Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, বুধবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮ , সময়- ১২:৪৯ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
ড. কামাল হোসেনের গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় মামলা সারা দেশে ব্যাপক শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় বিজয় দিবস উদযাপন বিএনপি-ঐক্যফ্রন্টকে ভোট না দেয়ার আহ্বান খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে সংগ্রাম চলছে, চলবে : ফখরুল  ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী বিজয় দিবসে একাত্তরের বীর শহীদদের প্রতি প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা গণমানুষের শেখ মুজিব, ইতিহাসের মহানায়ক বিজয় দিবসের বীর শ্রেষ্ঠরা বীরত্বের এক অবিস্মরণীয় দিন, মহান বিজয় দিবস আজ নির্বাচনে নিরাপত্তার ছক চুড়ান্ত করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী

ঠাকুরগাঁও-২ আসন : ভোটারদের মধ্যে নতুন মুখের প্রত্যাশা


প্রজন্মকণ্ঠ অনলাইন রিপোর্ট

আপডেট সময়: ৯ অক্টোবর ২০১৮ ৫:৩৭ পিএম:
ঠাকুরগাঁও-২ আসন : ভোটারদের মধ্যে নতুন মুখের প্রত্যাশা

৩০ বছর ধরে ঠাকুরগাঁও-২ আসন নিজের দখলে রেখেছেন এবং ৬ বারের সংসদ সদস্য আলহাজ দবিরুল ইসলাম। কিন্তু কিছু সন্ত্রাসীর কারণে এসময় তার বিরুদ্ধে এলাকায় রয়েছে অভিযোগ। ফলে ‘ফ্রেশ ইমেজের’ কাউকে সামনে আনার কথাও ভাবছে আওয়ামী লীগ। আর আওয়ামী লীগের এই বিতর্কের সুযোগ নিতে চাইছে বিএনপি। জয় নিশ্চত করতে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে চাইছে সংগঠনটি। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্থানীয়দের মধ্যে ঠাকুরগাঁও-২ আসনে নতুন মুখের আহ্বান দেখা গেছে। জেলার বালিয়াডাঙ্গী-হরিপুর উপজেলা ও রানীশংকৈল উপজেলার দুটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত ঠাকুরগাঁও-২ আসন। 

জাতীয় সংসদের ৪ নম্বর আসনটি জেলা ও জাতীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বিএনপির খোদ মহাসচিব প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন এ আসন থেকে। মাঝে একটা সময় ছাড়া ৩০ বছর ধরে আসনটি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য আলহাজ দবিরুল ইসলামের দখলে রয়েছে। তবে তিনি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন পেতে প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখোমুখি হতে পারেন। এ আসনে মনোনয়ন পেয়ে আওয়ামী লীগের ৪ জন প্রার্থী মড়িয়া হয়ে উঠেছেন। তারা মাঠপর্যায়ে গিয়ে তাদের প্রচারণা চালাচ্ছেন জোরেশোরে। এমপিকে নিয়ে বিতর্ক ও অভিযোগের কারণে ভোটারদের মধ্যেও নতুন মুখের প্রত্যাশা দেখা গেছে। সেদিক থেকে এ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বাছাইয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

অন্যদিকে বিএনপি-জামায়াত অথবা অন্য রাজনৈতিক দল সাংগঠনিকভাবে বেশ দুর্বল এ আসনে। তারা অনেক পিছিয়ে আছে ক্ষমতাসীনদের চেয়ে। বিএনপি-জামায়াতের প্রার্থীরা ঠাকুরগাঁও-২ আসনটি নিজেদের দখলে নিতে গোপনে কাজ করছেন। এখন পর্যন্ত তিনজন প্রার্থী মনোনয়ন পাওয়ার জন্য কাজ করছেন। তবে হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামকে চাইছে সংগঠনটি।

এলাকায় ঘুরে জানা গেছে, আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে মনোনয়নপ্রত্যাশীরা বিভিন্ন কৌশলে ঠাকুরগাঁও-২ আসনে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন। ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতারা পোস্টার ও ব্যানার টানিয়েছেন এলাকায়। মোবাইল ফোনে খুদে বার্তা ও শুভেচ্ছা কার্ড পাঠাচ্ছেন ভোটারদের কাছে। নিয়মিত মোবাইল ফোন ও মাঠপর্যায়ে গিয়ে ভোটারদের খোঁজখবর নিচ্ছেন তারা। গত বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের বিভিন্ন সহযোগিতা ও ঈদে দুস্থদের মধ্যে ঈদের সামগ্রী বিতরণ করেছেন তারা। এ ছাড়া বিভিন্ন কর্মসূচি, গণসংযোগ, ব্যক্তিগত সভা-সমাবেশ, সামাজিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে কুশলবিনিময় করতে দেখা যাচ্ছে তাদের।

স্থানীয়রা জানান, বর্তমান সংসদ সদস্য দবিরুল ইসলাম এলাকার সাধারণ মানুষের  পাশে দাঁড়িয়ে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দিয়ে আসছেন। শুধু তা-ই নয়, সংসদ সদস্যের পরিবারের অন্য সদস্যরা এলাকায় মসজিদ মন্দির ও সামাজিক কাজের সহযোগিতা  করে আসছেন। এলাকায় দৃশ্যমান ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে বলে সাধারণ ভোটাররা। তাই এ আসনে ভোটাররা আবার দবিরুল ইসলাম কে দেখতে চান।  এলাকার ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে যেমন রাস্তাঘাট, কালভাট ব্রিজ, স্কুল কলেজের বিল্ডিং,  ইউনিয়ন পরিষদের নতুন ভবন, একাডেমিক ভবন, শহীদ মিনার, বাড়ি বাড়ি বিদ্যুৎ, শিশুর বিনোদন ভবন, ছোট বড় প্রতিটি রাস্তা পাকাকরণ, চিকিৎসার সুব্যবস্থা, ইউনিয়ন পরিষদগুলোতে  তথ্য সেবা কেন্দ্র , স্কুল কলেজ সরকারি জাতীয়করণ, এই ধরনের আরো অনেক উন্নয়ন করেছেন এলাকায়  ।

আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য মনোনয়নপ্রত্যাশীরা হলেন ঠাকুরগাঁও-২ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ দবিরুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোস্তাক আলম টুলু, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক চেয়ারম্যান প্রবীর কুমার রায়।

৩০ বছরের বিজয় দখলের মধ্যে এমপি দবিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এলাকায় কিছু সন্ত্রাসীর  কারণে  অভিযোগ রয়েছে । এ কারণে তিনি এলাকায় জনপ্রিয়তা হারিয়েছেন বলে স্থানীয় আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন নেতা মনে করেন। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বর্তমান এমপি দবিরুল ইসলাম  সাংবাদিক মজিবর রহমান শেখ কে বলেন, আমি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। স্বাধীনতার পর থেকে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত এবং নির্বাচিত হয়ে এলাকার উন্নয়ন করে আসছি। দীর্ঘদিন বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি। বর্তমানে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। গ্রহণযোগ্যতা ও জনপ্রিয়তা আছে বলেই এ এলাকার মানুষ আমাকে বারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছে। ছয়বার সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হওয়ার কারণে স্থানীয় ও জেলা পর্যায়ের কিছু নেতা তার বিরুদ্ধে নানা রকম ষড়যন্ত্র করে আসছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

জমি দখলের অভিযোগ সম্পর্কে এমপি দবিরুল ইসলাম বলেন, কিছু সন্ত্রাসী তার নাম ভাঙিয়ে এলাকায় অপকর্ম করে দীর্ঘদিনের সুনাম নষ্ট করার পাঁয়তারা করছে। তবে আগামী নির্বাচনে এ আসনে তিনি প্রার্থী হলে নৌকা প্রতীক আবারো বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে বলে আশা করেন।

অন্যদিকে ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোস্তাক আলম টুলু বিপুল জনসমর্থন নিয়ে এ আসনে গণসংযোগ চালিয়ে আসছেন। তিনি ১৯৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নেতা ছিলেন। পরে ২০০৪ সালে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আওয়ামী লীগে যোগ দেন। মোস্তাক আলম টুলু বলেন, তিনি এ এলাকার সুবিধাবঞ্চিত মানুষ ও নির্যাতিত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, দলের নেতাকর্মীদের বিভিন্ন আপদ-বিপদে পাশে ছিলেন এবং এখনো আছেন। তিনি ২০০১ সালের নির্বাচনের আগে ও পরে বিএনপি-জামায়াত জোটের সন্ত্রাসীদের হাতে নির্যাতিত সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের পাশে থেকে তাদের আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ ও তৃণমূলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এখন অনেক সচেতন। তারা তাদের ভাগ্যোন্নয়নে সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তন চায়; তারা চায় উন্নত জীবনযাপন। আর তাই স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের অনুরোধে তিনি আওয়ামী লীগ থেকে আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন চাইবেন।

এ আসনের আওয়ামী লীগের আরেক মনোনয়নপ্রত্যাশী বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রবীর কুমার রায়। তিনি বলেন, তিনি গেজেটভুক্ত একজন মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধে তার চাচা বালিয়াডাঙ্গী এলাকার প্রথম শহীদ। ১৯৯৬ সাল থেকে তিনি এখন পর্যন্ত উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ২০০৯ সালে তিনি বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাকে মনোনয়ন দেওয়া হলে তিনি বিজয়ী হবেন। এ আসনে আওয়ামী লীগের আরেক মনোনয়ন প্রত্যাশী বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলী, তিনি বলেন, তিনি গেজেটভুক্ত একজন মুক্তিযোদ্ধা, তার বাবা একজন শহীদ, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাকে মনোনয়ন দেওয়া হলে তিনি বিজয়ী হবেন । অপরদিকে মাঠে প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং জনসাধারনের সুখ দুঃখে তাদের পাশে দাঁড়িয়ে সহযোগিতা করে আসছেন ঠাকুরগাঁও-২আসন সংসদ সদস্য ছেলে ও ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তরুণ নেতা মাজহারুল ইসলাম সুজন, তিনি বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাকে মনোনয়ন দেওয়া হলে তিনি বিজয়ী হবেন।

সুযোগ নিতে চায় বিএনপি

ঠাকুরগাঁও-২ আসনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বাবা প্রয়াত মির্জা রুহুল আমিন (চখা মিয়া) একসময় সংসদ সদস্য ছিলেন। বিএনপি নেতাকর্মীদের ধারণা, এ আসনে মহাসচিব ফখরুল ইসলাম নির্বাচন করতে পারেন। সম্প্রতি এ আসনের বালিয়াডাঙ্গী ও হরিপুর উপজেলায় দলের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন মির্জা ফখরুল। সে সময় নেতাকর্মীরা তাকে ঠাকুরগাঁও-২ আসনে নির্বাচন করার জন্য দাবি জানান। তবে এ ব্যাপারে মির্জা ফখরুল কোনো সিদ্ধান্ত জানাননি। আর এখন পর্যন্ত এ আসনে কে প্রার্থী হবেন, তা নিয়ে দলীয় কোনো সিদ্ধান্তও হয়নি।

এ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন দুই বিএনপি নেতা। দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য জেড মর্তুজা চৌধুরী। অন্যদিকে বালিয়াডাঙ্গীর কৃতী সন্তান ডা. আবদুস সালাম ঢাকায় থেকেও জেলার মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছেন। পাশাপাশি শীতবস্ত্র বিতরণ, মসজিদ, মাদ্রাসাসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সহায়তা দিচ্ছেন এ ডাক্তার। বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানেও ইদানীং উপস্থিত থাকছেন তিনি। তিনি এবার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন। এ ছাড়া জামায়াত থেকে মনোনয়ন চাইবেন জেলা জামায়াতের আমির আবদুল হাকিম।

বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী জেড মর্তুজা চৌধুরী তুলা জানান, দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে তিনি সম্পৃক্ত। ১৯৯২ সালে তিনি ঢাকা কলেজ শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি ছিলেন। এ ছাড়া ১৯৯৬ সালে এ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন, যে সংসদ তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিল পাস করার পর ভেঙে দেওয়া হয়। তিনি ঢাকায় থাকলেও এলাকার মানুষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করছেন। মানুষদের আপদে-বিপদেও তিনি সহযোগিতা করেছেন। তিনি বলেন, তিনি এ আসনে দলীয় মনোনয়নের জন্য মহাসচিব মির্জা ফখরুলের কাছে প্রস্তাব দেবেন। মহাসচিব তার কর্মকা- বিবেচনায় নিয়ে অবশ্যই তাকে মনোনয়ন দেবেন বলে তিনি আশা করেন।

এদিকে জাতীয় পার্টি থেকেও এসেছে মনোনয়নপ্রত্যাশীর নাম। ঠাকুরগাঁও জেলা জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় মহিলা পার্টির সহসভাপতি নূরুন নাহার জেলার সংগঠনেরও সভাপতিও ছিলেন। এবার ঠাকুরগাঁও-২ আসন থেকে মনোনয়ন চাইবেন দলের কাছে। তিনি বলেন, এলাকার মানুষ এ আসনে পরিবর্তন চায়। তাই এ সুযোগকে কাজে লাগাবেন তিনি। মনোনয়ন পেয়ে তিনি এ আসন থেকে নির্বাচিত হবেন বলে আশা করছেন।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top