাদের প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন নির্বাচনী গাইডলাইন দিবেন। এছাড়া আগামী সপ্তাহের মধ্যে দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির বৈঠক করে নির্বাচনী কার্যক্রম চূড়ান্ত করা হবে। তফসিলের আগে চলতে থাকবে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে নির্বাচনী বর্ধিত সভা, জেলা নেতাদের সম্মেলন।

দলের দ্বন্দ্ব-কোন্দল নিরসনের পাশাপাশি নির্বাচনী প্রস্তুতির কার্যক্রমও সময় সাপেক্ষে এ মাসেই উদ্বোধন করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। পোলিং এজেন্ট প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে এসব কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

দ্রুতই নির্বাচন পরিচালনা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান এবং দলের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এইচ টি ইমাম বলেন, এ বৈঠকে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সব বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। অক্টোবরের মধ্যেই সারা দেশে কেন্দ্রভিত্তিক কমিটি গঠনের কাজ শেষ করতে চূড়ান্ত নির্দেশনা দেওয়া হবে। বৈঠকে আরপিও সংশোধন এবং ইভিএম নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি দলের প্রচার উপ-কমিটিকে নির্বাচনী প্রচারণার কৌশল, মাধ্যম, বার্তা নির্ধারণের চূড়ান্ত নির্দেশ দেওয়া হবে। প্রচারণায় কী কী বিষয় থাকবে, কী কী বিষয় গুরুত্ব পাবে সে সম্পর্কে একটি গাইডলাইন দেওয়া হবে প্রচার উপ-কমিটিকে। তবে, ডিজিটাল প্রচারণাকে গুরুত্ব দিয়ে কৌশল নির্ধারণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। 

ইশতেহার প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার প্রস্তুতি শেষ পর্যায়। দলটির এবারের ইশতেহারে ২০৪১ সালকে সামনে রেখে আধুনিক শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং প্রশাসন ও সেবাখাতের বিকেন্দ্রিকরণকে সবচেয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। 

দলটির ইশতেহার প্রস্তুতির দায়িত্বে থাকা এইচ টি ইমাম জানান, এবারও ২০০৮ সালের দিনবদলের সনদের মতো বিভিন্ন চমক থাকছে ইশতেহারে। বিশেষ করে চাকরির পাশাপাশি যুবকদের উদ্যোক্তা বানিয়ে কীভাবে দ্রুত প্রবৃদ্ধির হার দুই অঙ্কে নেওয়া যায় সে রূপরেখা থাকবে সেখানে। আমাদের ইশতিহারে সেটিই বেশি থাকবে যা আমরা ২০৪১ সালে করতে চাই। আধুনিক ও প্রযুক্তি শিক্ষার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হবে। আমরা চাই তরুণদের মধ্যে উদ্যোক্তা গড়ে উঠুক। এসব কীভাবে বাস্তবায়ন করা যায় আমরা তা-ই ইশতিহারে উপস্থাপনা করব। তিনি বলেন, ভারতে যেমন প্রবৃদ্ধির হার ৮ ছাড়িয়ে গেছে, আমাদের তার চেয়ে অনেক বেশি যেতে হবে। আমাদের ডাবল ডিজিটে যেতে হবে। 

ইশতেহারে বাংলাদেশের আগামী ১০০ বছরের একটি আলাদা কর্মপরিকল্পনাও থাকবে বলে সর্বশেষ সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী নিজেই ইঙ্গিত দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম বলেন, আমাদের শুধু ২০৪১-এ থেমে থাকছে না। ১০০ বছর পর বাংলাদেশের ব-দ্বীপ অঞ্চল যাতে টিকে থাকে, সেজন্য নতুন পরিকল্পনা করা হচ্ছে। 

আওয়ামী লীগের টার্গেট ২০০ আসন : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২০০ আসনে বিজয়ের টার্গেট করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। সব দলের অংশগ্রহণে সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ দুইশ আসনে বিজয়ী হবে বলে আত্মপ্রত্যয়ী।
 
নানা সংস্থার মাধ্যমে কয়েক দফা জরিপের কাজ শেষ করে আসনের জনপ্রিয় প্রার্থীদের তালিকা দলীয় সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চূড়ান্ত করেছেন। যেসব আসনে দলীয় প্রার্থী বদল হবে তাদের  চলতি মাসের মাঝামাঝি থেকেই গ্রিন সিগন্যাল দেওয়া হবে। অক্টোবরে চূড়ান্তভাবে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হবে। 

সূত্র জানায়, বিগত ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮-এর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ জাতীয় নির্বাচনের ফলাফলকেই আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকরা গুরুত্ব দিয়েছেন। এই চারটি জাতীয় নির্বাচনে যেসব আসন থেকে অন্তত দুবার আওয়ামী লীগের জয় হয়েছে, ধরে নেওয়া হচ্ছে এসব আসনে আওয়ামী লীগের বড় ভোটব্যাংক রয়েছে। আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকেরা মনে করছেন, এসব আসনে জনপ্রিয় যোগ্য প্রার্থী দিলে আসনগুলো জয়লাভ করা সহজ হবে। নিরপেক্ষ ভোটের আয়োজন করেও ২০০ আসন পাওয়া সম্ভব। 

সূত্র জানায়, বিএনপি নির্বাচনে এলে জাতীয় পার্টিকে সর্বোচ্চ আসন ছাড়তে পারে। তবে নিজ দলের জন্য নির্ধারিত ২৩০ আসনের কোনো আসনই জাতীয় পার্টিকে ছাড় দেবে না আওয়ামী লীগ। সূত্র জানায়, অর্ধশত নির্বাচনী আসন রয়েছে যেখানে আওয়ামী লীগের সমর্থন নিয়ে জাতীয় পার্টি সহজে জয়লাভ করতে পারে। অতীতের ভোটের হিসাবে দেখা গেছে, রংপুর সিলেট ও রাজশাহী বিভাগকেন্দ্রিক এসব আসনে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি ঐক্যবদ্ধ হলে বিএনপির পরাজয় বেশ নিশ্চিত হয়। তবে বিএনপি-আওয়ামী লীগ-জাতীয় পার্টির ত্রিমুখী লড়াইয়ে বিএনপি জয়লাভ করার সুযোগ থাকে। মূলত এসব আসনেই আওয়ামী লীগ জাতীয় পার্টিকে ছাড় দেবে। বিএনপি যাতে ভোটের অঙ্কের হিসাবে কোনো সুযোগ না পায়। তবে ১৪ দলের শরিকদের বিগত জাতীয় সংসদে প্রাপ্ত সিট নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হবে।

বিশেষ নজরে তরুণ ভোটাররা : চলতি বছরের শেষে অনুষ্ঠেয় একাদশ জাতীয় নির্বাচনের জন্য অনেক দিন আগে থেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছিল আওয়ামী লীগ। আর এই প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল নির্বাচনে ভোটের ফ্যাক্টর হিসেবে উন্নয়নের প্রচারকে মডেল ধরে। তরুণ ভোটাররা সব সময় আওয়ামী লীগের পক্ষে ছিল। কিন্তু সর্বশেষ কয়েকটি জরিপে দেখা গেছে, আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জন্য ফ্যাক্টর হয়ে দেখা দিয়েছে তরুণরা। বিষয়টি আওয়ামী লীগের নেতারা প্রকাশ্যেও স্বীকার করেছেন।

আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, সম্প্রতি কোটা আন্দোলন ও নিরাপদ সড়কের আন্দোলনে গুজব ছড়িয়ে তরুণদের সরকারের ওপর ক্ষুব্ধ করে তোলার চেষ্টা হয়েছে। ১৮ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে থাকা আড়াই কোটি ভোটারই নির্বাচনে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছে আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড। তারা বলছেন, এক সময় তরুণ ভোটারদের বেশিরভাগই আওয়ামী লীগের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিল। তবে বর্তমানে এই অবস্থার কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে। আর এরই মধ্যে তরুণ ভোটারদের ফেরাতে উদ্যোগী আওয়ামী লীগ। তরুণদের আবার আওয়ামী লীগের প্রতি আকৃষ্ট করতে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে সরব হয়েছে তথ্যপ্রযুক্তিতে অভিজ্ঞ দলটির বিশেষ টিম। আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারণার বড় অংশও থাকবে প্রযুক্তিকেন্দ্রিক। কোটা আন্দোলন ও সড়ক আন্দোলনে সহনশীলতা প্রদর্শন, চাকরির বয়সসীমা বাড়ানোসহ তরুণদের তুষ্ট করতে নির্বাচনকেন্দ্রিক প্যাকেজ কর্মসূচি থাকবে আওয়ামী লীগের।

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আওয়ামী লীগ বরাবরই তারুণ্যকে ধারণ করে আসছে। বর্তমান প্রজন্মকে বিজ্ঞানমনস্ক, প্রযুক্তিবান্ধব হিসেবে আওয়ামী লীগই গড়ে তুলেছে। আজকের তরুণদের সামনে যে ডিজিটাল বাংলাদেশ তা আওয়ামী লীগের অবদান। আগামী নির্বাচনে তারা নিজেদের বৃহৎ কল্যাণের কথা চিন্তা করে আবারও নৌকায় ভোট দিবে।

নজর ব্যবসায়ীতেও, সরব হবে দুর্নীতিবিরোধী অবস্থান নিয়ে : ব্যবসায়ীরাও নির্বাচনের অন্যতম ফ্যাক্টর হবেন। ব্যবসাবান্ধব নীতি, ব্যাংকের সুদের হারসহ ব্যবসা সংশ্লিষ্ট নানা বিষয় তাই নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে। ব্যবসায়ীদের কথা চিন্তা করেই সরকার অনলাইন ভ্যাট আইন বাস্তবায়ন পিছিয়েছে। সুদের হারও এক অঙ্কে নামিয়ে আনার বিষয়টিও বাস্তবায়নের দ্বারপ্রান্তে। অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোও ব্যবসায়ীদের আকৃষ্টে পরিকল্পনা সাজাচ্ছে।

আওয়ামী লীগের এবারের নির্বাচনে ভোটের অন্যতম ফ্যাক্টর হবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান। দুর্নীতি নিয়ে মানুষ এখন সচেতন। দেশের উন্নতির অন্যতম অন্তরায় হিসেবেই বিষয়টিকে দেখে সাধারণ মানুষ। একাদশ জাতীয় নির্বাচনে খসড়া ইশতেহারে দুর্নীতির বিরুদ্ধে তাদের কঠোর অবস্থানের কথা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। বলা হয়েছে, এবার ক্ষমতায় এলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করবে আওয়ামী লীগ। একই সঙ্গে অন্য রাজনৈতিক দলগুলোরও দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে বলে মনে করে দলটি। নির্বাচনী মাঠে বিএনপিকে দুর্নীতি নিয়ে রাজপথে চ্যালেঞ্জ করবে আওয়ামী লীগ। বিএনপি আমলে পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হওয়া, খালেদা ও তারেক জিয়ার দুর্নীতিতে সম্পৃক্ত হওয়ার বিষয়টিও নির্বাচনে কাজে লাগাবে।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top