Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, সোমবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৮ , সময়- ৯:৪৫ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
ড. কামাল হোসেনের গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় মামলা সারা দেশে ব্যাপক শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় বিজয় দিবস উদযাপন বিএনপি-ঐক্যফ্রন্টকে ভোট না দেয়ার আহ্বান খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে সংগ্রাম চলছে, চলবে : ফখরুল  ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী বিজয় দিবসে একাত্তরের বীর শহীদদের প্রতি প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা গণমানুষের শেখ মুজিব, ইতিহাসের মহানায়ক বিজয় দিবসের বীর শ্রেষ্ঠরা বীরত্বের এক অবিস্মরণীয় দিন, মহান বিজয় দিবস আজ নির্বাচনে নিরাপত্তার ছক চুড়ান্ত করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী

বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলগুলোকে সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে দায়িত্ব পালনের আহ্বান


প্রজন্মকণ্ঠ অনলাইন রিপোর্ট

আপডেট সময়: ১১ অক্টোবর ২০১৮ ১২:০৫ পিএম:
বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলগুলোকে সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে দায়িত্ব পালনের আহ্বান

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলগুলোকে সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘সবাই সবার লাভের বিষয়টা দেখবে, কিন্তু সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধটাও গুরুত্বপূর্ণ। কাজেই টেলিভিশন চ্যানেলগুলোকে তাদের সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকেই বেশি বেশি শিক্ষামূলক সম্প্রচারে যেতে হবে।’

বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল মালিকদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্সের (এটিসিও) নেতারা বুধবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘জনগণ মনোরঞ্জনের জন্য যে টেলিভিশন দেখে, সেটাকে শিক্ষার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে তার নিজের উন্নয়ন এবং সমাজ বিনির্মাণেও ব্যবহার করা যায়।’

এ সময় তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু ও তথ্য প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট তারানা হালিম উপস্থিত ছিলেন।

এটিসিও চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান, পরিচালক ইকবাল সোবহান চৌধুরী, সিনিয়র সহসভাপতি মোজাম্মেল বাবু ও ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের নাজমুল হাসান পাপন এটিসিও প্রতিনিধি দলে ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান, তথ্য সচিব আবদুল মালেক, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম ও প্রধান তথ্য কর্মকর্তা কামরুন্নাহার এ সময় সেখানে ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের লক্ষ্য নতুন নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। পাশাপাশি আমরা দেশকে যে কোনো অপশক্তির কবল থেকে দূরে রাখতে চাই। গণমাধ্যম, বিশেষ করে টেলিভিশন চ্যানেলগুলো দেশের শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি এবং ক্রীড়ার বিকাশে ভূমিকা রেখে এক্ষেত্রে কার্যকরী অবদান রাখতে পারে।

খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি, আলোকিত সমাজ বিনির্মাণ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান প্রভৃতি ক্ষেত্রে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলগুলো ভূমিকা রাখতে পারে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব চ্যানেলে এসব অনুষ্ঠান বেশি বেশি সম্প্রচার করা হলে মানুষের নানা বদ অভ্যাসেরও পরিবর্তন আসতে পারে।

তিনি বলেন, যত বেশি এগুলোর সম্প্রচার হচ্ছে, মানুষের মধ্যেও পরিবর্তন আসছে, আমরা দেখতে পাচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমাজে যেন কোনো অশুভ কাজ না হয়, সমাজটা যেন সুন্দরভাবে গড়ে উঠতে পারে, সমাজকে যেন আমরা এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি এবং মানুষের শিক্ষা-দীক্ষা যেন আরও বিকশিত হতে পারে, আমাদের সাংস্কৃতিক চর্চা যেন আরও বিকশিত হয়, সাহিত্য চর্চাটাও যেন বিকশিত হয়, সেই সঙ্গে আমাদের খেলাধুলা বিকশিত হতে পারে, যেটা মানুষের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে চরিত্রগঠনসহ সবদিক থেকে সহযোগিতা করবে, সেই বিষয়গুলো আপনারা আপনাদের টেলিভিশনে সম্প্রচার করবেন।

দেশকে আর্থসামাজিকভাবে উন্নয়ন করতে হলে দেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকা অপরিহার্য, বলেন প্রধানমন্ত্রী। জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ৮৬ শতাংশে উন্নীত করার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘এটা এত সহজ কাজ নয়, এজন্য আমাদের শ্রম দিতে হয়েছে, খাটতে হয়েছে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা প্রবৃদ্ধি যেমন বাড়িয়েছি, তেমনি মূল্যস্ফীতি দুই অঙ্কের ঘর থেকে ৫ দশমিক ৪ ভাগে নামিয়ে আনতে পেরেছি। যখন মূল্যস্ফীতি কম থাকে এবং উচ্চহারে প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়, তখন এর সুফলটা গ্রামের সাধারণ মানুষ পায়, যেটি এখন পাচ্ছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজ আর্থসামাজিক উন্নয়নটা যদি না হতো, তাহলে আপনাদের এতগুলো টেলিভিশন চ্যানেল মানুষ দেখত না। কিন্তু এখন গ্রামের ঘরে ঘরে টেলিভিশন রয়েছে। হাটবাজারে জনগণ টেলিভিশন দেখছে। কারণ পেটে ভাত আছে, তারা কাজের সুযোগ পাচ্ছে, অর্থনৈতিকভাবে তারা স্বাবলম্বী হয়েছে।’

’৯৬-পরবর্তী তার সরকারের বেসরকারি খাতকে উন্মুক্ত করে দেয়ার প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী জানান, ‘সে কারণেই তার সরকার এখন ৪১টি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে অনুমতি প্রদান করেছে এবং ৩০টি চ্যানেল এখন সম্প্রচারে রয়েছে।’

শিল্পী মিতা হক, সাংবাদিক জালালের চিকিৎসায় ৫০ লাখ টাকা অনুদান : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অসুস্থ রবীন্দ্রসঙ্গীতশিল্পী মিতা হক ও আলোকচিত্র সাংবাদিক জালাল উদ্দিন হায়দারের চিকিৎসার জন্য অনুদান হিসেবে ৫০ লাখ টাকা দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী এদিন তার কার্যালয়ে মিতা হক ও জালাল উদ্দিন হায়দারের কাছে ৩০ লাখ ও ২০ লাখ টাকার চেক হস্তান্তর করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী আরও ছয়জনকে তাদের ভরণপোষণ ও চিকিৎসার জন্য ৮৫ লাখ টাকা এবং একটি প্রতিষ্ঠানকে ১০ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তার চেক দেন।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top