Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, মঙ্গলবার, ২২ জানুয়ারী ২০১৯ , সময়- ৭:৪৯ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
১০টি অঞ্চলে পাঁচ ধাপে অনুষ্ঠিত হবে নির্বাচন আওয়ামী লীগ দেশ চালাতে পারবে না : রব ৫ কোম্পানির পানি মানহীন : বিএসটিআই পরিকাঠামো উন্নয়নে বিপুল অর্থ ঋণ দিচ্ছে চিন বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছেন এরশাদ  মুন্সিগঞ্জের ট্রলারডুবি যে সত্যগুলো উন্মোচন করল রোহিঙ্গাদের কথা শুনলেন রাষ্ট্রসংঘের প্রতিনিধিরা সম্ভাবনাময় অন্যান্য রফতানি পণ্যে প্রণোদনা : বাণিজ্যমন্ত্রী আওয়ামী লীগের বিজয় উৎসব জনগণের সঙ্গে মশকরা কোনো অন্যায় সহ্য করা হবে না : মন্ত্রিসভায় শেখ হাসিনা

১০ বছরে খালেদা জিয়ার আইজীবীরা প্রমাণ করতে পারলেন না সে নির্দোষ : প্রধানমন্ত্রী


প্রজন্মকণ্ঠ অনলাইন রিপোর্ট

আপডেট সময়: ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ৪:৫৬ পিএম:
১০ বছরে খালেদা জিয়ার আইজীবীরা প্রমাণ করতে পারলেন না সে নির্দোষ : প্রধানমন্ত্রী

আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কারাগারে আদালত বসিয়ে বিচার এটা নতুন কিছু নয়, বাংলাদেশে এর আগেও কারাগারে আদালত বসিয়ে বিচার করা হয়েছে। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সময়ই এ রকম বিচার হয়েছে ।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভার সূচনা বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, খালেদা জিয়ার বিচার ক্যামেরা ট্রায়ালে হচ্ছে না। পুরো দরজা খোলাই ছিল। এটা ক্যামেরা ট্রায়াল হল কীভাবে ?

প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন রেখে বলেন, তার (খালেদা জিয়ার) আইনজীবীরা ভেতরে যাননি। তাদের (বিএনপির) কোনো কোনো আইনজীবী গেটে গিয়ে বসেছিলেন। কিন্তু কোর্ট রুমে ঢুকেননি। তারা আশপাশে বসেছিলেন। অবাধে সবাই যাতায়াত করতে পেরেছেন। এটা কীভাবে ক্যামেরা ট্রায়াল হয় ?

বিএনপি নেতাদের বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, খালেদা জিয়ার মামলার বিচারে কোনো রাজনীতি নেই, কোনো প্রতিহিংসা নেই। সে এতিমের টাকা খেয়েছে বলেই আদালত তাকে সাজা দিয়েছেন। সে যদি নির্দোষ হতো তাহলে তার আইনজীবীরাই প্রমাণ করতে পারত যে, সে নির্দোষ। কাজেই অপরাধীর সাজা তো হবেই।

তিনি বলেন, এতিমের টাকা চুরি করে কেউ যদি জেলে যায় তার দায়-দায়িত্ব কার? প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১০ বছর মামলা চলছে। এ ১০ বছরে খালেদা জিয়ার আইজীবীরা প্রমাণ করতে পারলেন না সে নির্দোষ। সেই দোষটাও কি আমাদের সরকারের ?

মঙ্গলবার বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আদালতে বলেছেন, আমাকে সাজা দেয়ার জন্যই এখানে আদালত বসানো হয়েছে। এখানে ন্যায়বিচার নেই। আপনাদের যা মন চায়, আমাকে যতদিন ইচ্ছা সাজা দিয়ে দেন। আমি অসুস্থ বারবার আদালতে আসতে পারব না ।

খালেদা জিয়ার এমন বক্তব্যের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এটা কোন ধরনের কথা? একজন মানুষ যিনি সংবিধান মানেন, আইন মানেন, তিনি কিভাবে বলেন, আমি আদালতে যাব না, আপনারা পারলে সাজা দিয়ে দেন। নিজেকে নিরপরাধ মনে করলে তিনি অবশ্যই আদালতে আসবেন । তিনি বলেন, আমার নামেও তো মামলা ছিল। কই আমি তো পালিয়ে যাইনি। তিনি (খালেদা জিয়া) কেন কোর্টে যান না? অপরাধী বলেই তিনি আদালতে যান না। খালেদা জিয়ার অপরাধী মন !

আদালতে বিএনপির আইনজীবীদের না আসা প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, বিএনপির অনেক আইনজীবী খালেদা জিয়ার হাজিরার সময়ে আসেন না। এটা বুঝতে হবে, হয় আইনি লড়াইয়ে তাকে নিরপরাধ প্রমাণ করতে পারবেন না অথবা তাকে বয়কট করেছেন।

বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, অসাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় যে দলের জন্ম সে দলের কাছ থেকে সংবিধানের কথা শুনতে হয়। খালেদা জিয়ার সঙ্গে যে গৃহপরিচারিকা থাকেন তাকে কোন আইনের বলে তার সঙ্গে রাখেন? খালেদা জিয়া ঘুমাতে পারবেন না বলে বিশেষ অর্থোপেডিক গদি সরবরাহ করেছি, এটা কোন আইনে আছে? এটা কী তিনি জানতেন না? অথচ খালেদা জিয়া যখন ক্ষমতায় ছিলেন তখন বিমান বাহিনীর প্রধান, সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ও রওশন এরশাদকে কারাগারের ফ্লোরে রেখেছেন। বিএনপি নেতাদের এ মিথ্যা অপপ্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top