Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, সোমবার, ২২ অক্টোবর ২০১৮ , সময়- ৪:৪৫ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
এরশাদের বিরুদ্ধে করা মঞ্জুর হত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিল, আগামী ১৮ নভেম্বর নির্বাচন সামনে রেখে শিগগিরই সারাদেশে অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান শুরু জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে ২৮ রানে জয় পেলো বাংলাদেশ  সাম্প্রতিক সৌদি আরব সফর : প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন, আগামীকাল গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটির জন্য চালু হচ্ছে ঢাকা-কালিয়াকৈর ট্রেন সার্ভিস শিগগিরই ছোট হচ্ছে মন্ত্রিসভা আপনার কথায় অস্ট্রেলিয়ায় থাকা আমার মেয়েও লজ্জিত : মঈনুলকে ফোনে মির্জা ফখরুল  আমরা আর দুর্নীতিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ান হতে চাইনা, সমৃদ্ধ উন্নত বাংলাদেশ চাই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  সিলেটে সমাবেশ করার অনুমতি পেয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট  ইমরুলের সেঞ্চুরিতে ৮ উইকেট হারিয়ে টাইগারদের সংগ্রহ ২৭১ রান

গ্রেনেড হামলা : তারেক রহমানের ফাঁসির দাবিতে আদালতে যাচ্ছে সরকার  


প্রজন্মকণ্ঠ অনলাইন রিপোর্ট

আপডেট সময়: ১২ অক্টোবর ২০১৮ ১২:০১ এএম:
গ্রেনেড হামলা : তারেক রহমানের ফাঁসির দাবিতে আদালতে যাচ্ছে সরকার  

২০০৪-এর ২১ আগস্ট, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টার অভিযোগে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা পেয়েছেন বিএনপি-র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমান৷ সূত্রের খবর, এবার তার ফাঁসির সাজার জন্য আবেদন করা হবে। বৃহস্পতিবার একথা জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুব আলম৷ অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, এই মামলায় একজন পাকিস্তানি নাগরিকেরও সাজা হয়েছে। 

বাংলাদেশের ক্ষতি করার এবং বাংলাদেশকে নেতৃত্বশূন্য করার কাজ পাকিস্তান এখনও জারি রেখেছে৷ তারা সন্ত্রাসবাদে মদত দিচ্ছে । তবে, আমরা জেএমবি-সহ অন্যান্য জঙ্গিদের দমন করতে সফল হয়েছি ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টায় সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে আদালত ৷ বুধবার রায় ঘোষণা করা হয়৷ শাস্তির চরম খাঁড়া নেমে আসে বিএনপি-জামাত জোট সরকারের তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, আবদুস সালাম পিন্টু-সহ ১৯ জনের উপর ৷ 

এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা শোনান হয় বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র তথা দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমান-সহ হারিছ চৌধুরিকে৷ মঙ্গলবার হামলার বিচার প্রক্রিয়া শেষ হয় আদালতে৷ আগেই প্রমাণিত হয়েছে যে, হামলায় ব্যবহৃত আর্জেস গ্রেনেড এসেছিল পাকিস্তান থেকে। ষড়যন্ত্র হয়েছিল পাক অধিকৃত কাশ্মীরে । বুধবার দুপুরে ঢাকার ফার্স্ট ট্র্যাক আদালতে রায় ঘোষণা করেন বিচারপতি শাহেদ নূর উদ্দিন ৷ 

এই মামলায় মোট ৪৯ জনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। তাদের মধ্যে ৪১ জনের সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছিলেন সরকারপক্ষের আইনজীবীরা। আওয়ামি লিগের দলনেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ২০০৪-এর ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালানো হয় । সেদিন বিকালে ঢাকার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামি লিগ কার্যালয়ের সামনে এক সমাবেশে গ্রেনেড হামলা করা হয়। এই ঘটনায় মৃত্যু হয় আওয়ামি লিগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক আইভি রহমান-সহ ২৪ জন৷ গুরুতর জখম হন শেখ হাসিনা-সহ আওয়ামি লিগের কয়েকশো নেতা ও কর্মী ।

আদালতে দায়ের হয় দুটি পৃথক মামলা৷ একটি হত্যা মামলা এবং একটি বিস্ফোরণ কাণ্ডের মামলা। মামলায় মোট আসামী ৪৯ জন, যাদের মধ্যে কারাগারে রয়েছেন ৩১ জন। সরকারিপক্ষে সাক্ষ্য দিয়েছেন ২২৫ জন। অন্যদিকে, বিরোধীপক্ষে সাক্ষ্য দেন মাত্র ২০ জন। গ্রেনেড হামলার তদন্ত নিয়ে একাধিকবার পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ উঠেছে৷ অভিযোগ উঠেছে তৎকালীন বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে। জর্জ মিঁয়া নামের এক ব্যক্তিকে দিয়ে গ্রেনেড হামলার জবানবন্দি নেওয়ার বিষয়টিও সমালোচনার জন্ম দেয় । 

২০০৭-এ ওই হামলার পুনরায় তদন্ত শুরু হয়। সেখানে উঠে আসে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হরকত-উল-জেহাদ নেতা মুফতি আবদুল হান্নান এবং তৎকালীন বিএনপি সরকারের উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুর নাম৷ তদন্তে উঠে আসে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ছেলে তথা বিএনপি’র অন্যতম শীর্ষনেতা তারেক রহমানের নাম৷ অভিযুক্তদের তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর-সহ বেশ কয়েকজনে পদস্থ শীর্ষ পুলিশকর্তা এবং তিনজন আইজিপি’র নাম ৷


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top